শিরোনাম
◈ হালিশহরে ভয়াবহ বিস্ফোরণ, দগ্ধ পরিবারের ৯ জনের মধ্যে একজনের মৃত্যু ◈ রাষ্ট্রপতির সাক্ষাৎকার নিয়ে যা বললেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ◈ ‘নতুন বাংলাদেশ’ গড়তে চার ফ্রন্টে কঠিন পরীক্ষা সরকারের ◈ হেটমায়ারের ঝড়ে রেকর্ড, বড় জয় নিয়ে সুপার এইটে ক্যারিবীয়রা ◈ ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনের পর মাঠ প্রশাসনে বড় রদবদল, একযোগে ১১২ নির্বাচন কর্মকর্তা বদলি ◈ ন‌ভেম্ব‌রে পূর্ণাঙ্গ সিরিজ খেলতে দক্ষিণ আফ্রিকা সফরে যাবে বাংলাদেশ  ◈ আগামী ১০ মার্চ ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ কার্যক্রমের উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী ◈ বিডিআর বিদ্রোহের ঘটনা পুনঃতদন্ত করতে নতুন করে কমিশন গঠন করবে সরকার: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ◈ সরকার ৪ ধরনের শিক্ষার্থীকে ভাতা দেবে: কারা পাবেন, কীভাবে আবেদন করবেন? ◈ সকাল ৯টার মধ্যে অফিসে প্রবেশের নির্দেশ, বিনা অনুমতিতে বাইরে নয়: আইন মন্ত্রণালয়

প্রকাশিত : ২২ সেপ্টেম্বর, ২০২২, ০৬:৪৩ বিকাল
আপডেট : ২৩ সেপ্টেম্বর, ২০২২, ১২:২০ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

অস্ট্রেলিয়ায় সৈকতে আটকে পড়া ২০০ তিমির মৃত্যু

মৃত্যু তিমি

এম. মোশাররফ হোসাইন : অস্ট্রেলিয়ার দ্বীপ রাজ্য তাসমানিয়ার পশ্চিম উপকূলে আটকে পড়া প্রায় ২০০টি তিমির মৃত্যু হয়েছে বলে বৃহস্পতিবার (২২ সেপ্টেম্বর) জানিয়েছে দেশটির উদ্ধারকর্মীরা। রাষ্ট্রীয় বন্যপ্রাণী সেবা থেকে জানানো হয়েছে, সৈকতে আটকে পড়া তিমিগুলোর মধ্যে এখন মাত্র ৩৫টি জীবিত আছে, তবে রুক্ষ প্রকৃতির সঙ্গে যুদ্ধ করে তাদের বাঁচিয়ে রাখাটা খুবই কঠিন কাজ হবে। এএফপি, ফ্রান্স২৪

ছবিতে দেখা যায়, মসৃণ ও কালো স্তন্যপায়ী কয়েক ডজন প্রাণী সৈকতজুড়ে ছড়িয়ে রয়েছে। প্রাণীগুলো তটরেখায় আটকে রয়েছে, যেখানে হিমশীতল দক্ষিণ মহাসাগর বালুকাবেলায় মিলিত হয়েছে। প্রাণীগুলোকে বাঁচাতে স্থানীয়রাও তিমির শরীরে কম্বল জড়িয়ে দিচ্ছেন, আবার ঝুড়িতে করে পানির সংস্পর্শে রেখে বাঁচানোর চেষ্টাও করছেন তারা।

তাসমানিয়ার বন্য প্রাণী পরিষেবা কার্যক্রমের ব্যবস্থাপক ব্রেন্ডন ক্লার্ক জানান, আমরা সৈকতে প্রায় ৩৫টি জীবিত তিমি পেয়েছি এবং আজ সকালে আমাদের প্রথম কাজ হবে উদ্ধার অভিযান চালানো এবং উদ্ধার হওয়া এই প্রাণীগুলো সমুদ্রে ছেড়ে দেওয়া। তবে দুর্ভাগ্যবশত এরই মধ্যে অনেকগুলো তিমির মৃত্যু হয়েছে বলে জানান তিনি।

দুই বছর আগে ম্যাককুয়েরি হারবারের কাছেই দেশটির সর্বকালের সবচেয়ে বেশি তিমি আটকে পড়ে। ওই সময় প্রায় ৫০০ তিমি আটকে পড়েছিল। তাসমানিয়ার হিমশীতল পানিতে তাদের অবমুক্ত করতে কয়েক ডজন স্বেচ্ছাসেবকের কয়েক দিনের পরিশ্রম সত্ত্বেও প্রায় ৩০০ তিমি মারা যায়।
ক্লার্ক জানান, সর্বশেষ আটকে পড়ার পরিস্থিতি দুই বছর আগের তিমিগুলোর অবস্থার চেয়েও কঠিন। ওই সময় প্রাণীগুলো আরও বেশি পানির মধ্যে ছিল।

এভাবে গণহারে সমুদ্র উপকূলে তিমির আটকে পড়ার কারণ এখনো বোঝা যাচ্ছে না। বিজ্ঞানীরা বলছেন, উপকূলের খুব কাছে চলে আসার পর দলছুট সঙ্গীদের অনুসরণ করতে গিয়ে এমনটা ঘটতে পারে। আবার কখনো কখনো বয়স্ক, অসুস্থ কিংবা আহত তিমিগুলো সাঁতরে তীরে উঠে আসে এবং অন্য সঙ্গীরা তাঁদের অনুসরণ করলে এমনটা ঘটে থাকে। আটকে পড়া তিমির বিপৎসংকেতে সাড়া দেওয়ার চেষ্টা করে থাকে দলের অন্য সঙ্গীরা।

গ্রিফিথ বিশ্বিদ্যালয়ের সমুদ্র বিজ্ঞানী ওলাফ মেইনেকে বলেছেন, সমুদ্রের পানি ক্রমশ গরম হয়ে উঠছে, এর ফলে তিমি বা অন্যান্য সামুদ্রিক প্রাণীর আবাসস্থল হিসেবে সমুদ্র ধীরে ধীরে এক প্রতিকূল স্থান হয়ে দাঁড়াচ্ছে। এর উপর রয়েছে খাদ্যাভাব। সমুদ্রে পর্যাপ্ত খাদ্য না পেয়ে সামুদ্রিক প্রাণীরা তীরে উঠে আসছে।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়