শিরোনাম
◈ বন্ধ ছি‌লো পাঁচ বছর, আবারো চালু হচ্ছে জাতীয় ক্রীড়া পুরস্কার  ◈ ডোনাল্ড ট্রাম্প বল‌লেন,  নিরাপত্তার খাতিরে ইরানের বিশ্বকাপে অংশগ্রহণ ঠিক হবে না  ◈ মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধের প্রভাব: দেশে আবারও বাড়ছে ডলারের দাম ◈ মধ্যপ্রাচ্যের অস্থিরতা: শনিবারও মধ্যপ্রাচ্যের ২৪ ফ্লাইট বাতিল ◈ শীর্ষ ইরানি নেতাদের তথ্যের জন্য যুক্তরাষ্ট্র ১০ মিলিয়ন ডলারের পুরস্কার ঘোষণা ◈ জ্বালানি সংকটে বাংলাদেশের জাহাজকে হরমুজ পারের অনুমতি দেবে ইরান ◈ যুদ্ধের মধ্যেই ট্রাম্পের দাবি: ইরান আত্মসমর্পণের পথে ◈ গ্রিড লাইনে সমস্যায় আশুগঞ্জ বিদ্যুৎকেন্দ্রের দুই ইউনিট বন্ধ, ঘাটতি ৫৭০ মেগাওয়াট ◈ ইরানের ৪৪০ কেজি সমৃদ্ধ ইউরেনিয়ামই যুদ্ধের ফল নির্ধারণ করতে পারে: বিশ্লেষক ◈ ঘটনাবহুল ম্যাচে বাংলাদেশকে হা‌রি‌য়ে  সিরিজ সমতায় পা‌কিস্তান

প্রকাশিত : ০২ ফেব্রুয়ারি, ২০২৩, ০৮:০৫ রাত
আপডেট : ০২ ফেব্রুয়ারি, ২০২৩, ০৮:০৫ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

সার-বীজের দাম বাড়ানো হবে না: কৃষিমন্ত্রী

ড. মো. আব্দুর রাজ্জাক।

আনিস তপন: কৃষি উৎপাদনের ধারা অব্যাহত রাখা ও টেকসই খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে দেশে সার, বীজসহ কৃষি উপকরণের কোনো রকম দাম বাড়ানো হবে না বলে জানিয়েছেন ড. মো. আব্দুর রাজ্জাক।

তিনি বলেন, বর্তমান সরকারের পলিসি হলো যে কোনো মূল্যে খাদ্য উৎপাদন বৃদ্ধি করা ও খাদ্য নিরাপত্তা টেকসই করা। সেজন্য, বিশ্বব্যাপী অর্থনৈতিক মন্দার এ সময়ে যত কষ্টই হোক সরকার বীজ, সারসহ কৃষি উপকরণের দাম বাড়াবে না। অন্যান্য খাতে যে পলিসিই নেওয়া হোক না কেন, কৃষি খাতে বিশাল ভর্তুকি প্রদানসহ সব সহযোগিতামূলক নীতি অব্যাহত থাকবে। কৃষি উৎপাদন টেকসই করতে যা যা করা দরকার, তা অব্যাহত থাকবে।

বৃহস্পতিবার সকালে সাভারের ব্র্যাক সিডিএম মিলনায়তনে সার্কভুক্ত দেশগুলোতে টেকসই উন্নয়ন অভীষ্ট (এসডিজি) অর্জনে খাদ্য ও পুষ্টি নিরাপত্তা শীর্ষক আন্তর্জাতিক সম্মেলনের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী এসব কথা বলেন। বাংলাদেশ এগ্রিকালচারাল এক্সটেনশন নেটওয়ার্ক (বায়েন) ও ভারতের পার্টিসিপেটরি রুরাল ডেভেলপমেন্ট ইনিশিয়েটিভ সোসাইটি (প্রাডিস) যৌথভাবে তিন দিনব্যাপী এ সম্মেলনের আয়োজন করে।

মন্ত্রী বলেন, আমনে বাম্পার ফলন হয়েছে। রেকর্ড পরিমাণ খাদ্য মজুত আছে। দেশে দুর্ভিক্ষ হবে না, ইনশাআল্লাহ এ গ্যারান্টি দিতে পারি।

ফসলের গবেষণা ও সম্প্রসারণের মধ্যে বিরাট গ্যাপ রয়েছে উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, গবেষক/বিজ্ঞানীর উদ্ভাবিত জাত যেটি গবেষণা পর্যায়ে বিঘাতে আট মণ উৎপাদন হয়, সেটি সম্প্রসারণের পর কৃষক পর্যায়ে দেখা যায় উৎপাদন হয় বিঘাতে ৩-৪ মণ। এটি কেন হবে, এই বিশাল গ্যাপ কমিয়ে আনতে হবে।

মন্ত্রী বলেন, বিভিন্ন ফসলের উদ্ভাবিত জাত ও প্রযুক্তি খুবই ধীরে সম্প্রসারণ বা কৃষকের নিকট পৌঁছে। আমাদের বিজ্ঞানীরা সম্প্রতি ধান, সরিষাসহ অনেক ফসলের কতগুলো উন্নত উচ্চফলনশীল জাত উদ্ভাবন করেছেন। এদের মধ্যে লবণসহিষ্ণু জাতও রয়েছে। কিন্তু এগুলো মাঠে কৃষকের কাছে যাচ্ছে খুবই দেরিতে। এত দেরিতে মাঠে যাওয়ার কারণ কী, তা সম্প্রসারণকর্মীদের খুঁজে বের করতে হবে। সম্প্রসারণকর্মীদের আন্তরিকতা ও নিষ্ঠার সঙ্গে কাজ করতে হবে। সম্পাদনা: খালিদ আহমেদ

এটি/কেএ/এসবি২

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়