শিরোনাম
◈ অর্থনৈতিক পুনরুজ্জীবন ও বৃহৎ শক্তির ভারসাম্যের চ্যালেঞ্জে বাংলাদেশ ◈ বিশ্বকা‌পের প্রস্তু‌তি ম‌্যা‌চে ‌রোববার সকা‌লে মিশরের মুখোমুখি ব্রাজিল ◈ অপরাধী শনাক্তে ঢাকায় এআই প্রযুক্তি: ২ লাখ অপরাধীর তথ্য যুক্ত হচ্ছে, মুখমণ্ডল শনাক্ত করে পাঠাবে তাৎক্ষণিক সতর্কবার্তা ◈ এবা‌রের বিশ্বকা‌পে আ‌র্জেন্টিনা ক‌তোটা শ‌ক্তিশালী, রোববার সকা‌লে পরীক্ষা নে‌বে হন্ডুরাস ◈ দেশের শিশুস্বাস্থ্যে গবেষণার কেন্দ্র বাংলাদেশ শিশু হাসপাতাল, তবু শয্যা ও প্রযুক্তি সংকট ◈ কাল শুরু হচ্ছে সরকারের প্রথম বাজেট অধিবেশন, বাজেটের সম্ভাব্য আকার ৯ লাখ ৩০ হাজার কোটি টাকা ◈ 'অনেক কষ্টে এসএসসি পাস করেছে' কুমিল্লা জেলা পরিষদ প্রশাসককে নিয়ে আসিফের কড়া মন্তব্য; দিলেন বরাদ্দের ব্যাখ্যা ◈ তুরস্ক কেন বাংলাদেশের সঙ্গে সামরিক সহযোগিতা বাড়াতে চাইছে? ◈ ট্রাম্পের জন্য ‘বিশ্বাসের পরীক্ষা’: জব্দকৃত ২৪ বিলিয়ন ডলার ফেরত চায় ইরান ◈ বাংলাদেশ-তুরস্ক সম্পর্ক জোরদারে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে হাকান ফিদানের বৈঠক

প্রকাশিত : ১১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ০৬:৫২ বিকাল
আপডেট : ০৪ জুন, ২০২৬, ০৯:০০ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

পাইকগাছায় সাংবাদিকরা বঞ্চিত হলেও এলজিইডির তৃতীয় শ্রেণীর কর্মচারী পেয়েছে ‘পর্যবেক্ষক কার্ড’

শেখ সেকেন্দার আলী, পাইকগাছা: খুলনার পাইকগাছায় মুল ধারার অনেক গণমাধ্যম কর্মীদের পর্যবেক্ষক কার্ড’ ও বাইকের স্টিকার না পেলেও এলজিইডির তৃতীয় শ্রেণীর কর্মচারীর হাতে ‘ দেখা গেছে কার্ড। এই চরম অবহেলার অভিযোগে উঠেছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে। এছাড়াও সাংবাদিকতা পেশায় জড়িত নয় এম ব্যাক্তিরা  পর্যবেক্ষক কার্ড পেয়েছেন। যা নিয়ে খবের সৃষ্টি হয়েছে উপজেলায়। উপজেলা নির্বাচন কমিশনার বলছেন, আমাদের কিছুই করার নেই। সব জেলা থেকে অনুমোদন দেয়া হয়েছে। তাহলে মূলধারার গুন গণমাধ্যম কর্মীরা কাগজপত্র সব জমা দিল কেন কার্ড পেল না এর উত্তরে তিনি বলেন, আমাদের কিছুই করার নেই। এই ঘটনায় উপজেলা জুড়ে চলছে সমালোচনা।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে ঘিরে যখন সারাদেশে প্রশাসনের নিরপেক্ষতা ও নির্বাচনী আচরণবিধি মানার প্রশ্নে কড়া নজরদারি চলছে, তখন পাইকগাছায় একাধিক বিতর্কিত ঘটনার অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয়ভাবে আলোচনায় এসেছেন এস এম ইসরাফিল আহমেদ—যিনি এলজিইডি পাইকগাছা অফিসের তৃতীয় শ্রেণীর কর্মচারী হিসেবে কর্মরত বলে জানা গেছে। একই সঙ্গে তিনি একজন ঠিকাদার ও ওএমএস ডিলার হিসেবেও পরিচিত।

স্থানীয়দের অভিযোগ, সরকারি কর্মচারী হয়েও তিনি কীভাবে ‘নির্বাচিত পর্যবেক্ষক’ পরিচয়ে একটি কার্ড সংগ্রহ করলেন এবং তার মোটরসাইকেলে কীভাবে নির্বাচন সংশ্লিষ্ট স্টিকার ব্যবহার করছেন—তা নিয়ে জনমনে গুরুতর প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। নির্বাচন কমিশনের আচরণবিধি অনুযায়ী, সরকারি কর্মচারীদের রাজনৈতিক বা নির্বাচন সংশ্লিষ্ট কোনো পক্ষপাতমূলক কর্মকাণ্ডে যুক্ত থাকার সুযোগ নেই। সে ক্ষেত্রে একজন তৃতীয় শ্রেণীর কর্মচারীর হাতে এমন পরিচয়পত্র ও স্টিকার থাকা স্বাভাবিকভাবেই সন্দেহের জন্ম দেয়।

এ বিষয়ে স্থানীয় একাধিক সচেতন নাগরিক জানান, “যদি তিনি সত্যিই সরকারি কর্মচারী হয়ে থাকেন, তাহলে তার কাছে এই পর্যবেক্ষক কার্ড কীভাবে এলো—সেটার স্বচ্ছ ব্যাখ্যা দরকার। নইলে সাধারণ মানুষের মধ্যে নির্বাচন নিয়ে আস্থার সংকট তৈরি হবে।”

আরও প্রশ্ন উঠেছে—একই ব্যক্তি একদিকে সরকারি দপ্তরের কর্মচারী, অন্যদিকে ঠিকাদার ও ওএমএস ডিলার হিসেবে কীভাবে দায়িত্ব পালন করছেন? নিয়ম অনুযায়ী সরকারি চাকরিতে থাকা অবস্থায় এ ধরনের বাণিজ্যিক কর্মকাণ্ডের বিষয়টিও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের খতিয়ে দেখার কথা। এ প্রসঙ্গে এস এম ইসরাফিল আহমেদের বক্তব্য জানতে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত তার কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।

নির্বাচনকে ঘিরে স্বচ্ছতা ও নিরপেক্ষতা নিশ্চিত করতে এ ধরনের অভিযোগ দ্রুত তদন্তের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় সচেতন মহল। তাদের মতে, প্রশাসনের ভেতর থেকে যদি কেউ প্রভাব খাটানোর সুযোগ পায়, তাহলে তা সুষ্ঠু নির্বাচনের পরিবেশকে প্রশ্নবিদ্ধ করবে।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়