শিরোনাম
◈ সকালে সিলেটে প্রধানমন্ত্রীর বকুনি খেয়ে বিকেলে সংসদে হাজির হলেন এমপি ◈ ভারত ও মিয়ানমার সীমান্তে কাঁটাতারের বেড়া নির্মাণের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ◈ কৌশলগত বড় পরিবর্তন: ইন্দো-প্যাসিফিক নাম বাদ, নতুন করে ‘ইউএস প্যাসিফিক কমান্ড’ চালু করল পেন্টাগন ◈ হামের টিকাদানে গাফিলতির প্রমাণ মিললে ব্যবস্থা, হজের খরচ কমানো ও তিস্তায় নতুন ব্যারেজ নির্মাণের পরিকল্পনা: প্রধানমন্ত্রী ◈ সংসদে ‘আই হ্যাভ এ প্লান’ এর ব্যাখ্যা দিলেন প্রধানমন্ত্রী ◈ ইরান-যুক্তরাষ্ট্রের ‘১৪ দফা’ চুক্তি ফাঁস, সামনে আসছে যুদ্ধবিরতির রূপরেখা ◈ ‘আমরা খালেদা জিয়ার সৈনিক, দেশ ছেড়ে কোথাও যাব না’ ◈ সীমান্ত হত্যা মানবাধিকারের সুস্পষ্ট লঙ্ঘন: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ◈ দেশে হাম সন্দেহে মৃত্যু আরও ৪ জনের, নতুন করে আক্রান্ত ৯৬৬ ◈ শ্রীমঙ্গলে ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচির উদ্বোধন, বাজেট নিয়ে সমালোচকদের কড়া জবাব প্রধানমন্ত্রীর

প্রকাশিত : ০৬ নভেম্বর, ২০২৫, ০৯:৫৫ সকাল
আপডেট : ১২ জুন, ২০২৬, ০৮:০০ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

যুক্তরাষ্ট্রে প্রথম বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত মুসলিম বিচারপতি হয়েছেন সোমা সাইদ

যুক্তরাষ্ট্রের প্রথম বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত এবং নিউ ইয়র্ক সিটির কুইন্সের প্রথম মুসলিম বিচারপতি হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছেন নিউ ইয়র্ক স্টেট সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি সোমা এস সাইদ। ব‌ুধবার (৫ নভেম্বর) রা‌তে এই প্রতি‌বেদ‌কের সঙ্গে আলাপকা‌লে তথ‌্যটি নি‌শ্চিত ক‌রেন যুক্তরাজ্যে বসবাসরত সোমার প‌রিবা‌রের সদস‌্য, বুরহান চৌধ‌ুরী।

সোমা সাঈদ দু লাখ ৬০ হাজারের বেশি ভোট পেয়ে ইতিহাস সৃষ্টি করেছেন। এ অর্জন সম্পর্কে তিনি বলেন, এটি আমার পরিবার, আমার সমাজ এবং আমার দেশের বিজয়।

সোমা সাঈদ ২০২১ সালে কুইন্স কাউন্টি থেকে নিউ ইয়র্ক সিটি সিভিল কোর্টের বিচারক হিসেবে নির্বাচিত হন এবং এরপর থেকে শহরের আইনি ও নাগরিক পরিমণ্ডলে একজন সম্মানিত মানুষ হিসেবে পরিচিতি লাভ করেন।

তিনি বাংলাদেশের টাঙ্গাইল জেলায় জন্মগ্রহণ করেন। সোমা সাইদের পিতা আফতাব উদ্দিন সাঈদ ছিলেন বাংলাদেশের একজন ম্যাজিস্ট্রেট। তার মা ছিলেন একজন প্রধান শিক্ষিকা।

তিনি ও তার স্বামী মিজান চৌধুরী বর্তমানে নিউ ইয়র্কের কুইন্সে বসবাস করছেন। মিজান চৌধুরী বাংলাদেশের মৌলভীবাজারে জন্মগ্রহণ করেন এবং তিনি নিউ ইয়র্ক স্টেটের একজন আইটি বিশেষজ্ঞ, রাজনৈতিক কৌশলবিদ ও সমাজসেবী।

বিচারপতি সোমা সাঈদ তার অবিচল অঙ্গীকার, বৈচিত্র্য, প্রতিনিধিত্ব ও ন্যায়বিচারের প্রতি নিষ্ঠার জন্য পরিচিত। তিনি নিউ ইয়র্কের আইনি অঙ্গনে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ নেতৃত্বের পদে অধিষ্ঠিত ছিলেন, যার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো— নিউ ইয়র্ক সিটি সম-অধিকার প্রয়োগ পরিষদের সহ-সভাপতি, নিউ ইয়র্ক সিটি ন্যায়বিচারের অধিকার পরিষদের বোর্ড সদস্য, নিউ ইয়র্ক মার্কিন-এশীয় বিচারকদের সংস্থার সদস্য ইত্যাদি।

এছাড়া তিনি ছিলেন কুইন্স কাউন্টি উইমেনস বার অ্যাসোসিয়েশনের প্রথম দক্ষিণ এশীয় এবং মুসলিম নারী সভাপতি।

সূত্র: বাংলা ট্রিবিউন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়