শিরোনাম
◈ ১১ দলীয় জোটে আবার ভাঙনের গুঞ্জন, বেরিয়ে গেছে বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলন, ১০ জুন আসতে পারে ঘোষণা ◈ পোষা বিড়াল কি বাড়ায় মানসিক রোগের ঝুঁকি? নতুন গবেষণায় আলোচনার ঝড়! ◈ দেশের বাজারে টানা দুই দফায় স্বর্ণের দাম কমেছে ভরিপ্রতি ৮ হাজার ৭৪৮ টাকা ◈ প্রথম সফরে মালয়েশিয়া কেন বেছে নিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান? : ইন্ডিয়া টুডের প্রতিবেদন ◈ শত্রু দেশ যুক্তরা‌স্ট্রে খেলা ইরা‌নের, দেশের মানুষের মুখে হাসি ফোটা‌তে মনপ্রাণ উজাড় ক‌রে খেল‌বেন ইরানি ফুটবলাররা ◈ বিদেশি ফ্রাঞ্চাইজি লি‌গে খেলার জন‌্য অবসর নেয়া বন্ধ কর‌তে কড়া নিয়ম আনার পথে বিসিসিআই ◈ গভর্নর মোস্তাকুর রহমানের ১০০ দিন: স্থিতিশীলতা, সংস্কার ও প্রবৃদ্ধির নতুন সমীকরণ ◈ ভূমি কর্মকর্তাদের ২৫ জুনের মধ্যে সম্পদের হিসাব দেওয়ার নির্দেশ ভূমি মন্ত্রণালয়ের ◈ দ. এশিয়ার স্থিতিশীলতা ও শান্তির জন্য বাংলাদেশ ‘কৌশলগত গুরুত্বপূর্ণ’ দেশ: তুরস্ক ◈ ইউরোপের মাটিতে ইতিহাস, সান মারিনোর বিপক্ষে বাংলাদেশের জয়

প্রকাশিত : ০৩ এপ্রিল, ২০২৬, ০৭:৩০ বিকাল
আপডেট : ০৫ জুন, ২০২৬, ০৩:০০ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

জীবননগরে সড়ক প্রশস্তকরণে অনিয়মের অভিযোগ, বালির বদলে মাটি ব্যবহারের দাবি

জামাল হোসেন খোকন, জীবননগর (চুয়াডাঙ্গা) প্রতিনিধি: চুয়াডাঙ্গার জীবননগর উপজেলার গুরুত্বপূর্ণ সড়ক উন্নয়ন প্রকল্পে অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। জীবননগর-চুয়াডাঙ্গা হাইওয়ে সড়কের মিলপাড়া এলাকায় রাস্তার দুই পাশে প্রশস্তকরণ কাজে বালির পরিবর্তে মাটি ব্যবহারের অভিযোগ করেছেন স্থানীয়রা।

অভিযোগের ভিত্তিতে শুক্রবার দুপুরে সরেজমিনে ঘটনাস্থলে গিয়ে দেখা যায়, সড়কের দুই পাশে প্রশস্তকরণ কাজে যে বালু ব্যবহার করা হচ্ছে, তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য পরিমাণ মাটির উপস্থিতি রয়েছে। এছাড়া খোয়া হিসেবে ব্যবহৃত ইটের টুকরাগুলোতেও নির্ধারিত মান ও মাপ অনুসরণ করা হয়নি বলে অভিযোগ রয়েছে।

জানা গেছে, যশোরের ঠিকাদার মইনুদ্দিন বাঁশি প্রায় ২৫ কোটি টাকা ব্যয়ে ১৬ কিলোমিটার সড়কের এই কাজটি বাস্তবায়ন করছেন। প্রকল্পের আওতায় রাস্তার দুই পাশ প্রশস্ত করার কথা থাকলেও ব্যবহৃত নির্মাণসামগ্রীর মান নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

এ ব্যাপারে মহিউদ্দিন বাঁশির ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের সাইড ইঞ্জিনিয়ার আলামিন আমরা কোন অনিয়ম করছি না এখানে সড়ক পরিবহনের ইঞ্জিনিয়ার সাহেব ও সুপারভাইজার উপস্থিত থেকেই এই বালি ও খোয়া মিশ্রণ করে পাঠিয়েছেন 

এ বিষয়ে সড়ক ও জনপথ (রোডস অ্যান্ড হাইওয়েজ) বিভাগের চুয়াডাঙ্গা উপ-সহকারী প্রকৌশলী মো. মনিরুজ্জামানের সঙ্গে কথা হলে তিনি অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, “দেখতে মাটির মতো মনে হলেও এগুলো বালুই। কুষ্টিয়া থেকে আনা হয়েছে এবং ল্যাব টেস্টেও পরীক্ষা করা হয়েছে। এর প্রমাণপত্র আমাদের কাছে রয়েছে।”

খোয়ার মান নিয়ে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, “এখানে কোনো দুই নম্বর বা তিন নম্বর ইট ব্যবহার করা হচ্ছে না। তবে কিছু পুরাতন ইটের খোয়া থাকতে পারে।”

এদিকে স্থানীয়দের অভিযোগ, প্রকল্পটির তদারকির দায়িত্বে থাকা সংশ্লিষ্ট কিছু কর্মকর্তা ও সুপারভাইজারের সঙ্গে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের আর্থিক লেনদেনের মাধ্যমে নিম্নমানের কাজকে বৈধতা দেওয়া হচ্ছে। বিশেষ করে সুপারভাইজার শাহীনসহ সংশ্লিষ্ট প্রকৌশলীদের বিরুদ্ধে স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

স্থানীয় সচেতন মহল দ্রুত বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন, যাতে করে জনসাধারণের টাকায় নির্মিত সড়কের মান নিশ্চিত করা যায়।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়