শিরোনাম
◈ নির্বাচন সফল না হলে দেশ গণতন্ত্রে ফিরতে পারবে না: আলী রীয়াজ ◈ ৩ জেলায় নামছে ৩৮ প্লাটুন বিজিবি, রাজধানীর প্রবেশপথে বসবে চেকপোস্ট ◈ নির্বাচন পর্যবেক্ষণ না পাঠালেও পরিস্থিতি জানতে ইসির সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের বৈঠক ◈ বাংলাদেশের নির্বাচনে যুক্তরাষ্ট্র কোনও পক্ষ নেবে না : মার্কিন রাষ্ট্রদূত ◈ জুলাই আন্দোলনকারীরাই একদিন বিশ্বে নেতৃত্ব দেবে: প্রধান উপদেষ্টা ◈ শ্রমিক নেতা বাসু হত্যা: ৫ জনের মৃত্যুদণ্ড ◈ খালেদা জিয়ার প্রতি শ্রদ্ধা জানাবে ভারতের রাজ্যসভা ◈ স্বর্ণের ভরি কি খুব শিগগিরই ৩ লাখ টাকা ছাড়াবে? ◈ টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ইস্যুতে ভারতের সঙ্গে বিরোধে বাংলাদেশকে কেন সমর্থন দিচ্ছে পাকিস্তান? ◈ ২০২৯ সা‌লের ক্লাব বিশ্বকাপ আয়োজন করতে আগ্রহী ব্রাজিল

প্রকাশিত : ১০ জুন, ২০২৩, ০৬:৪৫ বিকাল
আপডেট : ১০ জুন, ২০২৩, ০৬:৪৫ বিকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

দেবিদ্বারে শিশুকে ধর্ষণের পর আস্তানা ছেড়ে পালিয়েছে ভন্ড পীর

মো. শাহিদুল ইসলাম, দেবিদ্বার (কুমিল্লা): এক ভন্ড পীরের আস্তানায় সাত বছরের ২য় শ্রেণীর এক শিশু শিক্ষার্থী ধর্ষণের শিকার হয়েছেন। নির্যাতিত ওই শিশুটির পরিবারের অভিযোগ ঘটনার এক সপ্তাহ অতিবাহিত হলেও পুলিশ এখনো মামলায় অভিযুক্ত ভন্ড পীর ইকবালকে গ্রেপ্তার করতে পারেনি।

জানা যায়, গত ২ জুন দুপুর ১২টার দিকে দেবিদ্বার উপজেলার ফতেহাবাদ ইউনিয়নের সাইচাপাড়া গ্রামের মৃত শরাফত আলীর পুত্র ইকবাল শাহ স্থানীয় একটি কিন্ডার গার্টেনের ২য় শ্রেণীর ছাত্রীকে লিচু দেয়ার কথা বলে তার আস্তানায় নিয়ে ধর্ষণ করে। পরে ওই শিশুটি বাড়িতে গিয়ে ব্যথায় ছটফট করলে তার পরিবার চিকিৎসকের নিকট নিয়ে যায়। 

শিশুটির মা ও মামলার বাদী সীমা আক্তার বলেন, এলাকার একটি চক্র এ বিষয়ে তাকে মামলা না করতে চাপ দিয়ে যাচ্ছিল, তারা চেয়েছিল এ ঘটনার মীমাংশা করতে। পরে তিনি ৬ জুন রাতে দেবিদ্বার থানায় মামলা দায়ের করেন।

স্থানীয় লোকজন জানান, ইকবাল শাহ হঠাৎ পীর দাবি করে দীর্ঘ বিশ বছর যাবৎ নিজ বাড়িতে ‘সাইচাপাড়া দরবার শরীফ’ নাম দিয়ে আস্তানা তৈরী করে মানুষের সাথে প্রতারণা করে আসছিল। বাড়িতে প্রায়ই গাঁজার মজমা বসাতো। মাঝে মধ্যে করতো ওরস। সেখানে নারীদের সাথে নিয়ে অসামাজিক কাজে লিপ্ত হতো। তার এসব কাজে সহায়তা করতো স্থানীয় একটি প্রভাবশালী চক্র। তাই তার অসামাজিক কর্মকান্ডে কেউ প্রতিবাদ করতো না। 

মুঠো ফোন বন্ধ থাকায় অভিযুক্ত ইকবালের বক্তব্য জানা সম্ভব হয়নি। 

দেবিদ্বার থানার ওসি (তদন্ত) খাদেমুল বাহার বলেন, ডাক্তারী পরীক্ষায় ওই শিশুটিকে ধর্ষণের আলামত মিলেছে। ঘটনার পর ওই পীর আস্তানা ছেড়ে পালিয়ে যাওয়ায় তাকে গ্রেপ্তার করা যাচ্ছে না। পুলিশের অভিযান অব্যাহত আছে। সম্পাদনা: ইস্রাফিল ফকির

প্রতিনিধি/একে

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়