শিরোনাম
◈ ব্যাংকিং খাতে ফিরছে সুদিন! ◈ ভারতে পাচার ৬ বাংলাদেশি নারীকে ট্রাভেল পারমিটে ফেরত ◈ বাবা ‘মুক্তিযুদ্ধে শহীদ’, জন্ম ১৯৮১ সালে বলে ভাইরাল সেই জামায়াত এমপির বাবা এখনও জীবিত! ◈ ট্রাম্প-নেতানিয়াহুকে টার্গেট স্নাইপার-ড্রোন করে হামলার পরিকল্পনা, এফবিআইয়ের অভিযানে আটক ৫ ◈ বাংলাদেশি টাকার মান বেড়েছে ভারতীয় রুপির বিপরীতে ◈ সকালে সিলেটে প্রধানমন্ত্রীর বকুনি খেয়ে বিকেলে সংসদে হাজির হলেন এমপি ◈ ভারত ও মিয়ানমার সীমান্তে কাঁটাতারের বেড়া নির্মাণের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ◈ কৌশলগত বড় পরিবর্তন: ইন্দো-প্যাসিফিক নাম বাদ, নতুন করে ‘ইউএস প্যাসিফিক কমান্ড’ চালু করল পেন্টাগন ◈ হামের টিকাদানে গাফিলতির প্রমাণ মিললে ব্যবস্থা, হজের খরচ কমানো ও তিস্তায় নতুন ব্যারেজ নির্মাণের পরিকল্পনা: প্রধানমন্ত্রী ◈ সংসদে ‘আই হ্যাভ এ প্লান’ এর ব্যাখ্যা দিলেন প্রধানমন্ত্রী

প্রকাশিত : ১৭ নভেম্বর, ২০২৫, ০৬:৫০ বিকাল
আপডেট : ১২ জুন, ২০২৬, ০৯:০০ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

‘ভারত কোনো অবস্থাতেই হাসিনাকে ফেরত দেবে না’

জুলাইয়ের গণ-অভ্যুত্থানের চলাকালে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল। ঐতিহাসিক এই রায় ঘোষণার পরপরই নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে— ভারত কি পলাতক সাবেক এই প্রধানমন্ত্রীকে বাংলাদেশে ফেরত পাঠাবে?

ভারতের জিন্দাল গ্লোবাল ইউনিভার্সিটির দক্ষিণ এশীয় স্টাডিজ বিভাগের বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক শ্রীরাধা দত্ত কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল-জাজিরাকে বিষয়টি নিয়ে একটি সাক্ষাৎকার দিয়েছেন। সেখানে তিনি জানান, হাসিনার বিরুদ্ধে আদালতের রায় ছিল প্রত্যাশিত। তবে, তার মতে, ভারত কোনো অবস্থাতেই তাকে প্রত্যর্পণ করবে না। 

আল-জাজিরায় প্রকাশিত প্রতিবেদনে শ্রীরাধা দত্ত বলেন, ভারত তাকে (শেখ হাসিনা) কোনো মতেই হস্তান্তর করবে না। গত দেড় বছরে ভারত–বাংলাদেশ সম্পর্ক টালমাটাল অবস্থায় ছিল এবং অনেক সময় তা ভঙ্গুর পর্যায়ে পৌঁছায়।

তিনি আরও মনে করেন, শেখ হাসিনার মৃত্যুদণ্ডও প্রত্যাশিত ছিল। শ্রীরাধা দত্তের ভাষ্য, আন্তর্জাতিক মানবাধিকার পর্যবেক্ষকরাও একমত যে বাংলাদেশে ট্রাইব্যুনালের কার্যক্রম দেশের প্রচলিত আইন অনুযায়ীই পরিচালিত হয়েছে। 


তার মন্তব্য— দেশের পরিস্থিতি সবারই জানা। অনেকেরই প্রত্যাশা ছিল তিনি (হাসিনা) কঠোর শাস্তি পাবেন।

জিন্দাল গ্লোবাল ইউনিভার্সিটির এই অধ্যাপক আরও বলেন, নিরস্ত্র ছাত্রদের বিরুদ্ধে সংঘটিত অপরাধ নিয়ে কোনো সন্দেহ নেই। তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী যে সরাসরি গুলি চালানোর নির্দেশ দিয়েছিলেন, তার প্রমাণও রয়েছে।

তিনি যোগ করেন, আওয়ামী লীগ পাল্টা একটি বর্ণনা তৈরির চেষ্টা করবে। তবে বাংলাদেশিদের বিশ্বাস—হাসিনা মানবতাবিরোধী অপরাধ করেছেন।

উল্লেখ্য, আজ সোমবার (১৭ নভেম্বর) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১–এর বিচারপতি গোলাম মর্তুজা মজুমদারের নেতৃত্বে তিন সদস্যের বেঞ্চ এই রায় দেন। মামলার দুই নম্বর অভিযোগে শেখ হাসিনাকে মৃত্যুদণ্ড এবং এক নম্বর অভিযোগে আমৃত্যু কারাদণ্ড দেওয়া হয়।

রায়ে আদালত উল্লেখ করে, শেখ হাসিনা মানবতাবিরোধী অপরাধের সঙ্গে জড়িত। একই সঙ্গে আসাদুজ্জামান খান কামাল ও চৌধুরী মামুনের বিরুদ্ধেও অপরাধের প্রমাণ পাওয়া গেছে। চৌধুরী আব্দুল্লাহ আল মামুন রাষ্ট্রপক্ষের সাক্ষী হয়ে সত্য উদ্ঘাটনে সহায়তা করায় তার সর্বোচ্চ শাস্তি কমানো হবে।

এদিন বেলা সাড়ে ১২টার দিকে ৪৫৩ পৃষ্ঠার রায়ের সংক্ষিপ্ত অংশ পড়ে শোনান ট্রাইব্যুনাল। সূত্র: আল-জাজিরা

 

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়