শিরোনাম
◈ নিউইয়‌র্কে আর্জেন্টিনা ও আলজেরিয়ার সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষ, পুলি‌শের হস্ত‌ক্ষে‌পে প‌রি‌স্থি‌তি শান্ত ◈ বাংলাদেশের সঙ্গে বাণিজ্য ও সহযোগিতা সম্প্রসারণে আগ্রহী জার্মানি ◈ যখন-তখন দাঁড়িয়ে বক্তব্য দেওয়া সংসদীয় রীতির সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়: স্পিকার ◈ দেশের আকাশে মহররমের চাঁদ দেখা গেছে, ২৬ জুন পবিত্র আশুরা ◈ বেনজীর প্রত্যর্পণে দ্রুত পদক্ষেপ, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে দুদকের আবেদন ◈ মাদক থেকে যুবসমাজকে রক্ষায় খেলাধুলা-সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডে জোর দিতে হবে: প্রধানমন্ত্রী ◈ সেপ্টেম্বর-অক্টোবর থেকে পর্যায়ক্রমে স্থানীয় সরকার নির্বাচন : সংসদে মির্জা ফখরুল ◈ বিশ্বকাপকে কেন্দ্র ক‌রে বিশ্ব অর্থনীতিতে যুক্ত হবে ৪১ বিলিয়ন ডলার ◈ ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তে নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তায় এবার এআই নজরদারি: টহলে নামছে রোবট, ড্রোন ও স্মার্ট ফাইবার সেন্সর! ◈ চীনা অর্থনৈতিক অঞ্চলসহ একনেক সভায় ৫ উন্নয়ন প্রকল্প পাস, ব্যয় প্রায় ৭ হাজার কোটি টাকা

প্রকাশিত : ২৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ১১:৩৬ দুপুর
আপডেট : ১২ জুন, ২০২৬, ০৩:০০ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

ঈশ্বরদীতে দাদি কুপিয়ে ও নাতনিকে ধর্ষণের পর হত্যা নৃশংসভাবে হত্যা: সরিষাখেতে মিলল কিশোরীর মরদেহ

ঈশ্বরদী (পাবনা) প্রতিনিধি: পাবনার ঈশ্বরদী উপজেলায় দাদি ও নাতনিকে হত্যার এক নৃশংস ঘটনা ঘটেছে। উপজেলার দাশুড়িয়া ইউনিয়নের দুটি আলাদা স্থান থেকে তাঁদের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। শনিবার সকালে এই ঘটনা জানাজানি হয়।

নিহতরা হলেন দাশুড়িয়া ইউনিয়নের ভবানিপুর উত্তরপাড়ার বাসিন্দা সুফিয়া খাতুন (৬৫) এবং তাঁর নাতনি জামিলা আক্তার (১৫)। তাঁরা বাড়িতে একসঙ্গেই থাকতেন।

স্থানীয়দের সূত্রে জানা গেছে, জামিলার বাবা জয়নাল খা কাজের প্রয়োজনে ঢাকায় অবস্থান করছিলেন। বাড়িতে দাদি ও নাতনি ছাড়া আর কেউ ছিলেন না। এলাকাবাসীর দাবি, শুক্রবার দিবাগত রাতে ওই বাড়ি থেকে হঠাৎ কান্নার শব্দ শোনা গিয়েছিল। এ সময় কয়েকজন প্রতিবেশী ঘর থেকে বের হলেও কিছুক্ষণ পর শব্দ থেমে গেলে তাঁরা আবার নিজেদের ঘরে ফিরে যান।

শনিবার সকালে প্রতিবেশীরা বাড়ির উঠানে সুফিয়া খাতুনের রক্তাক্ত মরদেহ দেখতে পান। পরে জামিলাকে ঘরে না পেয়ে খোঁজাখুঁজি শুরু হয়। একপর্যায়ে পাশের একটি সরিষাখেতে তাঁর বিবস্ত্র মরদেহ পড়ে থাকতে দেখা যায়।

ঈশ্বরদী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মমিনুজ্জামান জানান, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, দুর্বৃত্তরা মধ্যরাতে জামিলাকে তুলে নেওয়ার চেষ্টা করলে দাদি সুফিয়া খাতুন বাধা দেন। এ সময় তাঁকে আঘাত করে হত্যা করা হয়। এরপর কিশোরীকে নির্জন স্থানে নিয়ে গিয়ে ধর্ষণের পর শ্বাসরোধে হত্যা করা হয়ে থাকতে পারে। মরদেহ বিবস্ত্র অবস্থায় পাওয়ায় সম্ভাব্য যৌন নির্যাতনের বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে।

ঈশ্বরদী সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার প্রণব কুমার জানিয়েছেন, ঘটনাটি সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে তদন্ত করা হচ্ছে। আলামত সংগ্রহের কাজ চলছে এবং জড়িত ব্যক্তিদের দ্রুত শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনতে পুলিশ কাজ শুরু করেছে।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়