স্পোর্টস ডেস্ক: আগামী বছর অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে টেস্ট সিরিজ খেলতে যাবে বাংলাদেশ। এই সফর দিয়ে ২২ বছর ডারউইনে ফিরতে পারে টেস্ট ক্রিকেটও।
সিরিজের একটি ম্যাচ এই ভেন্যুতে আয়োজনের বিষয়ে ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়া (সিএ) আলোচনা করছে বলে এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে ইএসপিএন ক্রিকইনফো।
অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে ২০০৩ সালে সবশেষ টেস্ট খেলেছিল বাংলাদেশ। সেবারও ডারউইনে সাদা পোশাকের ক্রিকেটে একটি ম্যাচ খেলেছিল তারা। এরপর ২০০৪ সালে এই ভেন্যুতে সবশেষ টেস্ট খেলে অস্ট্রেলিয়া ও শ্রীলঙ্কা।
আইসিসির ভবিষ্যৎ সফরসূচি অনুযায়ী, বাংলাদেশের এই সফরটি হওয়ার কথা ছিল ২০২৭ সালের মার্চে। কিন্তু তবে টেস্ট ক্রিকেটের ১৫০ বছর পূর্তি উপলক্ষ্যে ওই সময়টায় অস্ট্রেলিয়া ও ইংল্যান্ডের মধ্যে মেলবোর্ন ক্রিকেট গ্রাউন্ডে বিশেষ একটি টেস্ট ম্যাচের আয়োজন করা হচ্ছে।
আর তাই বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের অন্তর্ভুক্ত বাংলাদেশের বিপক্ষে টেস্ট সিরিজটি ২০২৬ সালের জুলাই-আগস্টে এগিয়ে আনে সিএ।
সে সময়টায় অস্ট্রেলিয়ায় শীতকাল চলে। ফলে দেশটির মূল ভেন্যুগুলোতে তখন সাধারণত ক্রিকেটের লড়াই হয় না। এজন্য বাংলাদেশের বিপক্ষে সিরিজটি আয়োজনে ভেন্যু হিসেবে বিবেচনায় আছে ডারউইন, ম্যাকাই, কেয়ার্নস ও টাউন্সভিল।
সম্প্রতি দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে সাদা বলের সিরিজ দিয়ে ১৭ বছর পর ডারউইনে আবারও আন্তর্জাতিক ক্রিকেট ফিরেছে। টি-টুয়েন্টি সিরিজের দুটি ম্যাচ সেখানে অনুষ্ঠিত হয়েছিল।
সিএর তরফ থেকে এখনও আনুষ্ঠানিক কোনো ঘোষণা না আসলেও সংস্থাটির প্রধান নির্বাহী টড গ্রিনবার্গ ম্যাচ টেস্ট আয়োজনের আভাস দিয়ে বলেন, আমরা এটা নিশ্চিত করতে চাই যে, বিভিন্ন আলাদা জায়গায় আমরা ক্রিকেট খেলতে চাই যেন ভবিষ্যৎ প্রজন্ম তাদের তারকাদের চোখের সামনে দেখতে পারে।
সেখানকার (ডারউইনে) মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে কিছু সময় কাটিয়েছি আমি এবং সেখানে আরও বেশি ক্রিকেট আয়োজনে আমাদের মতো তাদের আগ্রহও প্রবল।
ক্রিকেটে সবচেয়ে বড় ব্যাপার যেটি, আবহাওয়া, সেদিক থেকে ভাবলে সেখানকার কন্ডিশন দারুণ এবং কোনো কিছু নিয়ে দুর্ভাবনার কিছু নেই।
দক্ষিণ আফ্রিকা সিরিজের আগে ডারউইনে সবশেষ আন্তর্জাতিক ক্রিকেট হয়েছিল ২০০৮ সালে।
সেবার আগস্ট-সেপ্টেম্বরে বাংলাদেশের বিপক্ষে তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজ খেলেছিল অজিরা। এরপর আর কোনো দ্বিপাক্ষিক সিরিজ খেলতে দেশটি যাওয়ার সুযোগ হয়নি বাংলাদেশের।