শিরোনাম
◈ যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের নিয়োগ পরীক্ষায় প্রশ্নফাঁস, ৮-১০ লাখ টাকায় প্রশ্ন-উত্তর বিক্রি: গ্রেপ্তার ৭ ◈ জামায়াত কার্যালয়ে হামলা: কুমিল্লা মহানগর কমিটি বিলুপ্ত, তদন্ত কমিটি গঠন ◈ ভারতে ভোটার তালিকা থেকে ১৩ কোটি নাম বাদ, ভোটাধিকার কেড়ে নিয়ে বাংলাদেশে পুশ-ইন শাহিদাদের ◈ ফাইনালে শ্রীলঙ্কার কা‌ছে ৪ রানে হার, রানার্সআপ বাংলাদেশ ◈ একের পর এক ফ্লাইট বাতিল, আর্থিক ক্ষতির মুখে এভিয়েশন খাত ◈ ভারত থেকে কেনা ২০০ রেলকোচের প্রথম চালানে এলো ১৮টি ◈ ক্ষমা চেয়েও রক্ষা নেই ইনফান্তিনোর, ফিফা কাউন্সিলের কাঠগড়ায় সভাপতি ◈ বিশ্বব্যাংকের সঙ্গে ৫ বছরের উন্নয়ন চুক্তি করছে বাংলাদেশ, ২-৩ সপ্তাহের মধ্যে চূড়ান্ত বৈঠক ◈ কুমিল্লায় যুবদল নেতাকে কাউসারকে কুপিয়ে হত্যা ◈ ব্যাংককে আইএমএফ- বিশ্বব্যাংকের সম্মেলন ঘিরে বিক্ষোভ, ঋণ বাতিল ও ধনীদের ওপর কর আরোপের দাবি

প্রকাশিত : ২৩ এপ্রিল, ২০২৬, ০৬:১৭ বিকাল
আপডেট : ১২ আগস্ট, ২০২৬, ১০:০০ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

পাম্পে লাঠি হাতে ইউএনও, বাইকারকে থাপ্পড়ের অভিযোগ নিয়ে তোলপাড়

লালমনিরহাটের কালীগঞ্জে ফুয়েল কার্ডের ছবির সঙ্গে চেহারার মিল না থাকায় প্রকাশ্যে এক মোটরসাইকেল গ্যারেজ কর্মচারীকে চপেটাঘাত ও লাঞ্ছিত করার অভিযোগ উঠেছে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) শামীমা আক্তার জাহানের বিরুদ্ধে। এছাড়াও একই দিন লাঠি হাতে বাইকারদের শাসিয়েছেন বলেও তার বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে।

বুধবার (২২ এপ্রিল) দুপুরে কালীগঞ্জ উপজেলার চাপারহাটের একটি ফিলিং স্টেশনে এ ঘটনা ঘটে। ওই দিন রাতের বেলা এ ঘটনার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে।

ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে দেখা যায়, পেট্রোল নিতে আসা বাইকারদের লাইনে দাঁড়িয়ে ছিলেন নদী রায় নামের ওই তরুণ। এ সময় ইউএনও শামীমা আক্তার প্রথমে তার শার্টের কলার ধরে টানাটানি করেন এবং পরে তাকে জোরে বেশ কয়েকটি থাপ্পড় মারেন। এরপর ওই তরুণের মোটরসাইকেলের চাবি আটকে রাখেন তিনি।

ভুক্তভোগী নদী রায় জানান, অসুস্থ এক ব্যক্তির মোটরসাইকেল ও ফুয়েল কার্ড নিয়ে পেট্রোল নিতে পাম্পে গিয়েছিলেন তিনি। কিন্তু ইউএনও কোনো কথা না শুনেই তাকে থাপ্পড় মারেন। পরে উপস্থিত জনতার তোপের মুখে ঘণ্টাখানেক পর তাকে মোটরসাইকেলের চাবি ফিরিয়ে দেয়া হয়।

Advertisement

এদিকে একই দিন উপজেলার তুষভাণ্ডার বাজারের অপর একটি পেট্রোল পাম্পেও ইউএনওর বিরুদ্ধে শৃঙ্খলা রক্ষার নামে বাইকারদের লাঠি হাতে শাসানোর অভিযোগ উঠেছে। সেখানে পাম্পের সামনে একটি মোটরসাইকেল ফেলে দেয়ার ঘটনায় উপস্থিত জনতার তোপের মুখে পড়েন ওই ইউএনও।

তবে চপেটাঘাতের এই অভিযোগ সম্পূর্ণ অস্বীকার করেছেন ইউএনও শামীমা আক্তার জাহান। এ বিষয়ে তিনি বলেন, ‘আমি শুধু তার গাড়ির চাবি নিয়েছিলাম, কারও গায়ে হাত তুলিনি। সম্ভবত তার কাছে সঠিক কার্ড ছিল না। নিয়ম না মেনে লাইনে দাঁড়ানোর কারণে চাবি নিয়ে পরে তাকে অফিসে যোগাযোগ করতে বলা হয়েছিল। পরবর্তীতে তার অভিভাবকরা এলে চাবি বুঝিয়ে দেয়া হয়েছে।’

এসব ঘটনায় প্রত্যক্ষদর্শীরা ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। ঘটনার সত্যতা যাচাই ও ভুক্তভোগীর মর্যাদা রক্ষায় প্রশাসন কী ব্যবস্থা নেয়, এখন সেদিকেই তাকিয়ে আছেন স্থানীয়রা।

  • সর্বশেষ