শিরোনাম
◈ ট্রাম্পের জন্য ‘বিশ্বাসের পরীক্ষা’: জব্দকৃত ২৪ বিলিয়ন ডলার ফেরত চায় ইরান ◈ বাংলাদেশ-তুরস্ক সম্পর্ক জোরদারে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে হাকান ফিদানের বৈঠক ◈ বিদ্যুৎ খাতে হযবরল, অলস সক্ষমতার বিপুল ভার মানুষের ওপর  ◈ মূল্যবৃদ্ধির চাপ ধনীদের ওপর, ৬৫ শতাংশ সাধারণ মানুষ সুরক্ষিত: তথ্যমন্ত্রী ◈ জুয়া নিয়ন্ত্রণে গোয়েন্দাদের বাড়তি ক্ষমতা, সন্দেহ হলেই তল্লাশি ও গ্রেপ্তার করতে পারবে, অপব্যবহারের আশঙ্কা বিশেষজ্ঞদের ◈ অনলাইন ঝড় থেকে রাজপথে: শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ দাবিতে দিল্লিতে ‘ককরোচ জনতা পার্টি’র বিক্ষোভ, থাকছেন সোনম ওয়াংচুক-ও ◈ ১১ দলীয় জোটে আবার ভাঙনের গুঞ্জন, বেরিয়ে গেছে বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলন, ১০ জুন আসতে পারে ঘোষণা ◈ পোষা বিড়াল কি বাড়ায় মানসিক রোগের ঝুঁকি? নতুন গবেষণায় আলোচনার ঝড়! ◈ দেশের বাজারে টানা দুই দফায় স্বর্ণের দাম কমেছে ভরিপ্রতি ৮ হাজার ৭৪৮ টাকা ◈ প্রথম সফরে মালয়েশিয়া কেন বেছে নিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান? : ইন্ডিয়া টুডের প্রতিবেদন

প্রকাশিত : ১২ জানুয়ারী, ২০২৬, ০৬:৫৩ বিকাল
আপডেট : ১৭ এপ্রিল, ২০২৬, ০৭:০০ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

প্রচণ্ড শীত উপেক্ষা করে আবাদে ব্যস্ত সময় পার করছে আগৈলঝাড়ার বোরো চাষীরা

বরুন কুমার বাড়ৈ, আগৈলঝাড়া (বরিশাল) প্রতিনিধিঃ বরিশালে আগৈলঝাড়া  প্রচণ্ড শীত উপেক্ষা করে পুরোদমে শুরু হয়েছে বোরো ধান রোপন। জমি চাষ ও ধান রোপণে চলছে যেন এক প্রতিযোগিতা। জমিতে হালচাষ, বীজতলা থেকে ধানের চারা উত্তোলন, জমিতে পানি দেওয়া এবং চারা রোপণের কাজে দিন-রাত ব্যস্ত সময় পার করছেন কৃষকরা। প্রচণ্ড শীতের কারনে দিনমজুর শ্রমিকদের মজুরি বেড়ে গেছে। চলতি বছর উপজেলার ৫টি ইউনিয়নে ৯ হাজার ৬শত ৫০ হেক্টর জমিতে রোরো চাষাবাদ করা হবে। যার উৎপাদন লক্ষ্যমাত্র নির্ধারণ করা হয়েছে ৫২ হাজার ৩শত ২৩ মেট্রিক টন চাল।

গত বছর যেখানে শ্রমিকদের দৈনিক পারি শ্রমিক ছিল ৪০০ থেকে ৫০০ টাকা, সেখানে এবার তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৬০০ থেকে ৭০০ টাকায়। তবুও প্রয়োজন অনুযায়ী শ্রমিক পাওয়া যাচ্ছে না বলে জানান গৈলা গ্রামের কৃষক মোঃ দিনইসলাম সরদার ও তালতা গ্রামের অশোক হালদার। শ্রমিক সংকটের কারণে অনেক কৃষক পরিবারের ছোট-বড় সদস্যদের সঙ্গে নিয়ে নিজেরাই জমিতে নেমে পড়েছেন। কার আগে কে জমিতে ধান রোপন শেষ করবেন। এ নিয়ে বিলাঞ্চলে চলছে প্রতিযোগিতা। এর ফলে জমি হালচাষে ব্যবহৃত ট্রাক্টরের চাহিদাও বেড়েছে। সুযোগ বুঝে ট্রাক্টর চালকরাও জমি চাষের মুল্য বাড়িয়ে দিয়েছেন। গত বছর যেখানে প্রতি ২০ শতাংশ  জমি হালচাষে খরচ ছিল ৪০০ থেকে ৫০০ টাকা, সেখানে এবার তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৬ শত থেকে ৭শত টাকা। তারপরও ট্রাক্টর পাওয়ার জন্য কৃষকদের অপেক্ষা করতে হচ্ছে দিনের পর দিন। অনেক জায়গায় জমি সমতল না হওয়ায় উঁচু জমিতে দেখা দিয়েছে পানির সংকট। অনেক কৃষক অতিরিক্ত খরচ করে দীর্ঘ পাইপলাইনের মাধ্যমে পানির মেশিন বসিয়ে নিজের জমিতে নিজের পানি সরবরাহ করতে হচ্ছে।

উপজেলার ৫টি ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, চারদিকে বোরো আবাদের ব্যস্ততা। কনকনে শীত আর কুয়াশাকে হার মানিয়ে মাঠে কাজ করে যাচ্ছেন হার না মানা কৃষক-কৃষানীরা।
এ বিষয়ে আগৈলঝাড়া উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ মোহাম্মাদ ইছা সাংবাদিকদের বলেন, এই উপজেলায় শীতের পূর্বে বীজ ক্ষেত তৈরী করা হয়। যার কারনে কোন বীজ তলার ক্ষতি হয়নি। এখন পর্যন্ত ঘনকুয়াশা বা শীতের কারনে রোপনকৃত ক্ষেতের বোরো ধানের ক্ষতির সংবাদ পাইনি।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়