শিরোনাম
◈ মেলিওডোসিসে মৃত্যুঝুঁকির সঙ্গে সম্পর্কিত ২ জিনগত পরিবর্তন শনাক্ত করলেন নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকরা ◈ বাংলাদেশের রপ্তানি বহুমুখীকরণ ও বিনিয়োগ বাড়াতে জাপানের সহযোগিতা চান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ◈ 'আরব আমিরাত ও সৌদি আরবসহ কয়েকটি দেশের অস্তিত্ব বিপন্ন হতে পারে'  ◈ ক্রিকেট বো‌র্ডে নির্বাচনের লক্ষ্যে সংবিধান প্রণয়নের পথে শ্রীলঙ্কা ◈ ভারতের কাছে ১৩ গোলের লজ্জায় বাংলাদেশ ◈ ইরান যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের ব্যয় ছাড়াল ৪৭ বিলিয়ন ডলার ◈ ঢাকার পাতাল মেট্রোরেল নির্মাণে ১০০ কোটি ডলারের কাজ পেল ভারতীয় প্রতিষ্ঠান ◈ নভেম্বরের মধ্যে বন্ধ তিন সার কারখানা চালুর উদ্যোগ সরকারের ◈ গোলাম পরওয়ারের সঙ্গে ভারতীয় গোয়েন্দার বৈঠকের অভিযোগ, প্রমাণ দিতে রাশেদ খানকে জামায়াতের চ্যালেঞ্জ ◈ ভোগান্তিতে ২২ হাজার যাত্রী, রিয়াদ বিমানবন্দরে বুধবার থেকে ফ্লাইট চালুর সম্ভাবনা

প্রকাশিত : ৩১ মে, ২০২৬, ০৯:২৯ সকাল
আপডেট : ২২ আগস্ট, ২০২৬, ০৯:০০ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় আ.লীগের এমপির জানাজা-দাফন, দেওয়া হলো গার্ড অব অনার

ঠাকুরগাঁও-২ আসনের সাতবারের সাবেক সংসদ সদস্য, বীর মুক্তিযোদ্ধা ও জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি দবিরুল ইসলামের দাফন সম্পন্ন হয়েছে। শনিবার (৩০ মে) বিকালে বালিয়াডাঙ্গী উপজেলার শহীদ আকবর আলী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি কলেজ মাঠে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় জানাজা শেষে বড়বাড়ি গ্রামের পারিবারিক কবরস্থানে তাকে দাফন করা হয়।

এই প্রবীণ রাজনীতিকের শেষ বিদায়ে অংশ নিতে জেলার বিভিন্ন প্রান্ত থেকে হাজারো মানুষ বালিয়াডাঙ্গীতে সমবেত হন। জানাজার আগে মরহুমকে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় ‘গার্ড অব অনার’ প্রদান করা হয়। এ সময় প্রশাসন ও বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মী, মুক্তিযোদ্ধা, জনপ্রতিনিধিসহ সর্বস্তরের মানুষ উপস্থিত ছিলেন।

বাবার জানাজায় অংশ নিতে দিনাজপুর কারাগার থেকে সাত ঘণ্টার জন্য প্যারোলে মুক্তি পেয়ে উপস্থিত হন তার ছেলে ও ঠাকুরগাঁও-২ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য মাজহারুল ইসলাম সুজন। দুপুর সাড়ে ১২টায় বালিয়াডাঙ্গীর নিজ বাসভবনে পৌঁছান।

দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে দবিরুল ইসলাম ছিলেন ঠাকুরগাঁওয়ের অন্যতম প্রভাবশালী ব্যক্তিত্ব। ১৯৪৮ সালের ২৯ সেপ্টেম্বর বালিয়াডাঙ্গী উপজেলার বড়বাড়ী গ্রামে জন্ম নেওয়া এই নেতা শুরুতে কমিউনিস্ট পার্টির রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত থাকলেও পরে আওয়ামী লীগে যোগ দেন। এরপর ঠাকুরগাঁও-২ আসন থেকে টানা সাতবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। তিনি জাতীয় সংসদের বিভিন্ন স্থায়ী কমিটির সভাপতির দায়িত্বও পালন করেছেন।

Advertisement

গত বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় রাজধানীর স্কয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান সাবেক এই সংসদ সদস্য। মৃত্যুর সময় তার বয়স হয়েছিল ৮০ বছর। তিনি দুই ছেলে, দুই মেয়েসহ অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে গেছেন। তার মৃত্যুতে জেলার রাজনৈতিক ও সামাজিক অঙ্গনে গভীর শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

দিনাজপুর কারাগার থেকে সাত ঘণ্টার প্যারোলে মুক্তি পেয়ে বাবা দবিরুলের জানাজায় অংশ নিলেন সাবেক এমপি মাজহারুল ইসলাম সুজন। শনিবার সকালে তিনি কারাগার থেকে ঠাকুরগাঁওয়ের বালিয়াডাঙ্গী উপজেলার উদ্দেশে রওনা হন।

জানাজায় অংশ নিয়ে সাবেক এমপি মাজহারুল ইসলাম সুজন বাষ্পরুদ্ধ কণ্ঠে বলেন, বাবা সাতবার এমপি নির্বাচিত হয়েছেন। ৩৫ বছর এলাকার উন্নয়নে কাজ করেছেন। ওনার যদি কোনও ভুলত্রুটি থাকে আপনারা ক্ষমা করে দেবেন। তিনি সীমান্তবর্তী একটি এলাকায় নিজের সর্বোচ্চ দিয়ে মানুষের জন্য কাজ করার চেষ্টা করেছেন।