সরওয়ার আজম মানিক, কক্সবাজার : কক্সবাজারের চকরিয়ায় চিংড়িঘের দখলকে কেন্দ্র করে ঘের মালিককে পিটিয়ে ও পানিতে চুবিয়ে শ্বাসরোধে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। পরিবারের দাবি, ডুলাহাজারার ডুমখালী এলাকার আলোচিত সন্ত্রাসী রমজান আলীর নেতৃত্বে এ হত্যাকাণ্ড হয়।
শুক্রবার (৩ এপ্রিল) মধ্যরাতে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে মরদেহ উদ্ধার করে। পরে সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি শেষে ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ কক্সবাজার সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়।
নিহত মনজুর আলম ওরফে কালু (৫০) ডুমখালী এলাকার মৃত জাফর আলমের ছেলে।
পরিবারের অভিযোগ, রাত আড়াইটার দিকে উপজেলার ডুলাহাজারা ইউনিয়নের মালুমঘাট এলাকার বড় ডুমখালী ঘোনা নামক চিংড়িঘেরে সশস্ত্র সন্ত্রাসীরা হানা দেয়। এ সময় তারা মনজুর আলমকে ঘের থেকে তুলে পাশের খালে নিয়ে যায়। সেখানে তাকে বেধড়ক পিটিয়ে পানিতে চুবিয়ে শ্বাসরোধে হত্যা করা হয়।
নিহতের ভাই জামাল হোসাইন বলেন, তাদের চার একর আয়তনের একটি চিংড়িঘের রয়েছে। ওই ঘের দখলের উদ্দেশ্যে রমজান আলীর নেতৃত্বে সন্ত্রাসীরা সম্প্রতি হামলা চালিয়ে চিংড়িসহ বিভিন্ন মাছ ও মূল্যবান মালামাল লুট করে। এ ঘটনায় থানায় লিখিত অভিযোগ দেওয়া হলেও কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি বলে তিনি দাবি করেন।
তিনি অভিযোগ করে বলেন, রমজান আলীর ছোট ভাই শহীদুল ইসলাম পুলিশ সদস্য। তার ব্যবহৃত পুলিশের জ্যাকেট পরে রমজান আলী ও তার সহযোগীরা ঘেরে প্রবেশ করে দখলের চেষ্টা চালায়।
চকরিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মনির হোসেন বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করেছে। প্রাথমিকভাবে মরদেহে আঘাতের স্পষ্ট চিহ্ন পাওয়া যায়নি। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর কারণ নিশ্চিত হওয়া যাবে। এ ঘটনায় লিখিত অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।