শিরোনাম
◈ বাংলাদেশে ঢুকে বিজিবিকে লক্ষ্য করে গুলি, ভারতীয় নাগরিক আটক ◈ নিরাপত্তা নিয়ে শঙ্কার মধ্যেই রোহিঙ্গাদের নিজ দেশে ফেরত পাঠাচ্ছে মালয়েশিয়া ◈ নিখোঁজের ২ দিন পর চট্টগ্রামে স্বর্ণ ব্যবসায়ী পিন্টু দাসসহ ৪ জন উদ্ধার ◈ প্রতিরক্ষা জোটে বাংলাদেশকে নেওয়ার বিষয়ে অবস্থান স্পষ্ট করল পাকিস্তান ◈ আকস্মিক বন্যায় ভেসে আসা মৃতদেহ থেকে কানের দুল চুরি, ভিডিও ভাইরাল! ◈ নেপালে ভয়াবহ বন্যায় নিহত বেড়ে ৪৭৫, নিখোঁজ ৯০০; নতুন বিপর্যয়ের শঙ্কা ◈ অনুমোদন পেলে বৃহস্পতিবারের মধ্যে নবম পে স্কেলের প্রজ্ঞাপন: মন্ত্রিসভা বৈঠক সোমবার ◈ প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে দিল্লিতে নিতে কেন এত মরিয়া ভারত? ◈ রংপুরের চাঞ্চল্যকর চার খুন নিয়ে এত সন্দেহ ও অবিশ্বাস কেন? ◈ সংকটের প্রকৃত কারণ জনগণকে জানাতে এমপিদের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

প্রকাশিত : ০৮ জুন, ২০২৬, ০৮:৪৩ রাত
আপডেট : ২২ আগস্ট, ২০২৬, ০৯:০০ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

রামুতে জোড়া হত্যা মামলার প্রধান আসামি গ্রেপ্তার

সরওয়ার আজম মানিক, কক্সবাজার : কক্সবাজার সদর উপজেলার পাহাড়তলী এলাকার আলোচিত আসিফ ও হৃদয় জোড়া হত্যা মামলার প্রধান আসামি জিয়াউর রহমান জিয়া (৩৫) কে গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাব।

সোমবার (৮ জুন) ভোররাতে কক্সবাজারের রামু উপজেলার উখিয়ার ঘোনা (গনিয়া কাটা) এলাকা থেকে বিশেষ অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয় বলে জানিয়েছেন র‌্যাব-১৫ এর সহকারি পরিচালক আ.ম ফারুক।

গ্রেপ্তার জিয়া কক্সবাজার পৌরসভার ৭ নম্বর ওয়ার্ডের পাহাড়তলী ইসলামপুর এলাকার মৃত নজির আহমেদের ছেলে।

র‌্যাব-১৫ এর সহকারি পরিচালক আ.ম ফারুক জানান, গত ২ জুন রাতে কক্সবাজার পৌরসভার পাহাড়তলী এলাকার ইসলামপুরে আসিফ ও হৃদয় নামে দুই যুবককে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়। এ ঘটনায় নিহত আসিফের বাবা মো. ইসমাইল বাদী হয়ে ৫ জুন কক্সবাজার সদর মডেল থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। হত্যাকাণ্ডের পর থেকেই মামলার আসামিদের গ্রেপ্তারে র‌্যাব গোয়েন্দা নজরদারি শুরু করে। একপর্যায়ে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানতে পারে, মামলার প্রধান আসামি জিয়াউর রহমান জিয়া রামুর একটি দুর্গম এলাকায় আত্মগোপনে রয়েছে। পরে সেখানে অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

তিনি আরো জানান, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জিয়া আত্মগোপনের বিষয়টি স্বীকার করেছে। তার অপরাধের ইতিহাস পর্যালোচনায় দেখা গেছে, এ জোড়া হত্যা মামলাসহ তার বিরুদ্ধে কক্সবাজার সদর থানায় দুটি হত্যা মামলা, একটি মাদক মামলা এবং বিভিন্ন অভিযোগে মোট আটটি মামলা রয়েছে। গ্রেপ্তার আসামিকে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য কক্সবাজার সদর মডেল থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

  • সর্বশেষ