শিরোনাম
◈ কলড্রপ, দুর্বল নেটওয়ার্ক ও ধীরগতির ইন্টারনেট নিয়ে বিটিআরসিতে ১১ হাজারের বেশি অভিযোগ ◈ বড় জয়ের রাতে কেইনকে সম্মাননা বায়ার্নের ◈ ডিভি লটারি ২০২৭: বাংলাদেশিরা আবেদন করতে পারবেন কি না জানা যাবে আজ ◈ চট্টগ্রাম বন্দরে পাকিস্তান থেকে আসা ৪৯৪ কোটি টাকার তামাক আটক ◈ তাহসিফ সুরির সুরতহাল প্রতিবেদন: শরীরে আঘাতের চিহ্ন নেই, নাক দিয়ে রক্ত বের হচ্ছিল ◈ জাপান ৪ দিনের সফর শেষে ঢাকার পথে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ◈ গঙ্গার পানি বণ্টন চুক্তির মেয়াদ শেষের আগে ভারতের সঙ্গে আলোচনায় চাপ দিচ্ছে বাংলাদেশ ◈ নভেম্বরের শুরুতেই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে আসছে টানা ৩ দিনের ছুটি ◈ ‘আমার ছেলেকে হত্যা করে লাশ নদীতে ফেলা হয়েছে’: তাহসিফের বাবা (ভিডিও) ◈ তদন্তের আগে মৃত্যুর কারণ বলা সম্ভব না, সব বিষয় জেনে কথা বলবো: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

প্রকাশিত : ০৪ মার্চ, ২০২৬, ০৭:১৯ বিকাল
আপডেট : ১৯ আগস্ট, ২০২৬, ০৬:০০ বিকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

ইবি শিক্ষককে কুপিয়ে হত্যার পর আত্মহত্যার চেষ্টা কর্মচারীর

বেতন নিয়ে ঝামেলা ও অন্য বিভাগে বদলির জেরে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজকল্যাণ বিভাগের চেয়ারম্যান ও সহযোগী অধ্যাপক আসমা সাদিয়া রুনার গলায় ছুরি চালিয়েছেন ফজলু নামে এক কর্মচারী। পরে নিজের গলায়ও ছুরি চালিয়েছেন একই বিভাগের সাবেক এই কর্মচারী।

বুধবার (৪ মার্চ) বিকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের অন্তর্ভুক্ত সমাজকল্যাণ বিভাগের চেয়ারম্যানের রুমে এই ঘটনা ঘটেছে। বর্তমানে দুই জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। তাদের হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে।

জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে এই কর্মচারী বেতন পাচ্ছিলেন না। এটি নিয়ে বেশ ক’দিন আগে বিভাগীয় সভাপতির সঙ্গে ঝামেলা হওয়ার পরে সম্প্রতি ফজলুকে সমাজকল্যাণ বিভাগ থেকে রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগে বদলি করা হয়। মূলত এই ক্ষোভ থেকেই এ কাজ করেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

ভবনের নিচে কর্তব্যরত এক আনসার সদস্য বলেন, ঘটনার সময় আমরা এখানে চার জন গল্প করছিলাম। সিভিল লোকও ছিলেন ৩-৪ জন। হঠাৎ আমরা বাঁচাও বাঁচাও শব্দ শুনি। তারপর একসঙ্গে ওপরে উঠে চেয়ারম্যানের রুমের বাইরে ডাকাডাকি করি। পরে দরোজা না খুললে ভেঙে ফেলি। তারপর দেখি যে ম্যাডাম উপুড় হয়ে রক্তাক্ত অবস্থায় শুয়ে আছেন। আর কর্মচারী নিজেই নিজের গলায় ছুরি চালিয়ে দিচ্ছেন। পরে আমরা প্রশাসনের কাছে ফোন দেই।

Advertisement

সমাজকল্যাণ বিভাগের শিক্ষার্থী মাহমুদ জানান, ফজলুকে বদলি করা হয় প্রায় ২ মাস আগে। তবে উনি এটা মেনে নিতে পারছিলেন না। এটা নিয়ে অনেক রেষারেষিও হচ্ছিল। এ রকম  পর্যায়ে যাবে এটা আমরা ভাবতেও পারিনি। তবে উনি এটা মেনে নিতে পারেননি। উনি প্রতিষ্ঠাকালীন কর্মচারী, উনি এখান থেকে চলে যাবেন, উনি সব কিছুই জানেন এই বিভাগের।

তিনি বলেন, ওনাকে পলিটিক্যাল সায়েন্সে বদলি করা হয়। আর উনি এখন এমন সাংঘাতিক একটা ডিসিশন নেবে আমরা ভাবতেও পারিনি। আমরা ওদিকে ব্যস্ত ছিলাম। ডিপার্টমেন্টে হাবিব স্যার ছিল। উনি ৩০ মিনিট আগে ডরমেটরিতে চলে যান। আমাদের ৫টায় প্রোগ্রাম শুরু হওয়ার কথা ছিল। এর মাঝে ডিপার্টমেন্টে কোনও কর্মচারী, কর্মকর্তা কেউ ছিলেন না। আমরা ছিলাম ওই রুমে। এই সুযোগে উনি এই আত্মঘাতী ঘটনাটি ঘটালেন। ম্যামের রুম আগে থেকে লক করা ছিল না। ওই কর্মচারী ঢুকে লক করে দেন। উৎস: বাংলাট্রিবিউন।

 

  • সর্বশেষ