শিরোনাম
◈ কৃষি ও খাদ্য নিরাপত্তায় বাংলাদেশের পাশে বিশ্বব্যাংক, সহায়তা ১১০ কোটি ডলার ◈ দেশের স্বার্থ রক্ষাই আমাদের দায়িত্ব, চীন-মালয়েশিয়া সফরের সব অর্জন জনগণের: সংসদে প্রধানমন্ত্রী ◈ বিদেশি নাগরিকদের জরুরি সতর্কবার্তা দিলো মার্কিন দূতাবাস ◈ আমরা সবাই চাই, আমাদের রিলেশন হবে মিউচুয়াল রেসপেক্ট এবং ইকুইটির ভিত্তিতে: মির্জা ফখরুল ◈ জাতীয় পরিচয়পত্র ১৫ বছর পূর্ণ হলেই নবায়ন বাধ্যতামূলক করতে ভাবছে নির্বাচন কমিশন! (ভিডিও) ◈ ক্রীড়াবিদদের সুযোগ দিলে বিশ্বে বাংলাদেশের মর্যাদা আরও বাড়বে: সেনাপ্রধান ◈ হরমুজ প্রণালী‌তেকার্গো জাহাজে ইরানের হামলার পর পাল্টা হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র ◈ ধর্মীয় কার‌ণে মুসলিম ফুটবলারদের জন্য বিশ্বকা‌পে ম্যাচ সেরার আলাদা পুরস্কার   ◈ রাজধানীজুড়ে কালিমাখচিত সাদা পতাকা, কারা লাগাচ্ছে জানে না পুলিশ, উদ্দেশ্য নিয়ে তদন্তে প্রশাসন ◈ লিও‌নেল মে‌সি ইতিহাসের সেরা: নেদারল‌্যান্ডস তারকা ডি ইয়ং

প্রকাশিত : ১৩ মে, ২০২৬, ০৯:১৭ সকাল
আপডেট : ২৪ জুন, ২০২৬, ০৩:০০ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

১৫০ কোটি টাকার বালাসী-বাহাদুরাবাদ ফেরিঘাট টার্মিনাল এখন ড্রেজার বেইজ

যমুনা সেতু নির্মাণের আগে রাজধানী ঢাকা, ময়মনসিংহ ও সিলেট অঞ্চলের সঙ্গে যোগাযোগের অন্যতম মাধ্যম ছিল গাইবান্ধার বালাসী থেকে জামালপুরের বাহাদুরাবাদ নৌরুট। দীর্ঘ সময় অচল থাকার পর এই নৌরুটের প্রাণ ফেরাতে ফেরি চালুর সিদ্ধান্ত নিয়েছিল বিআইডব্লিউটিএ। প্রায় দেড়শ কোটি টাকা ব্যয়ে দুই পাড়ে নির্মাণ করা হয়েছিল দুটি ফেরিঘাট টার্মিনাল। তবে নাব্য সংকটে ফেরি চালু করতে না পারায় দীর্ঘ সময় পর টার্মিনালটিতে শুরু হয়েছে ড্রেজার বেইজের কার্যক্রম।

২০২১ সালে প্রায় ১৫০ কোটি টাকা ব্যয়ে গাইবান্ধার ফুলছড়ি উপজেলার বালাসীঘাট এবং জামালপুরের বাহাদুরাবাদ ঘাটে ফেরিঘাট টার্মিনাল নির্মাণ করা হয়। কিন্তু নাব্য সংকটের কারণে এই রুটে ফেরি চালাতে পারেনি বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআইডব্লিউটিএ)। প্রায় পাঁচ বছর ধরে টার্মিনালটি অব্যবহৃত পড়ে থাকার পর অবশেষে চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে এখানে ড্রেজার বেইজের কার্যক্রম শুরু করা হয়েছে।

স্থানীয়রা জানান, নাব্য সংকটের কারণে শুষ্ক মৌসুমে যাতায়াতে চরম ভোগান্তিতে পড়তে হয় তাদের। জহুরুল ইসলাম নামের এক ভুক্তভোগী মাঝি বলেন, ‘নদীর প্রতিটি জায়গায় চর জেগেছে। নৌকা চলার কোনো পথ নেই। নদী খনন করতে হবে। একটি নৌকা বালুচরে আটকে থাকলে তিন-সাড়ে তিন ঘণ্টা বসে থাকতে হয়। নদীটির গতিপথ নির্দিষ্ট করে দেয়ার জন্য সরকারের কাছে আমাদের আকুল আবেদন থাকবে।’

আরেকজন স্থানীয় বাসিন্দা জানান, শুধু বালাসী-দেওয়ানগঞ্জ নৌরুটটি খনন করলেই অন্যান্য চরের রুটগুলোও ভালো হয়ে যাবে।

বিআইডব্লিউটিএর বালাসী ড্রেজার বেইজের নির্বাহী প্রকৌশলী (যান্ত্রিক) শরিফুল ইসলাম সময় সংবাদকে বলেন, ‘মূলত এখান থেকে চিলমারী-রৌমারী, বালাসী-বাহাদুরাবাদ, চিলমারী-দইখাওয়া, নুনখাওয়া থেকে সারিয়াকান্দি-জামালপুর এবং সিরাজগঞ্জের মেঘাইঘাট থেকে টাঙ্গাইল নৌরুটে খননকাজ পরিচালনা করবে বিআইডব্লিউটিএ। নৌরুট সচল রাখতে এলাকার মানুষের চাহিদা ও সুবিধার্থে যেখানে প্রয়োজন, সেখানেই আমরা ড্রেজিং করব। ভবিষ্যতে পুরো নৌরুট পুনরুদ্ধারে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেয়া হবে।’

জানা গেছে, এই অঞ্চলের নদ-নদীগুলো খননের জন্য ছয়টি ড্রেজার, পাঁচটি ক্রেন, দুটি টাগবোট, একটি মাল্টিপারপাস বার্জ ও দুটি এক্সকাভেটর নিয়ে ড্রেজার বেইজের কার্যক্রম শুরু হয়েছে। তবে এখানে প্রয়োজনীয় জলযানসহ যন্ত্রাংশের ঘাটতি রয়েছে। এছাড়া ২৫ জন জনবলের জায়গায় কাজ করছেন মাত্র ১৩ জন। কার্যক্রম পুরোপুরি সচল করতে আরও অন্তত আটটি ড্রেজারসহ সহায়ক জলযানের প্রয়োজন।

স্থানীয়দের প্রত্যাশা, বালাসী-বাহাদুরাবাদ রুটটি পুনরায় পুরোদমে সচল হলে উত্তরবঙ্গের আট জেলার মানুষের যাতায়াতে সময় ও খরচ অনেকটাই কমে আসবে। পাশাপাশি এর মাধ্যমে আঞ্চলিক অর্থনীতিতে নতুন গতির সঞ্চার হবে।

সূত্র: সময়

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়