শিরোনাম
◈ একটি শিশুর ওপর নির্যাতন পুরো সমাজকে আহত করে: রামিসার রায়ে আদালতের বার্তা ◈ এআই ও প্রযুক্তিনির্ভর যুগে শিক্ষার্থীদের প্রস্তুত হতে হবে: তারেক রহমান ◈ বালুবোঝাই ট্রাক উঠতেই ভেঙে পড়ল সেতু, দুর্ভোগে হাজারো মানুষ ◈ ভালো ব্যাংকও রক্ষা পায়নি, ৬১ ব্যাংকের মধ্যে ৪৪টির অবস্থার অবনতি, বেড়েই চলেছে খেলাপি ঋণের পাহাড় ◈ ভারতে ডেটা সেন্টার খাতে ৩০ বিলিয়ন ডলারের বিশাল বিনিয়োগ করবেন বাংলাদেশি-অস্ট্রেলীয় ব্যবসায়ী রবিন খুদা! ◈ জেল থেকে ফিরে নানা আলোচনার কেন্দ্রে আওয়ামী লীগ নেত্রী আইভী, সরগরম চুনকা কুঠির ◈ মাদকের বিরুদ্ধে ক্ষোভ নাকি আইন হাতে তুলে নেওয়া? ভাইরাল গণপিটুনির ঘটনায় বিতর্ক ◈ ধর্ষণ ও হত্যার ঘটনায় সেই ‘ডলার’কে নিয়ে ভিন্ন কথা বললেন রামিসার বাবা ◈ আদালতের ঐতিহাসিক রায়: ১৬ দিনে বিচার সম্পন্ন, রামিসা হত্যা মামলায় দুই আসামির মৃত্যুদণ্ড ◈ অবৈধ অভিবাসনের বিরুদ্ধে কড়াকড়ি, ১৭ মাসে ৪৬০০ ভারতীয়কে ফেরাল যুক্তরাষ্ট্র

প্রকাশিত : ২৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৫, ০৫:২২ বিকাল
আপডেট : ০৪ জুন, ২০২৬, ০৮:০০ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

সৌদি-পাকিস্তান প্রতিরক্ষা চুক্তিতে যোগ দেওয়ার আহ্বান ইরানের শীর্ষ উপদেষ্টার

ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির এক শীর্ষ সামরিক উপদেষ্টা সৌদি আরব ও পাকিস্তানের সাম্প্রতিক প্রতিরক্ষা চুক্তিকে স্বাগত জানিয়েছেন। মত দিয়েছেন, ইরানেরও এতে যোগ দেওয়া উচিৎ।

আজ সোমবার ইরানের সরকারি গণমাধ্যম তেহরান টাইমসে এই তথ্য জানানো হয়।

শনিবার টিভিতে প্রচারিত সাক্ষাৎকারে খামেনির সামরিক উপদেষ্টা মেজর জেনারেল ইয়াহিয়া রহিম সাফাভি বলেন, রিয়াদ ও ইসলামাবাদের 'কৌশলগত পারস্পরিক প্রতিরক্ষা চুক্তি' একটি গঠনমূলক উদ্যোগ। এটি আঞ্চলিক নিরাপত্তা নিশ্চিতে ইতিবাচক ভূমিকা পালন করবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।

তিনি বলেন, 'আমাদের বিশ্লেষণ হলো, এই চুক্তি ইতিবাচক। পাকিস্তান জানিয়েছে, অন্যান্য দেশও এতে যোগ দিতে পারে। আমি সুপারিশ করছি, ইরানেরও এতে অংশ নেওয়া উচিৎ।'

'ইরান, সৌদি আরব, পাকিস্তান ও ইরাক সমষ্টিগত জোট গঠন করে এগিয়ে যেতে পারে। যদিও আমার ধারণা যুক্তরাষ্ট্রের আশির্বাদ ছাড়া ইসলামাবাদ-রিয়াদ এ ধরনের চুক্তিতে যেতে পারত না, তবুও বলছি—একটি আঞ্চলিক পরাশক্তি হিসেবে আমাদের উচিৎ এই জোটে যোগ দেওয়ার প্রস্তুতি নেওয়া এবং প্রস্তুতি শেষ হলে তা জানিয়ে ঘোষণা দেওয়া। এটা আমাদের সামরিক কূটনীতি ও পররাষ্ট্রনীতির বিষয়। এটা আঞ্চলিক প্রতিরক্ষা ও নিরাপত্তা চুক্তির ক্ষেত্রে সক্রিয় ভূমিকা নেওয়ার বিষয়', যোগ করেন তিনি।

১৭ সেপ্টেম্বর সৌদি আরব ও পাকিস্তানের পক্ষে ওই চুক্তিতে সই দেন যথাক্রমে যুবরাজ মুহাম্মদ বিন সালমান ও প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরীফ। চুক্তির শর্ত মতে, এক দেশকে তৃতীয় কোনো দেশ আক্রমণ করলে অপর দেশ তাদের সুরক্ষা দেবে। উভয় পক্ষই এই চুক্তিকে একটি বিশেষ মাইলফলকের আখ্যা দেয়।

ওই চুক্তি সইয়ের একদিন আগেই দোহায় একটি জরুরি আরব-ইসলামিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। কাতারের রাজধানী দোহায় হামাস নেতাদের বিরুদ্ধে পরিচালিত ইসরায়েলের প্রাণঘাতী হামলার প্রেক্ষাপটে ওই সম্মেলন আয়োজিত হয়।

ওই হামলার পর থেকে ইরান ও পাকিস্তানসহ বেশ কয়েকটি মুসলিম দেশ বিদেশি আগ্রাসনের বিরুদ্ধে জোটবদ্ধ হওয়ার প্রয়োজনীয়তার কথা উল্লেখ করেছে।

পাকিস্তানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী খাজা আসিফ মত দেন, মার্কিনিদের সম্মতি ছাড়া দোহায় হামলা করার সাহস পেত না ইসরায়েল। তিনি মুসলিম দেশগুলোকে পশ্চিমাদের ন্যাটো জোটের মতো একটি ইসলামিক জোট গঠনের আহ্বান জানান।

সশস্ত্রবাহিনী প্রধান মেজর জেনারেল আবদোলরহিম মৌসাভি ও সেনাবাহিনীর কমান্ডার-ইন-চিফ মেজর জেনারেল আমির হাতামির ভাষ্য, তেহরান যেকোনো সামগ্রিক নিরাপত্তা অবকাঠামোর সঙ্গে যুক্ত হওয়ার বিষয়টি খোলা মনে বিবেচনা করবে। পাশাপাশি, তারা নিজেদের সামরিক ও প্রতিরক্ষা সক্ষমতা বাড়ানোর দিকেও নজর দেবে। সাফাভির সঙ্গে সুর মিলিয়ে তারা এই বক্তব্য দেন।

 

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়