জামাল হোসেন খোকন, চুয়াডাঙ্গা (জীবননগর) : চুয়াডাঙ্গার জীবননগর শহরের মাংসের বাজারে পঁচা মাংস বিক্রির অভিযোগে এক মাংস ব্যবসায়ীর দোকানে মোবাইল কোর্ট অভিযান পরিচালনা করেছে উপজেলা প্রশাসন।
অভিযানে আরোজ আলী (৪০) নামের এক ব্যবসায়ীর মাংসের দোকান সিলগালা করে দেওয়া হয় এবং দোকানে থাকা পঁচা মাংস জনসমক্ষে নষ্ট করা হয়।
বৃহস্পতিবার (৭ মে) বেলা ১১টার দিকে জীবননগর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মো. আশরাফুল আলম রাসেলের নেতৃত্বে এ অভিযান পরিচালিত হয়।
অভিযুক্ত আরোজ আলী জীবননগর পৌর এলাকার জানু শাহার ছেলে। অভিযানের খবর পেয়ে তিনি দোকান ছেড়ে পালিয়ে যান।
জানা গেছে, বৃহস্পতিবার সকালে উপজেলার সীমান্ত ইউনিয়নের বেনিপুর গ্রামের রহমানের ছেলে বাদল অভিযুক্ত ব্যবসায়ীর দোকান থেকে ১৩ কেজি মাংস ক্রয় করেন। বাড়িতে নেওয়ার পর মাংসে দুর্গন্ধ ও পচনের লক্ষণ দেখতে পেয়ে তিনি তা ফেরত দিতে দোকানে যান।
এ সময় মাংস বিক্রেতা আরোজ আলী ক্ষিপ্ত হয়ে বাদল ও তার স্ত্রী রেশমা খাতুনকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করেন এবং মারধরের চেষ্টা চালান বলে অভিযোগ ওঠে। পরে ভুক্তভোগীরা জীবননগর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়ে লিখিত অভিযোগ দেন।
অভিযোগের ভিত্তিতে উপজেলা প্রশাসন তাৎক্ষণিক মোবাইল কোর্ট অভিযান পরিচালনা করে।
ইউএনও ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মো. আশরাফুল আলম রাসেল জানান, অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেছে। অভিযানের আগেই অভিযুক্ত ব্যবসায়ী পালিয়ে গেলেও দোকানে পঁচা মাংস পাওয়া যায়। পরে দোকানটি সিলগালা করা হয় এবং অবশিষ্ট পঁচা মাংস নষ্ট করে দেওয়া হয়।
অভিযানে উপস্থিত ছিলেন জীবননগর উপজেলা ভেটেরিনারি সার্জন মিঠুন চন্দ্র রায়, পৌর স্যানিটারি অফিসার অজয় কুমার এবং জীবননগর থানা পুলিশের একটি টিম।