শিরোনাম
◈ দলীয় নেতাকর্মীদের ভিড় ও তদবির ঠেকাতে প্রধানমন্ত্রীর যে নতুন উদ্যোগ! ◈ বাইক থেকে নৌযানসহ আরও যেসব ক্ষেত্রে বাংলাদেশে জ্বালানি সংকটের প্রভাব পড়ছে! ◈ সমাজে বিভাজন সৃষ্টির অপচেষ্টা চলছে: মির্জা ফখরুল ◈ ইরাক ৪০ বছর পর বিশ্বকাপে, রাজকীয় সংবর্ধনা ফুটবল দলকে ◈ ১৪টি বোয়িং কেনার পথে সরকার, এয়ারবাস লিজ নেওয়ার পরিকল্পনা ◈ শ্বাসরুদ্ধকর ম‌্যা‌চে ১০ জনের অ্যাতলেটিকো মা‌দ্রিদ‌কে হারা‌লো বার্সেলোনা ◈ আমেরিকা, চীন ও রাশিয়া, বাংলা‌দেশ পররাষ্ট্রনীতিতে কোনদিকে ঝুঁকছে? ◈ নিউজিল্যান্ডের বিরু‌দ্ধে টি-টোয়েন্টি সিরিজে খেল‌বেন না মুস্তাফিজ ◈ এবার আওয়ামী লীগের জেলা অফিস গোপনে বিক্রি হয়ে গেল, অভিযোগ অস্বীকার নেতাদের ◈ শানিয়ান ও মেহরাব বিসিবি পরিচালকের পদ ছাড়লেন

প্রকাশিত : ২৮ মার্চ, ২০২৬, ১১:২৫ রাত
আপডেট : ০৪ এপ্রিল, ২০২৬, ১২:০০ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

ইরানে মার্কিন প্যারাট্রুপার মোতায়েন: সম্ভাব্য লক্ষ্য ও ঝুঁকি নিয়ে বাড়ছে আলোচনা

ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক পদক্ষেপের অংশ হিসেবে মধ্যপ্রাচ্যে প্রায় দুই হাজার প্যারাট্রুপার পাঠাতে যাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র। এলিট বাহিনী ৮২তম এয়ারবর্ন ডিভিশনের সদস্যরা ইতিমধ্যে উপসাগরীয় অঞ্চলে মোতায়েনের প্রস্তুতি নিচ্ছেন বলেও বিভিন্ন আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে বলা হয়েছে। একই সময়ে ইরান নিয়ে নতুন কূটনৈতিক উদ্যোগও বিবেচনা করছেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এ সময় আলোচনা ব্যর্থ হলে স্থল অভিযান শুরু হতে পারে- এমন আশঙ্কাও উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না।

কী করতে পারে এই বাহিনী?: বিশেষজ্ঞদের মতে, ৮২তম এয়ারবর্ন ডিভিশন মূলত দ্রুত আক্রমণ ও গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা দখলে দক্ষ। তারা ২৪ ঘণ্টার মধ্যে বিশ্বের যেকোনো স্থানে মোতায়েন হতে পারে।

তাদের সম্ভাব্য মিশনের মধ্যে থাকতে পারে- গুরুত্বপূর্ণ বিমানঘাঁটি বা বন্দর দখল, কৌশলগত অবকাঠামো নিয়ন্ত্রণ, শত্রুপক্ষের প্রতিরক্ষা ভেঙে পথ তৈরি অথবা হরমুজ প্রণালি অভিযান।

বিশ্লেষকরা বলছেন, তাদের সম্ভাব্য লক্ষ্য হতে পারে হরমুজ প্রণালি। কারণ, বিশ্বের প্রায় ২০ শতাংশ জ্বালানি সরবরাহ এই পথ দিয়ে যায়।

তাদের ধারণা, ইরান এই প্রণালিতে চাপ সৃষ্টি করলে যুক্তরাষ্ট্র প্যারাট্রুপারদের ব্যবহার করে কৌশলগত দ্বীপ কাশেম দ্বীপ দখলের চেষ্টা করতে পারে। কারণ, ওই দ্বীপে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র ঘাঁটি ও ড্রোন পরিচালনা কেন্দ্র রয়েছে।

তবে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এমন অভিযান ‘সহজ মনে হলেও অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ’ এবং এতে বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কা রয়েছে।

খার্গ দ্বীপ দখলের সম্ভাবনা: আরেকটি সম্ভাব্য লক্ষ্য হতে পারে খার্গ দ্বীপ, যা ইরানের প্রধান তেল রপ্তানি কেন্দ্র। এই দ্বীপ দখল করতে পারলে ইরানের অর্থনীতিতে বড় চাপ সৃষ্টি করা সম্ভব। তবে সেখানে পৌঁছাতে গিয়ে মার্কিন নৌবহর ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলার ঝুঁকিতে পড়তে পারে।

ইউরেনিয়াম মজুত দখলের চেষ্টা: সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ বিকল্প হিসেবে ইরানের ভেতরে প্রবেশ করে ইউরেনিয়াম মজুত দখলের চেষ্টা করতে পারে প্যারাট্রুপাররা। তবে বিশেষজ্ঞরা এটিকে অত্যন্ত বিপজ্জনক এবং বাস্তবায়নের সম্ভাবনা কম বলে মনে করছেন। কারণ হিসেবে তারা মনে করছেন, লক্ষ্যস্থলগুলো গভীরে অবস্থিত, সেখানে শক্তিশালী প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা রয়েছে এবং বড় ধরনের প্রাণহানির আশঙ্কা রয়েছে। 

বিশ্লেষকদের মতে, প্যারাট্রুপার ও মেরিন বাহিনীর সমন্বয়ে যুক্তরাষ্ট্র সীমিত স্থল অভিযান চালানোর সক্ষমতা তৈরি করছে। তবে এতে সংঘাত আরও বিস্তৃত হওয়ার ঝুঁকি রয়েছে। সূত্র: দ্য টেলিগ্রাফ

 

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়