শিরোনাম
◈ মির্জা ফখরুলই কি বঙ্গভবনের নতুন বাসিন্দা হচ্ছেন? ◈ এক্সিমের পর সোশ্যাল ইসলামী বুঝে পেল সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক ◈ প্রধানমন্ত্রীকে চিঠি লিখে স্বপ্নপূরণ অনুশ্রীর ◈ মার্কিন বাজারে চীন-ভারতের চেয়ে কম ক্ষতির মুখে বাংলাদেশ ◈ ঢাকায় পাকিস্তান হাই কমিশনারের বাসভবনে আগুন ◈ রাষ্ট্রপতি পদে লড়তে কী কী যোগ্যতা প্রয়োজন? জানুন সংবিধানের শর্তগুলো ◈ কর্মীর স্ত্রীর সঙ্গে আপত্তিকর অবস্থায় ধরা, বহিষ্কার জামায়াতের আরেক নেতা ◈ বিটিভির নতুন মহাপরিচালক কাজী জেসিন ◈ চলতি অর্থবছরেই স্থানীয় সরকারের সব স্তরের নির্বাচন: প্রতিমন্ত্রী শাহে আলম ◈ বাংলাদেশ-অস্ট্রেলিয়া সম্পর্কে বাণিজ্য, বিনিয়োগ ও দক্ষতা উন্নয়নে জোর

প্রকাশিত : ১৪ নভেম্বর, ২০২৫, ০৪:০৫ দুপুর
আপডেট : ১৪ জুলাই, ২০২৬, ১১:০০ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

গাজা ভবিষ্যৎ নিয়ে রুশ–মার্কিন দ্বিমত তীব্র, ট্রাম্প পরিকল্পনা নিয়ে বিতর্ক

গাজা পরিস্থিতি নিয়ে জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদে যুক্তরাষ্ট্রের প্রস্তাবিত খসড়া প্রস্তাবের পাল্টা হিসেবে নিজস্ব প্রস্তাব উত্থাপন করেছে রাশিয়া। রুশ প্রস্তাবে যুক্তরাষ্ট্রের পরিকল্পনায় থাকা বিতর্কিত ‘বোর্ড অব পিস’–এর কোনো উল্লেখ নেই। বৈরিতা বন্ধে ‘ভারসাম্যপূর্ণ ও গ্রহণযোগ্য’ পথ তৈরি করার কথা বলা হয়েছে রাশিয়ার খসড়া প্রস্তাবে। 

এতে জাতিসংঘ মহাসচিবকে গাজায় আন্তর্জাতিক স্থিতিশীলতা রক্ষাকারী বাহিনী (আইএসএফ) গঠনের সম্ভাব্য উপায় খুঁজে দেখার অনুরোধ করা হয়েছে। ট্রাম্পের প্রস্তাবিত 'বোর্ড অব পিস'–এর উল্লেখ নেই, যা গাজায় অন্তর্বর্তী প্রশাসন হিসেবে গঠনের কথা বলছে যুক্তরাষ্ট্র।যুক্তরাষ্ট্রের খসড়া প্রস্তাবে গাজায় দুই বছরের ম্যান্ডেটসহ অন্তর্বর্তী প্রশাসন এবং আন্তর্জাতিক স্থিতিশীলতা বাহিনী (আইএসএফ) গঠনের অনুমোদন চাওয়া হয়েছে। খবর টিআরটি ওয়ার্ল্ডের।

তৃতীয় আরেকটি খসড়া, যা বার্তা সংস্থা এএফপি দেখেছে, সেখানে ‘বোর্ড অব পিস’ গঠনের বিষয়টি স্বাগত জানানো হয়েছে-যার নেতৃত্বে থাকবেন ট্রাম্প।এই আইএসএফ ইসরায়েল, মিশর এবং নবগঠিত ফিলিস্তিনি পুলিশ বাহিনীর সঙ্গে সীমান্ত নিরাপত্তা, গাজার নিরস্ত্রীকরণ ও সাধারণ মানুষের সুরক্ষা নিশ্চিত করবে।

মার্কিন খসড়ায় প্রথমবারের মতো ভবিষ্যৎ ফিলিস্তিনি রাষ্ট্র গঠনের সম্ভাবনার কথা উল্লেখ করা হয়েছে। যখন ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষ প্রয়োজনীয় সংস্কার সম্পন্ন করবে এবং গাজা পুনর্গঠন শুরু হবে, তখন ‘ফিলিস্তিনিদের আত্মনিয়ন্ত্রণ ও রাষ্ট্র গঠনের বাস্তব পথ তৈরি হতে পারে।

মার্কিন মিশন সতর্ক করেছে যে এখন বিভক্তি তৈরি হলে গাজার মানুষ 'গুরুতর ও এড়ানো সম্ভব এমন ক্ষতির' মুখে পড়বে। তাদের ভাষায়, ‘এটি মধ্যপ্রাচ্যে স্থায়ী শান্তির পথে ঐতিহাসিক মুহূর্ত।’

ইতোমধ্যে ইসরায়েল ও হামাস ট্রাম্পের প্রস্তাবিত ২০ দফা পরিকল্পনার প্রথম ধাপ-দুই বছরের ‘জেনোসাইড ও বন্দি বিনিময়-চুক্তি’-তে সম্মত হয়েছে, যা মার্কিন খসড়ায় যুক্ত করা হয়েছে। ট্রাম্প বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র নিজের সেনা পাঠাবে না। তবে প্রায় ২০ হাজার সেনার একটি আন্তর্জাতিক বাহিনী গঠনে ইন্দোনেশিয়া, পাকিস্তান, সংযুক্ত আরব আমিরাত, মিশর, কাতার, তুরস্ক ও আজারবাইজানের সঙ্গে আলোচনা চলছে।

 

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়