শিরোনাম
◈ যখন-তখন দাঁড়িয়ে বক্তব্য দেওয়া সংসদীয় রীতির সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়: স্পিকার ◈ দেশের আকাশে মহররমের চাঁদ দেখা গেছে, ২৬ জুন পবিত্র আশুরা ◈ বেনজীর প্রত্যর্পণে দ্রুত পদক্ষেপ, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে দুদকের আবেদন ◈ মাদক থেকে যুবসমাজকে রক্ষায় খেলাধুলা-সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডে জোর দিতে হবে: প্রধানমন্ত্রী ◈ সেপ্টেম্বর-অক্টোবর থেকে পর্যায়ক্রমে স্থানীয় সরকার নির্বাচন : সংসদে মির্জা ফখরুল ◈ বিশ্বকাপকে কেন্দ্র ক‌রে বিশ্ব অর্থনীতিতে যুক্ত হবে ৪১ বিলিয়ন ডলার ◈ ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তে নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তায় এবার এআই নজরদারি: টহলে নামছে রোবট, ড্রোন ও স্মার্ট ফাইবার সেন্সর! ◈ চীনা অর্থনৈতিক অঞ্চলসহ একনেক সভায় ৫ উন্নয়ন প্রকল্প পাস, ব্যয় প্রায় ৭ হাজার কোটি টাকা ◈ খাদ্যের বিনিময়ে যৌন সম্পর্কের চাপ, তদন্তে বেরিয়ে এলো ভয়াবহ তথ্য ◈ এবার বিবাহ নিবন্ধন নিয়ে সরকারের বড় যে ঘোষণা

প্রকাশিত : ১৬ জুন, ২০২৬, ০৭:২২ বিকাল
আপডেট : ১৬ জুন, ২০২৬, ০৮:০০ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

ডাচ-বাংলা এজেন্ট ব্যাংকিংয়ের নামে গ্রাহকদের সঙ্গে প্রতারণা, আদালতে মামলা

নিজস্ব প্রতিবেদক, দাউদকান্দি (কুমিল্লা): ডাচ-বাংলা এজেন্ট ব্যাংকিংয়ের গৌরীপুর শাখার অধীন মেঘনা উপজেলার মানিকারচর বাজারস্থ তৌহিদ এন্টারপ্রাইজের মালিক ও মাস্টার এজেন্ট শফিকুল ইসলামের বিরুদ্ধে কুমিল্লার চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে মামলা দায়ের করেছেন তার অধস্তন স্টাফ আফরান সুলতানা।

মামলার অভিযোগে বলা হয়েছে, দাউদকান্দি উপজেলার মোল্লাকান্দি গ্রামের বাসিন্দা শফিকুল ইসলাম তৌহিদ এন্টারপ্রাইজের মাধ্যমে ডাচ-বাংলা এজেন্ট ব্যাংকিং উপশাখা পরিচালনা করতেন। সেখানে কর্মরত কয়েকজন তরুণ-তরুণীকে স্বল্প বেতনে নিয়োগ দেওয়া হলেও ব্যাংকিং কার্যক্রমের গুরুত্বপূর্ণ নিয়ন্ত্রণ, পাসওয়ার্ড ও লেনদেনের তথ্য তার নিজের হেফাজতেই থাকত।

অভিযোগ অনুযায়ী, কিছু গ্রাহকের হিসাব থেকে অর্থ প্রথমে স্টাফ আফরান সুলতানার ব্যক্তিগত হিসাবে স্থানান্তর করা হতো। পরে সেই অর্থ উত্তোলন করে তৌহিদ এন্টারপ্রাইজের হিসাবে জমা দেওয়া হতো। পরবর্তীতে ওই অর্থ বিভিন্ন ব্যবসা ও বিনিয়োগ কার্যক্রমে ব্যবহার করা হয়েছে বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।

ঈদুল আজহার আগে গ্রাহকরা তাদের জমাকৃত অর্থ উত্তোলন করতে গিয়ে সমস্যার মুখোমুখি হলে বিষয়টি সামনে আসে। অনেক গ্রাহক তাদের হিসাবের টাকা তুলতে পারেননি এবং হিসাব বিবরণী (স্টেটমেন্ট) চাইলে তা সরবরাহ করা হয়নি বলেও অভিযোগ রয়েছে।

আফরান সুলতানার দাবি, বিষয়টি বুঝতে পেরে তিনি ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের অবহিত করেন। পরে একটি অডিট পরিচালিত হলে সংশ্লিষ্ট অনিয়মের বিষয়টি উঠে আসে। তবে এরপর তাকে দায় স্বীকারে চাপ প্রয়োগ, ভয়ভীতি প্রদর্শন এবং শারীরিক নির্যাতনের অভিযোগও করা হয়েছে। একপর্যায়ে তাকে জোরপূর্বক একটি ভিডিও বক্তব্য দিতে বাধ্য করা হয় বলেও মামলায় উল্লেখ করা হয়েছে।

অন্যদিকে, শফিকুল ইসলাম মেঘনা থানায় আফরান সুলতানার বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করেছেন। এ ঘটনায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও বিভিন্ন পোস্ট ও সংবাদে আফরান সুলতানাকে দায়ী করা হচ্ছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ঘটনার পর থেকে শফিকুল ইসলাম অফিসে অনুপস্থিত রয়েছেন এবং তার বাসভবনেও তালা ঝুলতে দেখা গেছে। তবে আফরান সুলতানা নিজ বাড়িতে অবস্থান করছেন এবং গণমাধ্যমের সঙ্গে কথা বলছেন।

এ বিষয়ে সংশ্লিষ্টদের বক্তব্য, প্রকৃত ঘটনা উদ্ঘাটনে নিরপেক্ষ তদন্ত, ব্যাংক কর্তৃপক্ষের পূর্ণাঙ্গ অডিট এবং বিচারিক প্রক্রিয়ার মাধ্যমে দায়ীদের শনাক্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা জরুরি।

উল্লেখ্য, মামলার অভিযোগগুলো আদালতে বিচারাধীন। অভিযোগের বিষয়ে অভিযুক্ত পক্ষের বক্তব্য পাওয়া গেলে তা পরবর্তীতে প্রকাশ করা হবে।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়