শিরোনাম
◈ যে কারণে হোটেলের বুকিং বাতিল করে কক্সবাজার ছাড়ছেন পর্যটকরা! ◈ আসিফ আকবর আটক হননি, গুজব উড়িয়ে দিলেন নিজেই! ◈ অর্থনৈতিক পুনরুজ্জীবন ও বৃহৎ শক্তির ভারসাম্যের চ্যালেঞ্জে বাংলাদেশ ◈ বিশ্বকা‌পের প্রস্তু‌তি ম‌্যা‌চে ‌রোববার সকা‌লে মিশরের মুখোমুখি ব্রাজিল ◈ অপরাধী শনাক্তে ঢাকায় এআই প্রযুক্তি: ২ লাখ অপরাধীর তথ্য যুক্ত হচ্ছে, মুখমণ্ডল শনাক্ত করে পাঠাবে তাৎক্ষণিক সতর্কবার্তা ◈ এবা‌রের বিশ্বকা‌পে আ‌র্জেন্টিনা ক‌তোটা শ‌ক্তিশালী, রোববার সকা‌লে পরীক্ষা নে‌বে হন্ডুরাস ◈ দেশের শিশুস্বাস্থ্যে গবেষণার কেন্দ্র বাংলাদেশ শিশু হাসপাতাল, তবু শয্যা ও প্রযুক্তি সংকট ◈ কাল শুরু হচ্ছে সরকারের প্রথম বাজেট অধিবেশন, বাজেটের সম্ভাব্য আকার ৯ লাখ ৩০ হাজার কোটি টাকা ◈ 'অনেক কষ্টে এসএসসি পাস করেছে' কুমিল্লা জেলা পরিষদ প্রশাসককে নিয়ে আসিফের কড়া মন্তব্য; দিলেন বরাদ্দের ব্যাখ্যা ◈ তুরস্ক কেন বাংলাদেশের সঙ্গে সামরিক সহযোগিতা বাড়াতে চাইছে?

প্রকাশিত : ০৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ০৭:৪৮ বিকাল
আপডেট : ০৪ জুন, ২০২৬, ০৯:০০ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন কক্সবাজারের ৫৯৮ ভোট কেন্দ্রে সিসিটিভি

সরওয়ার আজম মানিক, কক্সবাজার: ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে জেলার ৫৯৮ ভোট কেন্দ্রে বসানো হচ্ছে সিসিটিভি। ইতিমধ্যে কক্সবাজার জেলায় ৩৮৬ টি ঝুঁকিপূর্ণ ভোটকেন্দ্রে সিসিটিভি বসানোর কাজ শেষ পর্যায়ে। অবশিষ্ট ২১২ কেন্দ্রে স্থানীয় সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তাগণ নিজস্ব বরাদ্দের মাধ্যমে স্থাপন করছেন সিসিটিভি।

প্রতিটি ভোট কেন্দ্রের জন্য ৬টি ক্যামেরা বসানোর নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে নির্বাচন কমিশন থেকে। ৬টি ক্যামেরার মধ্যে একটি ক্যামেরা স্থাপন করা হচ্ছে প্রিসাইডিং অফিসারের কক্ষে। দুইটি ক্যামেরা স্থাপন করা হচ্ছে সহকারি প্রিসাইডিং অফিসার ও পোলিং অফিসারের কক্ষে। অবশিষ্ট তিনটি ক্যামেরা স্থাপন করা হচ্ছে ভোট কেন্দ্রের সম্মুখভাগ এবং পিছনে। একটি অবাধ সুস্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন করার জন্য যে সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন করা দরকার নির্বাচন কমিশন ইতিমধ্যে ৯০ ভাগ সম্পন্ন করেছে বলে জানিয়েছেন জেলা নির্বাচন অফিসার মো: আ: আজিজ। একটি ভোট কেন্দ্রে সিসিটিভি স্থাপনে বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে ৩২ হাজার ৮০০ টাকা করে।

জেলায় কেন্দ্রীয় ভাবে ৩৮৬ টি ঝুঁকিপূর্ণ ভোটকেন্দ্রের জন্য সিসিটিভি স্থাপনে বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে ১ কোটি ২৬ লক্ষ ৬০ হাজার ৮০০ টাকা। ইতিমধ্যে ৮০ শতাংশ ভোট কেন্দ্রে সিসিটিভি স্থাপন প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়েছে বলে জানিয়েছেন জেলা নির্বাচন অফিসার। তিনি সকলের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় একটি সুষ্ঠু অবাধ ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন প্রক্রিয়া সম্পন্নের জন্য সকলের সহযোগিতা কামনা করেছেন।

জেলা নির্বাচন কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, জেলার চারটি সংসদীয় আসনে আবারও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন করার জন্য নির্বাচন কমিশন বদ্ধপরিকর। সারা দেশের ন্যায় ঝুঁকিপূর্ণ ও অতি ঝুঁকিপূর্ণ ভোটকেন্দ্র সমূহের জন্য স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয় থেকে বিশেষ বরাদ্দের আওতায় নির্বাচন কমিশনকে সিসিটিভি স্থাপনের জন্য বরাদ্দ দেওয়া হয়। বরাদ্দপত্রে উল্লেখ করা হয় সিসিটিভি স্থাপনের পর বেছে যাওয়া ঢাকা অর্থবছরের জুনের মধ্যে ফেরত প্রদান করার নির্দেশনা প্রদান করা হয়। জেলার সংসদীয় চারটি আসনের ৫৯৮ টি ভোট কেন্দ্রের মধ্যে ৩৮৬ ভোট কেন্দ্রের উপজেলা ভিত্তিক সিসিটিভির আওতায় আনা ভোট কেন্দ্র সমূহের উপজেলা ভিত্তিক বরাদ্দের পরিমাণ হলো কক্সবাজার সদরের ৩৫টি ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রের জন্য ৩২ হাজার ৮০০ টাকা করে ১১ লক্ষ ৪৮ হাজার টাকা, রামু উপজেলার ৪০ ভোটকেন্দ্রের জন্য ১৩ লাখ ১২ হাজার টাকা, উখিয়া উপজেলার ৪৮টি ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রের জন্য ১৫ লক্ষ ৭০ হাজার ৪০০ টাকা, টেকনাফ উপজেলার ২৫টি ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রের সিসিটিভি স্থাপনের জন্য ৮ লক্ষ বিশ হাজার টাকা, মহেশখালী উপজেলার ৮৬টি ভোট ২৮ লক্ষ ২০ হাজার ৮০০ টাকা, পেকুয়া উপজেলার ২০ ভোটকেন্দ্রের জন্য ৬ লক্ষ ৫৬ হাজার টাকা, কুতুবদিয়া উপজেলার ৩৫টি ঝুঁকিপূর্ণ ভোটকেন্দ্রের জন্য ১১ লক্ষ ৪৮ হাজার টাকা, চকরিয়া উপজেলার ৭৩টি ভোট কেন্দ্রের জন্য ২৩ লক্ষ ৯৪ হাজার ৪০০ টাকা, ঈদগাহ উপজেলার ২৪ টি ভোটকেন্দ্রের জন্য ৭ লক্ষ ৮৭ হাজার ২০০ টাকা বরাদ্দ দেয়া হয়েছে।

জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মোঃ আ: আজিজ জানান, কক্সবাজারের চারটি সংসদীয় আসনে ৫৯৮টি ভোট কেন্দ্রের মধ্যে ৩৮৬টি ভোট কেন্দ্রের সিসিটিভি স্থাপনের টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে কেন্দ্রীয়ভাবে এবং ২১২ টি কেন্দ্রের সিসিটিভি স্থাপনের ব্যয় নির্বাহ করছেন সংশ্লিষ্ট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাগণ। ৫৯৮ কেন্দ্রের ৩৬৮৯ ভোট কক্ষে সিসিটিভি স্থাপন ভোট কেন্দ্রের নিরাপত্তা নিশ্চিত করবে। পাশাপাশি একটি গ্রহণযোগ্য নিরপেক্ষ নির্বাচনের মডেল হিসাবে উদাহরণ হয়ে থাকবে।

উল্লেখ্য, কক্সবাজার চারটি সংসদীয় আসনে সর্বমোট ১৮ লাখ ৪৯ হাজার ৯৯২ জন ভোটার তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করবেন ১২ ফেব্রুয়ারি। এবারই প্রথম সেনা, নৌ ও বিমান বাহিনী নির্বাচনে আইশৃঙ্খলা রক্ষায় মাঠে থাকবে। পাশাপাশি র‍্যাব, পুলিশ, বিজিবি, আনসার ও কোস্টগার্ড নির্বাচনী মাঠে কঠোরভাবে নিয়োজিত থাকবে বলে জানান কর্মকর্তা।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়