জিয়া উদ্দিন সিদ্দিকী, আমতলী (বরগুনা) প্রতিনিধি : বরগুনার আমতলীতে ধানের কুড়া (ধানের খসি) ক্রয়ের একশত টাকা কম দেওয়া নিয়ে হামলায় গুরুতর আহত যুবক মো. সজিব আকন (২৩) চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছে।
শনিবার গভীর রাত ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে সজিব মারা গেছে।
মারা যাওয়া যুবক সজিব উপজেলার গুলিশাখালী ইউনিয়নের কলাগাছিয়া গ্রামের আয়নাল আকনের ছেলে।
গত ২১ মার্চ শনিবার তুচ্ছ বিষয় নিয়ে ওই হামলার ঘটনা ঘটে।
গ্রামবাসী সূত্র জানা গেছে, উপজেলার গুলিশাখালী ইউনিয়নের কলাগাছিয়া গ্রামের আয়নাল আকন একই গ্রামর সানা মিয়া প্যাদার নিকট থেকে ৮০০ টাকায় দুই মন ধানের কুড়া (খসি) ক্রয় করেন। আয়নাল আকন দুই মণ কুড়ায় ১০০ টাকা কম দিত চাইলে এ নিয়ে দু'জনের মধ্য বাগবিতন্ডা হয়।
এক পর্যায়ে তা সংঘর্ষে রূপ নেয়। ওই সময় সানা মিয়া প্যাদার লোকজনর দা ও লাঠি দিয়ে আয়নাল আকনের ছেলে নিহত সজিবসহ ৭-৮ জনক পিটিয় কুপিয়ে গুরুতর আহত করে। আহতদের সকলকে বরিশাল শেবাচিম হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হয়। এরমধ্য আহত সজিব আকনের অবস্থা গুরুতর হওয়ায় ২১ মার্চ শনিবার রাতেই তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে ভর্তি করা হয়। ভর্তি করা থেকে সজিব ওই হাসপাতালের আইসিইউতেই ছিলেন। চিকিৎসাধীন থাকা অবস্থায় সজিব শনিবার (২৯ মার্চ) রাত দেড়টার দিকে মারা যান।
ওই ঘটনায় আমতলী থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। মামলায় গ্রেপ্তার হওয়া প্রধান আসামী জেল হাজতে রয়েছে।
নিহতর ভাই মো. হাসান বলেন, আমার বাবা প্রতিবেশী মো. সানা মিয়া প্যাদার নিকট থেকে ৮০০ টাকায় দুই মণ ধানের কুড়া কিনে ১০০ টাকা কম দিত চাইলে কথা কাটাকাটির এক পর্যায়ে তাদের লোকজন আমার ভাইক পিটিয় মেরে ফেলছে। আমি এই ঘটনার কঠিন শাস্তির দাবী জানাই।
নিহতের পিতা আয়নাল আকন কান্না জড়িত কন্ঠ বলেন, মোর পোলাডারে অরা পিডাইয়া মাইর্যা হালাইছে। মুই এ্যাহন অর মায়রে কি কইয়া ঠান্ডা হরমু।
আমতলী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. জাহাঙ্গির হোসেন বলেন, মামলার ১ জন আসামীকে গ্রেফতার করে জেল হাজতে প্রেরণ করেন। ৮ জন কোর্টর আদশে জামিন রয়েছ। ৪ জন পলাতক রয়েছে। পলাতক আসামীদর গ্রেফতারের জোর চেষ্টা চলছে।