শিরোনাম
◈ চীনের ১১ প্রতিষ্ঠানের ৯.২১ বিলিয়ন ডলারের বিনিয়োগ প্রস্তাব পেল বাংলাদেশ ◈ সিগারেট খেতে নিষেধ করায় ছাত্রদল নেতাসহ ছয়জনকে গুলি (ভিডিও) ◈ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর এলাকার আশপাশ দিয়ে মাদকের বড় চালান আসে: সংসদে গয়েশ্বর ◈ জামালপুরের সাবেক এমপি নুর মোহাম্মদ গুলশান থেকে গ্রেপ্তার ◈ আমি প্রথম বলির পাঁঠা, কিন্তু শেষ নই, এরপর একে একে সবাই টার্গেট হবেন: মাহফুজ আলম ◈ বুয়েটকে বিশ্বমানের গবেষণা ও উদ্ভাবনের কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলা হবে: মাহ্‌দী আমিন ◈ ৬৮ বছরে ১৮ বিশ্বকাপ কাভার করা সাংবাদিককে ‘বিশেষ সম্মান’ আ‌র্জেন্টাইন কোচ স্কালোনির ◈ ১০ হাজার টাকা থাকলেই বিনিয়োগ করা যাবে সরকারি সুকুকে, আবেদন রোববার ◈ তারেক রহমানের চীন সফর: দক্ষিণ এশিয়ার ভূরাজনীতিতে নতুন সমীকরণ দেখছে ভারতীয় গণমাধ্যম ◈ চুক্তির ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই লেবাননে ইসরাইলের ড্রোন হামলা

প্রকাশিত : ২৩ এপ্রিল, ২০২৬, ০৬:১৭ বিকাল
আপডেট : ১৭ জুন, ২০২৬, ০৫:০০ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

পাম্পে লাঠি হাতে ইউএনও, বাইকারকে থাপ্পড়ের অভিযোগ নিয়ে তোলপাড়

লালমনিরহাটের কালীগঞ্জে ফুয়েল কার্ডের ছবির সঙ্গে চেহারার মিল না থাকায় প্রকাশ্যে এক মোটরসাইকেল গ্যারেজ কর্মচারীকে চপেটাঘাত ও লাঞ্ছিত করার অভিযোগ উঠেছে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) শামীমা আক্তার জাহানের বিরুদ্ধে। এছাড়াও একই দিন লাঠি হাতে বাইকারদের শাসিয়েছেন বলেও তার বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে।

বুধবার (২২ এপ্রিল) দুপুরে কালীগঞ্জ উপজেলার চাপারহাটের একটি ফিলিং স্টেশনে এ ঘটনা ঘটে। ওই দিন রাতের বেলা এ ঘটনার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে।

ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে দেখা যায়, পেট্রোল নিতে আসা বাইকারদের লাইনে দাঁড়িয়ে ছিলেন নদী রায় নামের ওই তরুণ। এ সময় ইউএনও শামীমা আক্তার প্রথমে তার শার্টের কলার ধরে টানাটানি করেন এবং পরে তাকে জোরে বেশ কয়েকটি থাপ্পড় মারেন। এরপর ওই তরুণের মোটরসাইকেলের চাবি আটকে রাখেন তিনি।

ভুক্তভোগী নদী রায় জানান, অসুস্থ এক ব্যক্তির মোটরসাইকেল ও ফুয়েল কার্ড নিয়ে পেট্রোল নিতে পাম্পে গিয়েছিলেন তিনি। কিন্তু ইউএনও কোনো কথা না শুনেই তাকে থাপ্পড় মারেন। পরে উপস্থিত জনতার তোপের মুখে ঘণ্টাখানেক পর তাকে মোটরসাইকেলের চাবি ফিরিয়ে দেয়া হয়।

এদিকে একই দিন উপজেলার তুষভাণ্ডার বাজারের অপর একটি পেট্রোল পাম্পেও ইউএনওর বিরুদ্ধে শৃঙ্খলা রক্ষার নামে বাইকারদের লাঠি হাতে শাসানোর অভিযোগ উঠেছে। সেখানে পাম্পের সামনে একটি মোটরসাইকেল ফেলে দেয়ার ঘটনায় উপস্থিত জনতার তোপের মুখে পড়েন ওই ইউএনও।

তবে চপেটাঘাতের এই অভিযোগ সম্পূর্ণ অস্বীকার করেছেন ইউএনও শামীমা আক্তার জাহান। এ বিষয়ে তিনি বলেন, ‘আমি শুধু তার গাড়ির চাবি নিয়েছিলাম, কারও গায়ে হাত তুলিনি। সম্ভবত তার কাছে সঠিক কার্ড ছিল না। নিয়ম না মেনে লাইনে দাঁড়ানোর কারণে চাবি নিয়ে পরে তাকে অফিসে যোগাযোগ করতে বলা হয়েছিল। পরবর্তীতে তার অভিভাবকরা এলে চাবি বুঝিয়ে দেয়া হয়েছে।’

এসব ঘটনায় প্রত্যক্ষদর্শীরা ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। ঘটনার সত্যতা যাচাই ও ভুক্তভোগীর মর্যাদা রক্ষায় প্রশাসন কী ব্যবস্থা নেয়, এখন সেদিকেই তাকিয়ে আছেন স্থানীয়রা।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়