শিরোনাম
◈ ‘ডোনাল্ড ট্রাম্প’ থেকে ‘সাদা মহিষ’, নাম ও বানান বিতর্কে পদ হারালেন জাতীয় চিড়িয়াখানার কিউরেটর ◈ যশোরের রাজারহাটে চামড়ার দাম নিয়ে হতাশা, আবারও বাজার ধসের শঙ্কা ◈ বাংলাদেশসহ বিশ্বের আকাশে আজ রাতে দেখা মিলতে পারে বিরল ‘ব্লু মুন' ◈ ১০ মিটারের মধ্যে এলেই 'নীরব মৃত্যু' : ইউক্রেন যুদ্ধে রুশ বাহিনীকে কোণঠাসা করছে ঘাতক রোবট ◈ শেখ হাসিনা পদত্যাগপত্র লিখেছিলেন কিন্তু তিনি জমা দিয়ে যেতে পারেন নাই, ভ্যানিটি ব্যাগে করে নিয়ে গেছেন: মতিউর রহমান চৌধুরী ◈ চাকরি, স্বাস্থ্যসেবা ও আবাসন থেকে বঞ্চিত করে যেভাবে অভিবাসীদের ওপর চাপ বাড়াচ্ছেন ট্রাম্প ◈ নতুন জীবনের খোঁজে দেশ ছাড়ছেন আমেরিকানরা, পরামর্শ নিতে খরচ করছেন শত শত ডলার ◈ বাংলাদেশ সীমান্ত নিয়ে অমিত শাহর ‘ব্লুপ্রিন্ট’, কী আছে পরিকল্পনায়? ◈ রোবটের শক্তিতে পাল্টে যাচ্ছে ইউক্রেন যুদ্ধ, রাশিয়া পড়েছে রক্ষণাত্মক অবস্থানে (ভিডিও) ◈ নতুন পদ্ধতি আবিষ্কার: ডিএনএ পরীক্ষায় স্তন ক্যানসারের অনেক রোগীর আর লাগবে না কেমোথেরাপি

প্রকাশিত : ০৫ এপ্রিল, ২০২৪, ০৩:৫৪ দুপুর
আপডেট : ০৫ এপ্রিল, ২০২৪, ০৩:৫৪ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

নন্দীগ্রামে বোরো ধানের মাঠ সবুজে ছেয়ে গেছে, বাম্পার ফলনের উজ্জ্বল সম্ভাবনা 

জিল্লুর রয়েল, নন্দীগ্রাম: [২] বগুড়া জেলার শস্যভাণ্ডার হিসেবে খ্যাত নন্দীগ্রাম উপজেলা। এই উপজেলার মাটিতে উর্বরশক্তি বেশি থাকায় কৃষকরা ধান ও রবিশস্য উৎপাদনে অনেকটা পারদর্শী। তাই কৃষকরা বছরে ৩বার ধান চাষাবাদের পাশাপাশি রবি মৌসুমে রবিশস্যরও চাষাবাদ করে আসছে। এবারো এর ব্যাত্যয় হয়নি। বোরো ধান চাষাবাদে প্রতি বিঘায় সবমিলিয়ে ১২-১৩ হাজার টাকা ব্যয় হলেও ২০-২৫ হাজার টাকার ধান পাওয়া যায়। এ কারণে এই উপজেলার কৃষকরা বোরো ধানের চাষাবাদ লাভজনক হিসেবে গণ্য করে থাকে। তাই প্রাকৃতিক দুর্যোগ কালবৈশাখী ঝড় ও শিলা বৃষ্টির ঝুঁকির কথা মাথায় রেখেও মন দিয়ে বোরো ধানের চাষাবাদ করে আসছে। আর প্রাকৃতিক দুর্যোগ না হলে কৃষকরা ভালোভাবেই ধানের চাষাবাদ ও কাটা-মাড়াই করতে পারে। 

[৩] উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা গেছে, চলতি বোরো মৌসুমে এই উপজেলায় ১৯ হাজার ৮৮৫ হেক্টর জমিতে বোরো ধানের চাষাবাদ করা হয়েছে। এতে ধান উৎপাদন হতে পারে ১ লাখ ৩৪ হাজার ৫৭৮ মেট্রিক টন। এই উপজেলায় বোরো ধানের চাষাবাদ চলাকালীন সময়ে বিদ্যুৎ এর কোনো সমস্যা হয় না। যে কারণে কৃষকদের পানি সেচে তেমন কোনো সমস্যা নেই। কৃষকরা অতি গুরুত্ব ও যত্নের সাথে সবধরনের চাষাবাদ করে। এ কারণে ফলন বেশি পায়। বোরো ফসলি জমিতে আগাছা দমনসহ পোকামাকড় দমনে কীটনাশক স্প্রে করা হয়েছে। এখন ধানক্ষেত থোড়, ফুল, দুধ ও দানা গঠন পর্যায়ে রয়েছে। এরপর দানা পরিপক্ষ হলেই ধান পাকা শুরু হবে। এই উপজেলার বিভিন্ন মাঠে গিয়ে দেখা যায় সবুজে ছেয়ে গেছে বোরো ধানের মাঠ।

[৪] উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা গাজীউল হক জানান, সরকার সবধরনের ফসল উৎপাদন বৃদ্ধিতে গুরুত্ব দিয়েছে। তাই আমরাও ফসল উৎপাদন বৃদ্ধির লক্ষ্যে মাঠ পর্যায়ে ব্যাপকভাবে কাজ করে আসছি। আমরা কৃষকদের পরামর্শসহ বিভিন্নভাবে সহযোগিতা করছি। বোরো ধানের ফসলি জমির অবস্থা অনেক ভালো। তাই আশা করি এবারো বোরো ধানের বাম্পার ফলন হবে। 

[৫] উপজেলার দলগাছা গ্রামের আদর্শ কৃষক মুনিরুজ্জামান বলেন, আমাদের উপজেলায় মিনিকেট ও কাটারিভোগসহ বিভিন্ন জাতের ধানের আবাদ হয়। আমি নিজেও ৩৫ বিঘা জমিতে মিনিকেট ও কাটারিভোগ জাতের ধানের আবাদ করেছি। ফসলি জমির অবস্থা খুব ভালো রয়েছে। প্রাকৃতিক কোনো দুর্যোগ না হলে বোরো ধানের ফলন ভালো হবে ইনশাআল্লাহ। অন্যান্য কৃষকদের সাথে কথা বললে তারাও বলেন মাঠের ফসলি জমির অবস্থা খুব ভালো রয়েছে। ধান ভালোভাবে কাটা-মাড়াই করতে পারলেই আরো ভালো হবে। 

প্রতিনিধি/একে

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়