শিরোনাম
◈ রোববার চট্টগ্রাম যাবেন প্রধানমন্ত্রী, থাকছে একাধিক কর্মসূচি ◈ সাকিবের দেশে ফেরার প্রশ্নে ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী—‘আর কোনো সুযোগ নেই’ ◈ ডাকা হচ্ছে সংসদের বিশেষ অধিবেশন ◈ সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতন বাড়ানোর বিষয়ে যা বললেন প্রতিমন্ত্রী ◈ নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হলে দেশে ফিরে বিচারের মুখোমুখি হতে প্রস্তুত: রয়টার্সকে সাকিব ◈ ‘শেখ হাসিনার বক্তব্যে ভারত সরকারের কোনো সম্পৃক্ততা নেই’ ◈ ‘কিসের হাসিনা, তার চেহারা কী দেখা গেছে?’—স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর প্রশ্ন ◈ বাংলাদেশি উদ্যোক্তাদের জন্য ফেসবুকের নতুন সুবিধা ◈ সিঙ্গাপুর-মালয়েশিয়ার উদাহরণ টেনে বেতন বাড়ানোর দাবি প্রতিমন্ত্রী নুরুল হক নুরের (ভিডিও) ◈ আমিও চাই, শেখ হাসিনা ডিসেম্বরে দেশে ফিরে আইনি পথে হাঁটুক: আইনমন্ত্রী (ভিডিও)

প্রকাশিত : ২২ ডিসেম্বর, ২০২৫, ০৬:৫২ সকাল
আপডেট : ২৮ জুলাই, ২০২৬, ০৫:০০ বিকাল

প্রতিবেদক : আর রিয়াজ

গাজার ৭৫ শতাংশেরও বেশি মানুষের খাদ্য নিরাপত্তা নেই: জাতিসংঘ

পার্সটুডে-জাতিসংঘের মুখপাত্র স্টিফেন ডুজারিক বলেছেন, গাজা উপত্যকার ৭৫ শতাংশেরও বেশি বাসিন্দা এখনও তীব্র খাদ্য নিরাপত্তাহীনতা এবং অপুষ্টির সাথে লড়াই করছেন। তিনি সর্বশেষ খাদ্য নিরাপত্তা শ্রেণীবিভাগ (আইপিসি) প্রতিবেদনের উদ্ধৃতি তুলে ধরে একথা বলেন।

জাতিসংঘের মুখপাত্র সাংবাদিকদের বলেন, যদিও গাজা উপত্যকায় খাদ্য পাঠানোর কিছুটা উন্নতি হয়েছে এবং দুর্ভিক্ষ থেকে মুক্তি নিশ্চিত করা হয়েছে। তবে এইসব পদক্ষেপ খুবই ঠুনকো।

পার্সটুডে জানিয়েছে, ডুজারিক সতর্ক করে বলেন, ২০২৬ সালের এপ্রিলের মাঝামাঝি প্রায় ১.৬ মিলিয়ন মানুষ (গাজার জনসংখ্যার ৭৫ শতাংশেরও বেশি) তীব্র খাদ্য নিরাপত্তাহীনতা এবং অপুষ্টির সম্মুখীন হবে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

এছাড়াও, আইপিসি রিপোর্ট অনুসারে, প্রায় ১,৯০০ মানুষ বিপর্যয়কর পরিস্থিতির শিকার হবে (পঞ্চম পর্যায়) এবং ৫৭০,০০০ এরও বেশি মানুষ  চরম (পঞ্চম পর্যায়) ক্ষুধার মুখোমুখি হবে।

ডুজারিক জোর দিয়ে বলেন, শীতকালীন ঝড়, রোগ, দুর্বল স্যানিটেশন এবং হাসপাতাল ও পানির ব্যবস্থাসহ ক্ষতিগ্রস্ত অবকাঠামোর মতো জরুরি বিষয়গুলো সংকটকে আরও গভীর করেছে।

জাতিসংঘের মুখপাত্র, ঝুঁকিপূর্ণ গাজাবাসীর ওপর খাদ্য সংকটের প্রভাব উল্লেখ করে এক পরিসংখ্যানে বলেছেন, ২০২৬ সালের অক্টোবরের মাঝামাঝি নাগাদ পাঁচ বছরের কমবয়সী ১,০০,০০০ 'এরও বেশি শিশু এবং ৩৭,০০০ গর্ভবতী ও স্তন্যদানকারী মহিলাদের তীব্র অপুষ্টির জন্য জরুরি চিকিৎসার প্রয়োজন হবে। প্রতিবেদনগুলো ইঙ্গিত দিচ্ছে, গাজার কোনও শিশুর ন্যূনতম খাবারের ব্যবস্থা নেই এবং দুই-তৃতীয়াংশ শিশু মারাত্মকভাবে খাদ্য নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়