শিরোনাম
◈ হাসিনা কলকাঠি নাড়ছেন, গুপ্তরা বাতাস দিচ্ছে: রিজভী ◈ নারী ত্রিদেশীয় সিরিজের বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-১৯ দল ঘোষণা ◈ ইরান যুদ্ধ ও জ্বালানি সংকটের মধ্যেও ২০২৬ সালে বিশ্ব অর্থনীতির প্রবৃদ্ধি ২.৯%: OECD ◈ পণ্য খালাসের সময় ও ব্যয় কমাতে সমন্বিত কর্মপরিকল্পনার তাগিদ বাণিজ্যমন্ত্রীর ◈ আগামী শুক্র ও শনিবার ব্যাংক খোলা ◈ রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে ৫ দফা প্রস্তাব: জাতিসংঘের সাইডলাইন বৈঠকে প্রধানমন্ত্রীর জোরালো আহ্বান ◈ হুতিদের হামলা ঠেকাতে সৌদির অনুরোধে সাড়া নেই, ট্রাম্প-সালমান সম্পর্কে নতুন টানাপোড়েন ◈ গেটস ফাউন্ডেশনের সিইওর সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর বৈঠক, স্বাস্থ্যখাতে এআই ব্যবহারের পরিকল্পনা ◈ ১০ বছরে জ্বালানি তেল থেকে সরকারকে ১ লাখ ১৯ হাজার কোটি টাকা দিয়েছে বিপিসি ◈ লিভারপুলের অ্যানফিল্ড গুগল রেটিংয়ে এগিয়ে

প্রকাশিত : ০৩ ডিসেম্বর, ২০২৫, ০৩:২৪ রাত
আপডেট : ১৯ আগস্ট, ২০২৬, ১২:০০ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

ট্রাম্প প্রশাসনের কঠোর নীতি—ইমিগ্রেশন কোর্টে মামলার পাহাড়, বিচারক ছাঁটাই অব্যাহত

চরম সংকটে পড়েছে যুক্তরাষ্ট্রর ইমিগ্রেশন বিভাগ। দিন দিন জটিল থেকে জটিলতর হচ্ছে সেখানকার পরিস্থিতি। এরইমধ্যে আরও ৮ বিচারককে বরখাস্ত করা হয়েছে। নিউইয়র্ক সিটির ফেডারেল ভবনে অবস্থিত এই কোর্ট। ইমিগ্রেশন কোর্টের ‘দ্য ন্যাশনাল অ্যাসোসিয়েশন অব ইমিগ্রেশন জাজ’-এর তথ্য উদ্ধৃত করে একটি শীর্ষস্থানীয় মার্কিন দৈনিক মঙ্গলবার এ খবর প্রকাশ করেছে।

চলতি বছর যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে ইমিগ্রেশন কোর্ট থেকে সর্বমোট ৯০ জন বিচারক বরখাস্ত হয়েছেন। এর মধ্যে নিউইয়র্কের ছিলেন ৬ জন। এর ফলে ইমিগ্রেশন কোর্টের কার্যক্রম প্রায় স্থবির হয়ে পড়বে বলে আশঙ্কা করছেন অভিবাসন আইনজীবীরা।

advertisement

প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসন অভিবাসনবিরোধী কার্যক্রম জোরদার করার নির্দেশ দেওয়ার মধ্যেই এ বরখাস্তের ঘটনা ঘটেছে। আইন অনুযায়ী, গ্রেপ্তারের পর বহিষ্কার আদেশ জারি হওয়ার আগে অভিযুক্তদের আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ পাওয়ার কথা। কিন্তু বিচারকের সংখ্যা কমে যাওয়ায় অনেক আটক ব্যক্তিই সেই সুযোগ থেকে বঞ্চিত হতে পারেন বলে মনে করছেন এটর্নীরা।

বরখাস্ত হওয়া বিচারকদের মধ্যে অন্যতম হলেন আমিনা এ. খান, যিনি নিউইয়র্ক ইমিগ্রেশন কোর্টের সুপারভাইজিং বিচারক ছিলেন। সংগঠনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, বরখাস্ত হওয়া ৯০ জনের বিপরীতে এখন পর্যন্ত নিয়োগ দেওয়া হয়েছে মাত্র ৩৬ জনকে।

advertisement

এদিকে যুক্তরাষ্ট্রের ৬০০টিরও বেশি ইমিগ্রেশন কোর্টে বর্তমানে প্রায় ৩৭ লাখ মামলা ঝুলে রয়েছে। এসব মামলার ওপর নির্ভর করছে রাজনৈতিক আশ্রয়, পারিবারিক কোটা, ভিসা জটিলতা কিংবা স্ট্যাটাস অ্যাডজাস্টমেন্টের মতো গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত।

মানবাধিকার সংগঠনগুলোর ভাষ্য, ট্রাম্প প্রশাসনের অভিবাসনবিরোধী অবস্থান যুক্তরাষ্ট্রের সংবিধানসম্মত ন্যায্য বিচার প্রক্রিয়াকে বাধাগ্রস্ত করছে।

advertisement

ইতিমধ্যেই বিচারক সংকটের কারণে বহু মামলার নতুন তারিখ স্বয়ংক্রিয়ভাবে ২০২৮ সাল পর্যন্ত পিছিয়ে গেছে। আরও জানা গেছে, অনেক আশ্রয় আবেদন শুনানি ছাড়াই সরকারের পক্ষ থেকে বাতিলের প্রক্রিয়ায় রয়েছে।

গত সপ্তাহে ওয়াশিংটন ডিসিতে এক আফগান অভিবাসীর গুলিতে ন্যাশনাল গার্ডের এক সদস্য নিহত হওয়ার ঘটনার পর ট্রাম্প প্রশাসন আফগানিস্তানসহ ১৯ দেশের নাগরিকদের ভিসা নিষিদ্ধ করেছে। একই সঙ্গে আশ্রয়সংক্রান্ত ঝুলে থাকা মামলার কার্যক্রম স্থগিত ও পারিবারিক কোটার ইমিগ্রেশন প্রসেসিং স্থগিত রাখা হয়েছে।

আইনজীবী ও মানবাধিকার কর্মীদের অভিযোগ—একজন ব্যক্তির অপরাধের দায় পুরো বিশ্বের অসহায় অভিবাসীদের ওপর চাপানো হচ্ছে, যা অমানবিক ও আইনের চেতনাবিরোধী।

 

  • সর্বশেষ