শিরোনাম
◈ অবৈধ প্রবেশে ‘জিরো টলারেন্স’, নতুন আইনে কড়াকড়ি ইউরোপের ◈ পাকিস্তানের ভেতরে আফগানিস্তানের বিমান হামলা, নতুন করে যুদ্ধের আশঙ্কা সীমান্তে! ◈ পুলিশের ইউনিফর্মে ফের পরিবর্তন, গাঢ় নীল-জলপাই রঙে ফিরছে পুরোনো পোশাক ◈ বাংলাদেশের জে-১০সিই যুদ্ধবিমান কেনার উদ্যোগে উদ্বিগ্ন ভারত, বাড়ছে চীনা কৌশলগত প্রভাবের শঙ্কা ◈ ব্রহ্মপুত্রে চীনের বিশাল বাঁধ প্রকল্প, নিরাপত্তা ও পানিপ্রবাহ নিয়ে শঙ্কায় ভারত! ◈ বাংলাদেশে হি'ন্দুদের জন্য আলাদা প্রদেশ করবো : চৈতালী চক্রবর্তী (ভিডিও) ◈ বাংলাদেশ সীমান্তে জমি অধিগ্রহণে গিয়ে কৃষকদের বিক্ষোভের মুখে শুভেন্দু সরকার ◈ বগুড়ার সেই দুই ইউনিয়নের নাম পরিবর্তনের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর ◈ বিশ্বের সবচেয়ে বড় জলবিদ্যুৎ বাঁধ নির্মাণ করছে চীন, দুশ্চিন্তায় ভারত ◈ দেশে হামে আরও ৪ শিশুর মৃত্যু, ২৪ ঘণ্টায় শনাক্ত ১,০৭৮ জন

প্রকাশিত : ০৩ অক্টোবর, ২০২২, ০৯:২০ রাত
আপডেট : ০৩ অক্টোবর, ২০২২, ০৯:২০ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

সঞ্চয়পত্র নয়, পুঁজিবাজারে আসুন: গভর্নর

আব্দুর রউফ তালুকদার

মনজুর এ আজিজ : সঞ্চয়পত্রে বিনিয়োগ না করে পুঁজিবাজারে যাওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর আব্দুর রউফ তালুকদার। তিনি বলেন, এই উদ্দেশ্যেই সঞ্চয়পত্রের সুদের হার কমানো হয়েছে। সঞ্চয়পত্রে বিনিয়োগ আর এখন আকর্ষণীয় নয়। তাই আমি চাই, মানুষ সঞ্চয়পত্র না কিনে পুঁজিবাজারে আসুক। তাহলে দেশের উদ্যোক্তরা সেই টাকা নিয়ে ব্যবসা করতে পারবে। ঋণখেলাপি কম হবে।

সোমবার বিকেলে পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন বা বিএসইসি বিশ্ব বিনিয়োগকারী সপ্তাহের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি। বিএসইসির প্রধান কার্যালয়ের এ অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন অর্থ মন্ত্রণালয়ের আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের সচিব শেখ মোহাম্মদ সলীম উল্লাহ। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বিএসইসি চেয়ারম্যান শিবলী রুবাইয়াত-উল ইসলাম।

সঞ্চয়পত্রের সুদহার কমানোর নেপথ্যের কারণ তুলে ধরে গভর্নর বলেন, আগে সঞ্চয়পত্র ইচ্ছামতো কেনা যেত। দেখা যেত, একজন এক ব্যাংক থেকে ৫০ লাখ টাকার সঞ্চয়পত্র কিনেছে। আবার আরেক ব্যাংকে গিয়ে ৫০ লাখ টাকার সঞ্চয়পত্র কিনছে। এভাবে সঞ্চয়পত্রে টাকা ঢুকে যাওয়ার একটি ট্রেন্ড ছিল। কিন্তু সঞ্চয়পত্রের যে হাই ইন্টারেস্ট রেট সেটা কিন্তু আমরা জনগণের করের টাকা থেকে দিচ্ছি। পরে আমরা এটা অটোমেশন করি। আবার ধাপে ধাপে সুদের হার কমিয়ে আনি।

তিনি বলেন, দেশের পুঁজিবাজারকে যে সহায়তা করা দরকার, সেটা আমি আরও বেশি অনুভব করেছি বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর হওয়ার পরে। বাংলাদেশের ব্যাংকিং খাতে যেটা বড় সমস্যা, সেটা হচ্ছে খেলাপি ঋণ। এই ঋণ খেলাপি বেড়ে যাওয়ার অনেক কারণ আছে। এর মধ্যে একটি বড় কারণ হচ্ছে ব্যাংকগুলো স্বল্প সময়ের জন্য আমানত নিয়ে বেশি সময়ের জন্য ঋণ দিচ্ছে। ফলে ব্যাংকগুলো যেমন বিপদে পড়ছে, তেমনি উদ্যোক্তারাও।

কোম্পানিগুলো যখন ব্যাংক থেকে ঋণ নেয়, তখন তাদের মাসে মাসে সুদ দিতে হয়। কিন্তু কোম্পানিগুলো যদি বন্ডের মাধ্যমে টাকা তোলে, তাহলে বছরে একবার সুদ দিলেই চলে। ফলে বাংলাদেশে যদি বড় বন্ড মার্কেট গড়ে ওঠে তাহলে একদিকে যেমন ব্যাংকের জন্য ভালো হবে, আবার কোম্পানিগুলোর জন্যও ভালো হবে।

উল্লেখ্য সোমবার থেকে বাংলাদেশে পালিত হচ্ছে বিশ্ব বিনিয়োগকারী সপ্তাহ। চলবে ১৩ অক্টোবর পর্যন্ত।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়