স্পোর্টস ডেস্ক : বিশ্বকাপ ফুটবলের ‘এল’ গ্রুপের ম্যাচের ভাগ্য নির্ধারিত হলো ৯৫তম মিনিটে। পানামার বিশ্বকাপ প্রত্যাবর্তন বিষাদময় করে ঘানা জিতে গেল শেষ সময়ের গোলে। পানামার জন্য এই ফলাফল মেনে নেওয়া কঠিনই। ম্যাচের ৬৩ শতাংশ সময় বল ছিল তাদের কাছে। গোলে শট নিয়েছে তারা ১১টি, লক্ষ্যে ছিল ৪টি। অন্যান্য সূচকেও তারা এগিয়ে। কিন্তু গোলের খেলায় আসল কাজটি করে নেয় ঘানা।
গোলের পর মাঠে দুই দলের মধ্যে ঝামেলা শুরু হয়ে যায় এবং খানিকটা হাতাহাতিও হয়। তাতে ম্যাচের বয়স ১০০ মিনিট পেরিয়ে যায়। শেষ দিকে বক্সের বাইরে ডান প্রান্তে ফ্রি কিক পায় পানামা। দলের সবাই উঠে আসে সামনে, এমনকি গোলকিপার অরলান্দো মুসকেরাও চলে আসেন ঘানার বক্সে। লাফিয়ে হেড করে বল সামনে বাড়ান মুসকেরা, আবার হেড করেন ইসমায়েল দিয়াস। কিন্তু কোনোরকমে বল ধরে ফেলেন ঘানার গোলকিপার বেঞ্জামিন আসারে।
আসারে অবশ্য দলের প্রথম পছন্দের গোলকিপার নন। ম্যাচের শুরু থেকে গোলবারে ছিলেন লরেন্স আটি-জিগি। প্রথমার্ধে দলের সেরা খেলোয়াড় ছিলেন তিনিই। কিন্তু শেষ দিকে চোট পেয়ে চিকিৎসা নেন তিনি। দ্বিতীয়ার্ধে আর মাঠে নামতে পারেননি। ঘানার শক্তির ঘাটতি ছিল আরও। ভিসা জটিলতায় দলের সঙ্গে যোগ দিতে পারেননি দলের তারকা মিডফিল্ডার তমাস পার্তে। পরের ম্যাচগুলিতে অবশ্য তাকে পাওয়া যাবে।
ঘানার এটি টানা দ্বিতীয় ও ছয় আসরের মধ্যে পঞ্চম বিশ্বকাপ। ২০১০ বিশ্বকাপে চমকে দিয়েছিল তারা কোয়ার্টার-ফাইনালে জায়গা করে নিয়ে। পানামা আগে বিশ্ব আসরে খেলেছিল কেবল ২০১৮ আসরে।