শিরোনাম
◈ দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে ক্ষমতায় বিএনপি: নতুন সরকারের অগ্রাধিকার হতে পারে যেসব বিষয় ◈ ফাঁসির দণ্ডাদেশ থেকে খালাস পেয়ে সংসদের পথে বাবর, পিন্টু ও আজহারুল ইসলাম ◈ ‌‌টি-‌টো‌য়ে‌ন্টি বিশ্বকা‌পে ভারত-পাকিস্তান ম্যাচ হওয়া নিয়ে শঙ্কা! ◈ গণভোটে ‘হ্যাঁ’ জিতে যাওয়ায় যেসব পরিবর্তন আসতে পারে ◈ কতটা ক্ষমতাধর একজন এমপি, তিনি কী কী কাজ করেন? ◈ অনেকেই ধারণা করছেন নির্বাচন শেষ হলে আমি যুক্তরাজ্যে ফিরে যাব: তাসনিম জারা ◈ অর্থনীতি সচল করাই আগামী সরকারের প্রধান চ্যালেঞ্জ: ফখরুল ইসলাম ◈ গণতান্ত্রিক অধিকারের জন্য বিএনপি সব সময় লড়াই করেছে তারই বহিঃপ্রকাশ এই বিজয়: মির্জা ফখরুল ◈ মন্ত্রিসভা নিয়ে যা বললেন সালাহউদ্দিন ◈ ভোটে জিতেই আওয়ামী লীগের অফিস খুলে দিলেন বিএনপি নেতা (ভিডিও)

প্রকাশিত : ১৯ মে, ২০২২, ০৩:২৪ দুপুর
আপডেট : ১৯ মে, ২০২২, ০৩:২৪ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

চকরিয়ায় বোরো ধানের বাম্পার ফল

বোরো ধান

 

রায়হান চৌধরী, চকরিয়া: [২] কক্সবাজার জেলার চকরিয়ায় এবার বোরোধানের বাম্পার ফলন হয়েছে। পর্যটন নগরী চকরিয়ায় মূলত লবন ও মৎস চাষের উপযোগী হলেও এবার বোরো ধানের ফলন ভাল হওয়ায় কৃষকের মুখে হাসি ফুটে উঠেছে। 

[৩] জানা গেছে, চকরিয়া উপজেলার ৫০৩.৭৮ বর্গ কিলোমিটার আয়তনের মধ্যে দুই ফসলি জমির পরিমাণ ২২২২০ হাজার হেক্টর। মোট আয়তনের কৃষিজ ফলন হয় ২২ হাজার হেক্টর জমিতে। আবাহাওয়া অনুকূলে থাকার ফলে তুলনামূলক এবার বোরো ধানের চাষও ব্যাপক বৃদ্ধি পেয়েছে।

[৪] স্থানীয় কৃষকরা জানান, কালবৈশাখী ঘুর্ণিঝড় "অশনী"কে ভয় পেয়েছিলাম। মনে হয়েছিল, এবার বুঝি সোনালী ফসল ঘরে তুলতে পারব না। বিধাতা হয়তো আমাদের আর্জি শুনেছে। যার ফলে কালবৈশাখী হোক বা না হোক এর আগেই আমরা স্বপ্নের ফসল ঘরে তুলতে পারব। 

[৫] চকরিয়া উপজেলা কৃষি অফিসার এস.এম.নাসিম হোসেন জানান, বর্তমান সরকার কৃষিবান্ধব সরকার। বর্তমান কৃষিবান্ধব সরকার কৃষিজ ফলন বৃদ্ধির জন্য বিভিন্ন প্রযুক্তি নির্ভর পদক্ষেপ গ্রহণ করার ফলে চকরিয়া উপজেলায় এবার বোরো আবাদ বৃদ্ধি পেয়েছে। 
 
[৬] উপসহকারী কৃষি অফিসার রাজীব দে জানান, চকরিয়ায় এবারের লক্ষ্যমাত্রার  ১৭২১৫ হেক্টরের মধ্যে ৫০০০ হেঃ হাইব্রিড ও ১২২১৫ হেঃ উফশী ধানের ফলন হয়েছে। তবে এবার গতবারের চেয়ে ভাল ফলন হয়েছে। বিভিন্ন প্রকল্পের আওতায় কৃষকদের প্রশিক্ষণ ও মাঠে গিয়ে কৃষকদের নিয়মিত পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

[৭] চকরিয়া উপজেলার ১৮ ইউনিয়ন ও ১টি পৌরসভায় কৃষকরা খাদ্য শস্যের ব্যাপক চাষ করেন। যার ফলে উপজেলায় খাদ্যশস্যের চাহিদা মেটানোর পরও কৃষকরা দেশের বিভিন্ন জেলা উপজেলায় খাদ্য শস্যের যোগান দেয়। 

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়