শিরোনাম
◈ মব সহিংসতায় মে মাসে নিহত ৩২ : এমএসএফ ◈ ‘ডোনাল্ড ট্রাম্প’ থেকে ‘সাদা মহিষ’, নাম ও বানান বিতর্কে পদ হারালেন জাতীয় চিড়িয়াখানার কিউরেটর ◈ যশোরের রাজারহাটে চামড়ার দাম নিয়ে হতাশা, আবারও বাজার ধসের শঙ্কা ◈ বাংলাদেশসহ বিশ্বের আকাশে আজ রাতে দেখা মিলতে পারে বিরল ‘ব্লু মুন' ◈ ১০ মিটারের মধ্যে এলেই 'নীরব মৃত্যু' : ইউক্রেন যুদ্ধে রুশ বাহিনীকে কোণঠাসা করছে ঘাতক রোবট ◈ শেখ হাসিনা পদত্যাগপত্র লিখেছিলেন কিন্তু তিনি জমা দিয়ে যেতে পারেন নাই, ভ্যানিটি ব্যাগে করে নিয়ে গেছেন: মতিউর রহমান চৌধুরী ◈ চাকরি, স্বাস্থ্যসেবা ও আবাসন থেকে বঞ্চিত করে যেভাবে অভিবাসীদের ওপর চাপ বাড়াচ্ছেন ট্রাম্প ◈ নতুন জীবনের খোঁজে দেশ ছাড়ছেন আমেরিকানরা, পরামর্শ নিতে খরচ করছেন শত শত ডলার ◈ বাংলাদেশ সীমান্ত নিয়ে অমিত শাহর ‘ব্লুপ্রিন্ট’, কী আছে পরিকল্পনায়? ◈ রোবটের শক্তিতে পাল্টে যাচ্ছে ইউক্রেন যুদ্ধ, রাশিয়া পড়েছে রক্ষণাত্মক অবস্থানে (ভিডিও)

প্রকাশিত : ১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৫, ১০:৪৯ দুপুর
আপডেট : ১৬ মে, ২০২৬, ০৫:০০ বিকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

কতবেল খাওয়ার নিয়ম: যেভাবে খেলে সবচেয়ে বেশি উপকার মিলবে

দেশি মৌসুমি ফল কতবেল সুস্বাদু, বেশ পুষ্টিকরও। তবে কীভাবে খেলে এই ফল থেকে সবচেয়ে বেশি উপকার মিলবে, সে প্রশ্নের উত্তর হয়তো জানা নেই অনেকেরই। এ বিষয়ে জানালেন, টাঙ্গাইলের কুমুদিনী সরকারি কলেজের গার্হস্থ্য অর্থনীতি বিভাগের প্রধান শম্পা শারমিন খান।

কতবেল ভিটামিন সির ভালো উৎস। এতে আরও আছে কিছুটা ভিটামিন এ, ভিটামিন বি, ফোলেট, ক্যালসিয়াম এবং নানা খনিজ উপাদান। আরও আছে দেহের জন্য অত্যন্ত প্রয়োজনীয় উপাদান আঁশ।

কতবেল সাধারণত লবণ আর মরিচ দিয়ে মাখিয়ে খাওয়া হয়। তবে কেউ আবার আচারও করেন। বৈচিত্র্যের খোঁজে জুস, জেলি, এমনকি আলুর দমের মতো পদেও কতবেল ব্যবহার করা যায়।

আচার, জেলি বা রান্নায় ব্যবহার

তাপে ভিটামিন সি নষ্ট হয়ে যায়। পানিতে দ্রবণীয় হওয়ায় কতবেলের ভিটামিন বির বেশির ভাগটাই বাষ্প হয়ে উড়ে যায় আচার বা জেলি তৈরির সময় বা রান্নায় ব্যবহারের সময়।

তাই কতবেলের এ ধরনের পদ খেতে চাইলে আপনি এই দুটি পুষ্টি উপাদান থেকে বঞ্চিত হবেন। অবশ্য অন্যান্য পুষ্টি উপাদান ঠিকই মিলবে।

তবে কোনো পদে চিনি যোগ করা হলে সেটি এমনিতেও খুব একটা স্বাস্থ্যকর থাকে না। কারণ, চিনি দেওয়া পদ খেলে রক্তের গ্লুকোজ বাড়ে হুট করে।

এই গ্লুকোজ আবার মেদ হিসেবে জমাও হয় সহজে। চিনির বিকল্প হিসেবে গুড় ব্যবহার করাও স্বাস্থ্যকর নয়।

চিনি বা গুড় দেওয়া কোনো পদ নিয়মিত কিংবা খুব বেশি পরিমাণে খাওয়া কারও পক্ষেই ভালো নয়। আর ডায়াবেটিস থাকলে এমন পদ অবশ্যই এড়িয়ে চলুন।

কতবেল মাখানো বা ভর্তা

মাখিয়ে বা ভর্তা করে খেলে কতবেলের সব পুষ্টি উপাদানই পাবেন। কতবেল এভাবে খাওয়াই সবচেয়ে ভালো।দেহের রোগ প্রতিরোধক্ষমতা ঠিক রাখতে এবং ত্বকের তারুণ্য ও সজীবতা ধরে রাখতে কতবেল দারুণ কাজে আসে। কতবেল এবং অন্যান্য ফল খেলে হৃদ্‌রোগের ঝুঁকিও কমে।

কতবেলের জুস

কতবেল এবং অন্যান্য খাবার থেকে পাওয়া আঁশ আমাদের রক্তের কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণে সহায়ক। অন্ত্রের উপকারী ব্যাকটেরিয়া প্রয়োজনীয় পুষ্টিও পায় খাবারের আঁশ থেকে। তবে কতবেলের জুসে আপনি আঁশ পাবেন না।

কোষ্ঠকাঠিন্য এড়ানোর জন্যও পর্যাপ্ত আঁশ প্রয়োজন রোজ। কতবেলের জুস করলে আপনি এসব উপকার থেকে বঞ্চিত হবেন।

খেয়াল রাখুন

*ক্ষুধামান্দ্যয় ভুগলে খানিকটা কতবেল খেতে পারেন যেকোনোভাবেই। রুচি বাড়াতে সহায়তা করে এই ফল।

*অতিরিক্ত কতবেল খেলে পেটে অস্বস্তি হতে পারে।

*বাড়তি লবণ কারও জন্যই খুব একটা ভালো নয়। বিশেষত যাঁদের উচ্চ রক্তচাপ আছে কিংবা এমন সমস্যা আছে, যাতে শরীরে পানি আসে—তাঁদের বাড়তি লবণ এড়িয়ে চলা উচিত।

*দীর্ঘমেয়াদি কিডনির রোগে আক্রান্ত ব্যক্তির কতবেল এড়িয়ে চলা উচিত। উৎস: প্রথম আলো

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়