শিরোনাম
◈ বিদেশগামীদের ব্যাংক স্টেটমেন্ট সহজে যাচাই করতে কিউআর কোড বাধ্যতামূলক, নতুন নির্দেশ বাংলাদেশ ব্যাংকের ◈ এক কক্ষে শতাধিক, চৌকি ভাগাভাগি করে ঘুম, রাজারবাগে করুণ অবস্থায় পুলিশ সদস্যরা! ◈ সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক নিয়ে অনিশ্চয়তা, জমা অর্থ কবে পাবেন গ্রাহক?  ◈ স্বাস্থ্যকর ওটসই শরীরের শত্রু! যাদের এড়িয়ে চলা উচিৎ ◈ সাবেক মন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন আর নেই ◈ কৃষক কার্ড বিতর‌ণের জন‌্য তৈরি করা তালিকায় পাঁচ শতাধিক  অস্তিত্বহীন ◈ ভারত সীমান্তে কাঁটাতারের বেড়া নির্মাণ আবার আলোচনায়, উদ্দেশ্য নিয়ে প্রশ্ন বাংলাদেশের দলগুলোর ◈ আজ থেকে ঈদযাত্রায় ট্রেন টিকিট বিক্রি শুরু ◈ ইরানে ভূমিকম্প, কেঁপে উঠল তেহরান ◈ ‌মে‌সিকা‌ণ্ডের ফাইল চেয়েছি, প্রয়োজনে মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে কথা বলবো : নতুন ক্রীড়ামন্ত্রী নিশীথ

প্রকাশিত : ১৩ মে, ২০২৬, ০৯:১৭ সকাল
আপডেট : ১৩ মে, ২০২৬, ১২:০০ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

১৫০ কোটি টাকার বালাসী-বাহাদুরাবাদ ফেরিঘাট টার্মিনাল এখন ড্রেজার বেইজ

যমুনা সেতু নির্মাণের আগে রাজধানী ঢাকা, ময়মনসিংহ ও সিলেট অঞ্চলের সঙ্গে যোগাযোগের অন্যতম মাধ্যম ছিল গাইবান্ধার বালাসী থেকে জামালপুরের বাহাদুরাবাদ নৌরুট। দীর্ঘ সময় অচল থাকার পর এই নৌরুটের প্রাণ ফেরাতে ফেরি চালুর সিদ্ধান্ত নিয়েছিল বিআইডব্লিউটিএ। প্রায় দেড়শ কোটি টাকা ব্যয়ে দুই পাড়ে নির্মাণ করা হয়েছিল দুটি ফেরিঘাট টার্মিনাল। তবে নাব্য সংকটে ফেরি চালু করতে না পারায় দীর্ঘ সময় পর টার্মিনালটিতে শুরু হয়েছে ড্রেজার বেইজের কার্যক্রম।

২০২১ সালে প্রায় ১৫০ কোটি টাকা ব্যয়ে গাইবান্ধার ফুলছড়ি উপজেলার বালাসীঘাট এবং জামালপুরের বাহাদুরাবাদ ঘাটে ফেরিঘাট টার্মিনাল নির্মাণ করা হয়। কিন্তু নাব্য সংকটের কারণে এই রুটে ফেরি চালাতে পারেনি বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআইডব্লিউটিএ)। প্রায় পাঁচ বছর ধরে টার্মিনালটি অব্যবহৃত পড়ে থাকার পর অবশেষে চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে এখানে ড্রেজার বেইজের কার্যক্রম শুরু করা হয়েছে।

স্থানীয়রা জানান, নাব্য সংকটের কারণে শুষ্ক মৌসুমে যাতায়াতে চরম ভোগান্তিতে পড়তে হয় তাদের। জহুরুল ইসলাম নামের এক ভুক্তভোগী মাঝি বলেন, ‘নদীর প্রতিটি জায়গায় চর জেগেছে। নৌকা চলার কোনো পথ নেই। নদী খনন করতে হবে। একটি নৌকা বালুচরে আটকে থাকলে তিন-সাড়ে তিন ঘণ্টা বসে থাকতে হয়। নদীটির গতিপথ নির্দিষ্ট করে দেয়ার জন্য সরকারের কাছে আমাদের আকুল আবেদন থাকবে।’

আরেকজন স্থানীয় বাসিন্দা জানান, শুধু বালাসী-দেওয়ানগঞ্জ নৌরুটটি খনন করলেই অন্যান্য চরের রুটগুলোও ভালো হয়ে যাবে।

বিআইডব্লিউটিএর বালাসী ড্রেজার বেইজের নির্বাহী প্রকৌশলী (যান্ত্রিক) শরিফুল ইসলাম সময় সংবাদকে বলেন, ‘মূলত এখান থেকে চিলমারী-রৌমারী, বালাসী-বাহাদুরাবাদ, চিলমারী-দইখাওয়া, নুনখাওয়া থেকে সারিয়াকান্দি-জামালপুর এবং সিরাজগঞ্জের মেঘাইঘাট থেকে টাঙ্গাইল নৌরুটে খননকাজ পরিচালনা করবে বিআইডব্লিউটিএ। নৌরুট সচল রাখতে এলাকার মানুষের চাহিদা ও সুবিধার্থে যেখানে প্রয়োজন, সেখানেই আমরা ড্রেজিং করব। ভবিষ্যতে পুরো নৌরুট পুনরুদ্ধারে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেয়া হবে।’

জানা গেছে, এই অঞ্চলের নদ-নদীগুলো খননের জন্য ছয়টি ড্রেজার, পাঁচটি ক্রেন, দুটি টাগবোট, একটি মাল্টিপারপাস বার্জ ও দুটি এক্সকাভেটর নিয়ে ড্রেজার বেইজের কার্যক্রম শুরু হয়েছে। তবে এখানে প্রয়োজনীয় জলযানসহ যন্ত্রাংশের ঘাটতি রয়েছে। এছাড়া ২৫ জন জনবলের জায়গায় কাজ করছেন মাত্র ১৩ জন। কার্যক্রম পুরোপুরি সচল করতে আরও অন্তত আটটি ড্রেজারসহ সহায়ক জলযানের প্রয়োজন।

স্থানীয়দের প্রত্যাশা, বালাসী-বাহাদুরাবাদ রুটটি পুনরায় পুরোদমে সচল হলে উত্তরবঙ্গের আট জেলার মানুষের যাতায়াতে সময় ও খরচ অনেকটাই কমে আসবে। পাশাপাশি এর মাধ্যমে আঞ্চলিক অর্থনীতিতে নতুন গতির সঞ্চার হবে।

সূত্র: সময়

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়