শিরোনাম
◈ উপসাগরীয় অবকাঠামোয় ইরানের নিখুঁত হামলা, চাপে যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধপরিকল্পনা ◈ গণপিটুনিতে ৯ মাসে ১৭১ মৃত্যু, ‘মব’ কি সংঘবদ্ধ অপরাধের নতুন কৌশল? ◈ প্রতিদ্বন্দ্বী তুরস্কের বাজারেও বাড়ছে বাংলাদেশের পোশাকের চাহিদা ◈ বিতর্কিতদের বাদ দিয়ে নতুন নেতৃত্ব গড়তে চায় বিএনপি ◈ বাংলাদেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে যুক্তরাজ্যের হোম অফিসের ৮৬ পৃষ্ঠার প্রতিবেদন প্রকাশ ◈ ফেরদৌসী মিষ্টির আসনে বিএনপির মনোনয়ন ফরম নিলেন যে ৬৭ নারী নেত্রী ◈ দীপকের আটক ঘিরে নেতৃত্বের সংকট, বিকল্প পরিকল্পনা ‘প্ল্যান বি’ প্রস্তুত সিজেপির ◈ হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের পূজা এলেই নিরাপত্তা নিয়ে আলোচনা ওঠা জাতীয় জীবনের জন্য দুঃখজনক: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ◈ কাভার্ডভ্যান চুরি হওয়া ক্রিকেটারের টাকা যেভাবে উদ্ধার হলো ◈ মক্কায় দুই বাংলাদেশির মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের খবর জানত না ঢাকা, তথ্য চেয়ে সৌদি আরবকে চিঠি

প্রকাশিত : ০৪ এপ্রিল, ২০২৬, ০৯:৪০ সকাল
আপডেট : ২২ আগস্ট, ২০২৬, ১০:০০ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

পঞ্চগড়ে চৈত্র মাসে শীত ও কুয়াশার অস্বাভাবিক চিত্র

এক সপ্তাহ ধরে পঞ্চগড়ে ‘বাষ্পীয় কুয়াশা’ বিরাজ করছে। চৈত্র মাসে এমন কুয়াশা জেলার প্রবীণরা আগে কখনও দেখেননি বলছেন। এ সময়টাতে কাঠফাটা রোদ্দুর আর অতিরিক্ত তাপমাত্রায় হাঁসফাঁস করার কথা, অথচ এবার তার উল্টো চিত্র দেখা যাচ্ছে। সকালে ঘুম থেকে উঠেই চোখে পড়ছে ঘন

কুয়াশা। সঙ্গে বয়ে যাচ্ছে শীতল বাতাস। আবহাওয়ার এই অস্বাভাবিক পরিবর্তনে দেখা দিয়েছে নানান রোগবালাই।

এই অঞ্চল চৈত্র মাসে এবার ঢাকা থাকছে ঘন কুয়াশায়। পড়ছে কুয়াশা বৃষ্টি। যেন মাঘ মাসের শীতের আমেজ।

তেঁতুলিয়া আবহাওয়া পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জিতেন্দ্রনাথ রায় বলেন, ‘এক সপ্তাহ ধরে পঞ্চগড়ে ১৮ থেকে ২২ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করা হচ্ছে। দিনের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হচ্ছে ২২ ডিগ্রি থেকে ২৫ ডিগ্রি পর্যন্ত। বায়ুমণ্ডলের আর্দ্রতা বেড়ে যাওয়া দিন ও রাতের তাপমাত্রা কমে যাওয়া, জলীয় বাষ্পের পরিমাণ বেড়ে যাওয়া এবং জলীয় বাষ্প দ্রুত ঘনীভূত হওয়ার কারণে ঘন কুয়াশা দেখা দিচ্ছে। এটিকে মূলত বাষ্পীয় কুয়াশা বলা যেতে পারে।’

Advertisement

তিনি আরও বলেন, ‘আজ ২০ চৈত্র, ৩ এপ্রিল। আজকের সকালটা পুরোটাই অন্যরকম। চারিদিকে ঘন কুয়াশা– গাছপালা, মাঠ-ঘাট সব ঢেকে গেছে কুয়াশায়। রাস্তাঘাটে যানবাহনগুলো চলছে হেডলাইট জ্বালিয়ে। অথচ এই সময়টাতে প্রচণ্ড গরম লাগার কথা, রোদের তাপে শরীর পুড়ে যাওয়ার কথা। গরমে মানুষ হাসফাঁস করে, ফ্যান চালিয়েও স্বস্তি পায় না। সেই সময়ে ঘন কুয়াশা আর ঠান্ডা সবাইকে অবাক করে দিয়েছে।’

জেলা শহরের ডোকড়ো পাড়া এলাকার ষাটোর্ধ্ব তরিকুল ইসলাম বলেন, ‘জীবনে আমি এমন আবহাওয়া দেখিনি। চৈত্র মাসের গরমে যেখানে সহ্য করা মুশকিল হয়ে পড়ে, সেখানে কাথা-কম্বল গায়ে নিয়ে রাতে ঘুমাতে হচ্ছে।’

শহরের মসজিদপাড়া এলাকার নারী শ্রমিক সফিজা বেগম বলেন, ‘সকাল থেকে ঘন কুয়াশা, মাঝে মাঝে বাতাস বয়ে যাচ্ছে। সকালে বের হলে গরম কাপড় পরতে হয়।’

পরিবহন শ্রমিক সাইফুল ইসলাম বলেন, ‘চৈত্র মাসে ঘন কুয়াশার কারণে হেডলাইট জ্বালিয়ে গাড়ি চলাচল এবারই প্রথম দেখলাম।’

এই এলাকায় গতকাল বৃহস্পতিবারও এমন চিত্র দেখা গেছে। কুয়াশা কেটেছে সকাল ১১টার পর। আজ শুক্রবারও একই রকম আবহাওয়া বিরাজ করছে। কখন সূর্যের মুখ দেখা যাবে তা বলা যাচ্ছে না।

সূত্র: বাংলা ট্রিবিউন

  • সর্বশেষ