পিরোজপুরের জিয়ানগর উপজেলার পত্তাশী ইউনিয়নে বাজার এলাকার পঞ্চায়েত বাড়ির ব্রিজের কাছে আওয়ামী লীগ নেতার হামলার স্বীকার হলেন বিএনপি নেতাসহ পাঁচজন।
শুক্রবার (২০ ফেব্রুয়ারি) রাত সাড়ে ৯টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। ঘটনাস্থল থেকে পাঁচজনকে গুরুতর আহত অবস্থায় উদ্ধার করে জিয়ানগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয় পরে তাদের অবস্থার অবনতি হলে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে পিরোজপুর সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়।
আহতরা হলেন- বিএনপি নেতা ও পত্তাশী ইউনিয়ন মৎস্যজীবী দলের সভাপতি মো. নজরুল ইসলাম ফকির (৫৫), স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি জাহিদ হোসেন (৩৮), একই ইউনিয়নের ২নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা মো. নাহিদ হোসেন (১৮), নাছির উদ্দীন ফকির (৫০) ও নাইম হোসেন (২৮)।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, রাত সাড়ে ৯টার দিকে পত্তাশী বাজার এলাকায় হঠাৎ ডাকচিৎকার শোনা গেলে লোকজন এগিয়ে এসে পাঁচজনকে রক্তাক্ত অবস্থায় দেখতে পান এবং তারা অচেতন অবস্থায় দুজনসহ মোট পাঁচজনকে উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য গাড়িতে উঠিয়ে দেন। অভিযোগ রয়েছে, তাদের ওপর আওয়ামী লীগ ও নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের নেতারা অতর্কিত হামলা চালায়।
আহত জাহিদ হোসেন বলেন, পত্তাশী ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের যুগ্ম সম্পাদক নাসির উদ্দীন টুকুসহ কয়েকজন তাদের ওপর হামলা চালান।
আহত নাসির ফকির জানান, আওয়ামী লীগ নেতা টুকুর ছাত্রলীগ করা ছেলে রায়হান, তার ভাই যুবলীগ নেতা আলাউদ্দিনের নেতৃত্বে ৮-১০ জন মিলে আমাদের ওপর অতর্কিত হামলা চালায়।
টুকু দেশীয় অস্ত্র দা, শাবল দিয়ে আমাদের এলোপাতাড়ি কোপায়। আমাদের অপরাধ আমরা বিএনপি করি। ৫ তারিখের প্রতিশোধ নিতেই তারা আমাদের ওপরে হামলা চালিয়েছে বলে আমি মনে করি।
এ বিষয়ে অভিযুক্ত আওয়ামী লীগ নেতা নাসির উদ্দীন টুকু অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, আমি মারামারি থামাতে গিয়ে নিজেই আহত হয়েছি। আমাকে মিথ্যা অভিযোগে ফাঁসানো হচ্ছে।
এ বিষয়ে জিয়ানগর থানা অফিসার ইনচার্জ মো. শামীম হাওলাদার জানান, মারামারির খবর পাওয়া গেছে। লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। উৎস: কালের কণ্ঠ।