শিরোনাম
◈ মন্ত্রিসভায় যুক্ত হচ্ছেন আরও চারজন, শপথ আজ সন্ধ্যায় ◈ সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের জন্য সরকারের নির্দেশনা ◈ শিক্ষা খাতে সবচেয়ে বড় বাজেট বাস্তবায়ন করেছে বিএনপি সরকার: অর্থমন্ত্রী ◈ জিন্নাহর গোপন রোগের তথ্য ফাঁস, ৭৯ বছর পর পুরস্কৃত দুই চিকিৎসক ◈ জিয়াউর রহমান ও খালেদা জিয়ার সমাধিতে শ্রদ্ধা জানালেন নবনির্বাচিত রাষ্ট্রপতি ◈ ইতালি রোমের আলোচিত ঘটনা নিয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নে যা বললেন নগরবাউল জেমস! ◈ ডলারের দাম অপরিবর্তিত, সপ্তাহজুড়ে ওঠানামা পাউন্ড-ইউরোসহ অন্যান্য মুদ্রায় ◈ বিলের পানিতে হাঁস পালন করে বদলাচ্ছে নড়াইলের তরুণদের ভাগ্য, ডিমের বাজার ২২ কোটি টাকা! ◈ ‘ভুয়া’ খবর বিষয়ক সতর্কবার্তা দিল ভারতীয় হাইকমিশন ◈ পরিবারের বড় ছেলে, যার কাঁধে অনেক দায়িত্ব: মির্জা ফখরুলকে নিয়ে জামাতা ফাহাম

প্রকাশিত : ০৬ জুলাই, ২০২৬, ০৪:৪৪ দুপুর
আপডেট : ২১ আগস্ট, ২০২৬, ০৫:০০ বিকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

ঘরে বসেই মিলবে সরকারি সেবা, ডিজিটালাইজেশনে জোর অর্থমন্ত্রীর

দেশের সাধারণ মানুষ, ব্যবসায়ী, পেশাজীবী, কৃষক, শ্রমিকসহ সবাইকে ডিজিটাল সেবার আওতায় আনতে হবে। এ ক্ষেত্রে কোনো নাগরিক বাদ যাবে না বলে জানিয়েছেন অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। তিনি বলেন, দেশের সব সরকারি সেবা শতভাগ ডিজিটালাইজেশনের আওতায় নিয়ে আসা হবে। দেশের প্রতিটি মানুষকে অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে সম্পৃক্ত করতে প্রযুক্তির কোনো বিকল্প নেই।

সোমবার অর্থ মন্ত্রণালয়ে আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের উদ্যোগে আয়োজিত ‘ইনোভেশন শোকেসিং’ অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন। মন্ত্রী বলেন, প্রযুক্তির সঠিক ব্যবহারে জনগণের সময় ও অর্থ সাশ্রয় হবে। সরকারি দপ্তরে সরাসরি সেবা নিতে আসতে ব্যক্তিদের নিরুৎসাহিত করতে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের আহ্বান জানাচ্ছি।

তিনি বলেন, ‘যত দ্রুত সম্ভব সমস্ত দিক থেকে ডিজিটাইলাইজেশনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। সব জনগণকে এর আওতায় আনতে হবে। ইনক্লুসিভনেস শুধু অর্থনীতিতে হলে হবে না, সেবা পৌঁছে দেওয়ার ক্ষেত্রেও এ বিষয়টি নিশ্চিত করতে হবে।’ 

মন্ত্রী আরও বলেন, ‘অনেক সেবা ঘরে বসেই পাওয়া সম্ভব। এটি সেবাগ্রহীতাদের জানানোর ব্যবস্থা করতে হবে। জনগণের দোরগোড়ায় প্রত্যেকটি সেবা পৌঁছে দিতে হবে। ঘরে বসে গ্রাহকের সেবাপ্রাপ্তি নিশ্চিত করা গেলে সময়, অর্থসহ অনেক কিছু সাশ্রয় হবে। শুধু প্রজেক্ট করলে হবে না, সে সম্পর্কে জনগণকে জানানোর উদ্যোগও নিতে হবে।’

এদিন আর্থিক খাতে স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা ও গ্রাহক সেবা সহজ করার লক্ষ্যে আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের অধীনস্থ ২৫টি দপ্তর ও সংস্থা ৫০টি উদ্ভাবন প্রদর্শন করে। অনুষ্ঠানে জানানো হয়, আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের অধীনে এ পর্যন্ত ৩২৯টি সেবা সম্পূর্ণ ডিজিটাল করা হয়েছে। এবারের ইনোভেশন শোকেসিংয়ে ৫টি ভিন্ন ক্যাটাগরিতে ৫টি প্রতিষ্ঠানকে শ্রেষ্ঠ উদ্ভাবনী উদ্যোগের জন্য পুরস্কৃত করা হয়।
 
পুরস্কারের জন্য নির্বাচিত হয়, রাষ্ট্রমালিকানাধীন বাণিজ্যিক ব্যাংক হিসেবে জনতা ব্যাংক পিএলসি, বিশেষায়িত ব্যাংক হিসেবে প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংক, নিয়ন্ত্রক সংস্থা হিসেবে বীমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ, অ-ব্যাংক আর্থিক প্রতিষ্ঠান ক্যাটাগরিতে বাংলাদেশ হাউজ বিল্ডিং ফাইনান্স কর্পোরেশন এবং অন্যান্য ক্যাটাগরিতে পল্লী কর্ম-সহায়ক ফাউন্ডেশন পিকেএসএফ।

 

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়