শিরোনাম
◈ ইসরায়েলকে লক্ষ্য করে কয়েক ডজন ড্রোন ছুড়েছে ইরান ◈ বাংলা নববর্ষের শুভেচ্ছা জানালেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন ◈ চার বছর পর বিধিনিষেধহীন মুক্ত পরিবেশে পহেলা বৈশাখ ◈ পহেলা বৈশাখে ইলিশের দাম চড়া ◈ নববর্ষ ১৪৩১ বঙ্গাব্দকে বরণে বর্ণাঢ্য র‌্যালি করবে আওয়ামী লীগ ◈ নতুন বছর মুক্তিযুদ্ধবিরোধী অপশক্তির বিরুদ্ধে লড়াইয়ে প্রেরণা জোগাবে: প্রধানমন্ত্রী ◈ নতুন বছর মানে ব্যর্থতা পেছনে ফেলে সমৃদ্ধ আগামী নির্মাণ করা: মির্জা ফখরুল ◈ ইসরায়েলের তেল আবিব থেকে সরাসরি ঢাকায় ফ্লাইট অবতরণ ◈ বিএনপি গুম-নির্যাতনের কাল্পনিক তথ্য দিয়ে জনগণকে বিভ্রান্ত করছে: ওবায়দুল কাদের ◈ সরকারি খরচে ৩০৪৮টি মামলায় আইনি সহায়তা প্রদান

প্রকাশিত : ২৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৪, ০৬:৪৮ বিকাল
আপডেট : ২৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৪, ০৬:৪৮ বিকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

কুয়াকাটায় পর্যটকদের দৃষ্টি কাড়ছে রাখাইন জাদুঘর

উত্তম হাওলাদার: [২] পর্যটকদের জন্য নতুন আকর্ষণ রাখাইন জাদুঘর। এটি কুয়াকাটা সৈকত থেকে প্রায় আট কিলোমিটার দূরে মিশ্রিপাড়া নামক গ্রামে দুই শতাংশ জমির উপর নির্মাণ হয়েছে। এখানে রাখাইন সস্প্রদায়ের ব্যবহারের হাজার বছর পুরানোতৈজসপত্রসহ নানান শিল্পকর্ম স্থান পেয়েছে।

[৩] প্রথম ধাপে, রাখাইনদের ব্যবহারের ২০ ধরনের উপকরণ রাখা হয়েছে। এরমধ্যে রয়েছে রাখাইন ভাষায় তালপাতায় লেখা পুঁথি, সেগুন কাঠের বাক্সসহ বিভিন্ন ধরনের পাত্র। পশুর হাড় দিয়ে তৈরি অস্ত্র, পিতলের ঘণ্টা, হরিণের চামড়াসহ নানান জিনিস। এসব উপকরণ স্থানীয় প্রবীন রাখানইনদের বাড়ি থেকে সংগ্রহ করা হয়েছে। এছাড়া জাদুঘরের দেয়ালে অঙ্কন করা হয়েছে রাখাইনদের প্রথম রাজা চন্দ্রসূর্য ও শেষ রাজা মহাথামান্দার ছবিও। যা দেখতে ভিড় করছেন পর্যটকরা।

[৪] জানা গেছে, ২০২৩ সালে ২৮ সেপ্টেম্বর এ জাদুঘরটি উদ্বোধন করেন কলাপাড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জাহাঙ্গীর হোসেন। এর মাধ্যমে আগত পর্যটকরা বৌদ্ধবিহার প্রদর্শনের পাশাপাশি রাখাইন জনগোষ্ঠীর ঐতিহ্য-ইতিহাস সম্পর্কে জানার সুযোগ পাচ্ছে। ক্রমশই বিভিন্ন উপকরণ সংগ্রহ করে এ জাদুঘরের সংগ্রহশালা সমৃদ্ধ করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা। 

[৫] স্থানীয় বাসিন্দা আমির হোসেন বলেন, কুয়াকাটায় আগত পর্যটকরা জানতে চায় আদিবাসীদের সেকালের জীবনযাত্রা। এ জনপদ কিভাবে হয়েছে বাসযোগ্য। এসব দেখার জন্য, জানার জন্য ঘুরে বেড়ায় রাখাইন পল্লীতে। এখন এই জাদুঘরের মাধ্যমেই জানতে পারবেন তারা।

[৬] পর্যটক শাকিল খান বলেন, রাখাইন জাদুঘরটি অসাধারণ। এর পাশে রয়েছে প্রাচীন কুয়া ও ঐতিহ্যবাহী মিশ্রিপাড়া সীমা বৌদ্ধ মন্দির অবস্থিত। এ জাদুঘরটিতে রাখাইনদের ব্যবহৃত পুরনো হারিয়ে যাওয়া বিভিন্ন জিনিসপত্র প্রদর্শন করা হয়েছে। পাশাপাশি দেয়ালে অঙ্কন করা হয়েছে রাখাইন রাজ্য থেকে প্রথম পর্যায়ে ৫০টি পরিবার কীভাবে সাগর পাড়ি দিয়ে উপকূলীয় এলাকায় পৌঁছেছেন এমন দৃশ্য।

[৭] মিশ্রিপাড়া বৌদ্ধ মন্দিরের পুরোহিত উত্তম ভিক্ষু বলেন, আমরা আসা করছি সামনে আরও পর্যটক জাদুঘরে আসতে উৎসাহী হবে।

[৮] জাদুঘরের প্রতিষ্ঠাতা রাখাইন মং লাচিং জানান, রাখাইনদের সংস্কৃতির সঙ্গে অন্যদের পরিচয় করিয়ে দিতেই এ উদ্যোগ। তবে এই জাদুঘর পর্যায়ক্রমে সমৃদ্ধ হবে।

[৯] উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জাহাঙ্গীর হোসেন জানান, কুয়াকাটায় যারা বিভিন্ন জায়গা থেকে আসছেন-তারা সহজেই এ জাদুঘর ঘুরে সম্প্রদায়ের ইতিহাস-ঐতিহ্য ও সংস্কৃতি সম্পর্কে জানতে পারবে।

প্রতিনিধি/এনএইচ

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়