শিরোনাম
◈ ঢাকার দুই সিটি করপোরেশনে ৩৪৩০ জন নিয়োগের অনুমোদন ◈ সরকার গঠনের লড়াইয়ে বিপাকে নেতানিয়াহু, জোট ছাড়ার ঘোষণা কট্টরপন্থি ইহুদি দলের ◈ এলডিসি উত্তরণে আরও ৩ বছর সময় পেল বাংলাদেশ, জাতিসংঘের অনুমোদন ◈ আয়ারল‌্যা‌ন্ডের ডাবলিন বিমানবন্দরে সাঙ্গাকারাকে হেনস্থা, পরিবারকে হুমকি ◈ মাও' মন্ত‌ব্যে ক্ষমা চেয়েও রেহাই নেই এমবাপের, চীনে হোর্ডিং থেকে সরছে ছবি ◈ মোটরসাইকেলের সামনের নম্বরপ্লেট সংযোজনের সময় বাড়াল বিআরটিএ, শেষ সময় ৩১ ডিসেম্বর ◈ লন্ডনে ১৩ বছরের কিশোরীকে ধর্ষণের অভিযোগে দুই বাংলাদেশির বিরুদ্ধে হুলিয়া, ধরিয়ে দিলে ১০ হাজার পাউন্ড পুরস্কার ◈ সেন্টমার্টিন ভ্রমণে নতুন সিদ্ধান্ত, ১ নভেম্বর ওয়েবসাইট নিবন্ধন শুরু হলেও জাহাজ চলবে ৩-৪ নভেম্বর থেকে ◈ ঠাকুরগাঁও-১ উপনির্বাচনে বিএনপির মির্জা ফয়সল বিজয়ী ◈ সরকারি কর্মচারীদের বাসা সাবলেট বন্ধের নির্দেশ, ভাড়াটিয়া সরানোর শেষ সময় ৩১ অক্টোবর

প্রকাশিত : ০৭ আগস্ট, ২০২২, ০৮:২৫ সকাল
আপডেট : ০৭ আগস্ট, ২০২২, ০৮:২৫ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

বোয়ালমারীতে সোনালী আঁশ সংগ্রহে ব্যস্ত পাট চাষিরা

আঁশ সংগ্রহে ব্যস্ত পাট চাষিরা

তাই ভালো ফলন ও আশানুরুপ দাম পেয়ে বিগত বছরগুলোর লোকসানে পড়া কৃষকদের মুখে হাসি ফুটে উঠেছে।

সনতচক্রবর্ত্তী: ফরিদপুরের বোয়ালমারীতে সোনালী (পাটের) আঁশ ছাড়াতে ব্যস্ত সময় পার করছে কৃষকরা। কৃষকের ঘরে উঠতে শুরু করেছে নতুন পাট। বাজারে দামও বেশ ভালো যাচ্ছে। পাটের  আঁশ সংগ্রহ, ধোয়া ও শুকানোর কাজ পুরোদমে শুরু হয়েছে বোয়ালমারীতে।

কয়েক দিন বোয়ালমারীর উপজেলার বিভিন্ন গ্রাম অঞ্চলে ঘুরে দেখা যায়, বৃদ্ধ-বৃদ্ধা, নারী-পুরুষ মিলে রাস্তার পাশে বসে কিংবা বাড়ির উঠোনে বসে গাছ পাট থেকে আঁশ সংগ্রহ করছেন।

আষাঢ়-শ্রাবণ মাসে যখন বর্ষার পানিতে খাল-বিল, ডোবা-নালা ভরে ওঠে সোনালী স্বপ্ন নিয়ে সোনালী আঁশ ঘরে তুলতে বেড়ে যায় কৃষক-কৃষাণীর ব্যস্ততা। প্রতি বছরের মতো চলতি মৌসুমে বোয়ালমারীতে নতুন পাট ঘরে তুলতে ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন এলাকার কৃষক-কৃষাণীরা। এখন চলছে পাটের আঁশ ছাড়ানো ও রোদে শুকানোর কাজ। সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত ডোবা ও বিলের পানির মধ্যে জাগ (পচাতে) দেওয়া পাট থেকে আঁশ ছাড়াচ্ছেন কৃষক। শুধু কৃষক নয় এলাকায় পাটকাঠির চাহিদা থাকায় কৃষকদের সঙ্গে প্রতিবেশিরাও আঁশ ছাড়িয়ে দিয়ে পাটকাঠি সংগ্রহ করছেন।

উপজেলার ময়না ইউনিয়নের ময়না গ্রামের কৃষক হাচান বিশ্বাস জানান, এবার তিনি ৪ বিঘা জমিতে পাট চাষ করেছেন। ইতোমধ্যেই ৩ বিঘা জমির পাট কেটেছেন। এ পাট জাগ দিয়ে আঁশ সংগ্রের পর এখন বাঁশের আড়ের উপর শুকাচ্ছেন।

মৌসুমের শুরুতেই পাট বিক্রি করে ভাল দাম পাচ্ছেন কৃষকরা। ফলনও হয়েছে ভালো। উপজেলার সাতৈর, ময়েনদিয়া, বড়গাঁ, সহস্রাইল হাট-বাজার গুলোতে প্রতি মণ পাট ৩ হাজার ১শ’ থেকে ৩ হাজার ২টাকা পর্যন্ত দরে বিক্রি হচ্ছে। তাই ভালো ফলন ও আশানুরুপ দাম পেয়ে বিগত বছরগুলোর লোকসানে পড়া কৃষকদের মুখে হাসি ফুটে উঠেছে।

উপজেলা কৃষি অফিসার প্রীতম হোড় বলেন, এবছর আবহাওয়া অনুকূল পরিবেশ না থাকলেও ফলন ভালো হয়েছে। এ বছর পাটের রোগ বালাই ও পোকা মাকড়ের আক্রমণ তেমন ছিল না।  দামও ভালো থাকায় এ বছর কৃষকরা বেশি লাভবান হবেন। সম্পাদনা: হ্যাপী

  • সর্বশেষ