শিরোনাম
◈ বাংলাদেশ-তুরস্ক সম্পর্ক জোরদারে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে হাকান ফিদানের বৈঠক ◈ বিদ্যুৎ খাতে হযবরল, অলস সক্ষমতার বিপুল ভার মানুষের ওপর  ◈ মূল্যবৃদ্ধির চাপ ধনীদের ওপর, ৬৫ শতাংশ সাধারণ মানুষ সুরক্ষিত: তথ্যমন্ত্রী ◈ জুয়া নিয়ন্ত্রণে গোয়েন্দাদের বাড়তি ক্ষমতা, সন্দেহ হলেই তল্লাশি ও গ্রেপ্তার করতে পারবে, অপব্যবহারের আশঙ্কা বিশেষজ্ঞদের ◈ অনলাইন ঝড় থেকে রাজপথে: শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ দাবিতে দিল্লিতে ‘ককরোচ জনতা পার্টি’র বিক্ষোভ, থাকছেন সোনম ওয়াংচুক-ও ◈ ১১ দলীয় জোটে আবার ভাঙনের গুঞ্জন, বেরিয়ে গেছে বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলন, ১০ জুন আসতে পারে ঘোষণা ◈ পোষা বিড়াল কি বাড়ায় মানসিক রোগের ঝুঁকি? নতুন গবেষণায় আলোচনার ঝড়! ◈ দেশের বাজারে টানা দুই দফায় স্বর্ণের দাম কমেছে ভরিপ্রতি ৮ হাজার ৭৪৮ টাকা ◈ প্রথম সফরে মালয়েশিয়া কেন বেছে নিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান? : ইন্ডিয়া টুডের প্রতিবেদন ◈ শত্রু দেশ যুক্তরা‌স্ট্রে খেলা ইরা‌নের, দেশের মানুষের মুখে হাসি ফোটা‌তে মনপ্রাণ উজাড় ক‌রে খেল‌বেন ইরানি ফুটবলাররা

প্রকাশিত : ০৫ জানুয়ারী, ২০২৬, ০৬:৪৪ বিকাল
আপডেট : ৩০ মে, ২০২৬, ০৪:০০ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

নবীনগরে শৈত্য প্রবাহের প্রভাবে কৃষি উৎপাদনে শঙ্কা

মো. কামরুল ইসলাম, নবীনগর (ব্রাহ্মণবাড়িয়া) প্রতিনিধি: গত এক সপ্তাহে ধরে সারাদেশের ন্যায় নবীনগর উপজেলা জুড়ে শৈত্যপ্রবাহ বিরাজ করছে। বছরের এই সময়ে কৃষি নিয়ে ব্যস্ত সময় পার করছে কৃষক।

শৈত্যপ্রবাহে কৃষি ক্ষেত্রে ব্যাপক ক্ষতি হয়, বিশেষত বোরো ধানের বীজতলা হলুদ হয়ে মরে যায়, আলু, সরিষা, পেঁয়াজ, টমেটো, শিম, লাউ, করলাসহ বিভিন্ন শীতকালীন সবজি ও ফসলের মুকুল ও পাতা কালো হয়ে যায়, যা ফলন মারাত্মকভাবে হ্রাস করে। তীব্র শীতে ফসলের স্বাভাবিক বৃদ্ধি ব্যাহত হয়, ডগা মরে যায় এবং রোগবালাইয়ের প্রকোপ বাড়ে, যা কৃষকের ব্যাপক আর্থিক ক্ষতির কারণ হয়। ঘন কুয়াশা ও তীব্র শীতে বীজতলা হলুদ হয়ে যায় এবং চারা মারা যায়, যা পরবর্তী রোপণ মৌসুমকে প্রভাবিত করে।

সরেজমিনে পরিদর্শন করে দেখা যায় কাইতলা উত্তর, নাটঘর, নবীনগর পূর্ব, শিবপুর, বিদ্যাকুট ইউনিয়নের হাওরের ধান রোপণ পুরোদমে চলছে। আবার অপেক্ষাকৃত উচু জমি ইব্রাহিমপুর, লাউরফতেহপুর, জিনদপুর ইউনিয়নে বীজতলা তৈরি এবং পরিচর্যায় ব্যস্ত কৃষক। উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা যায়, চলতি মৌসুমে ৯০৫ হেক্টর জমির বীজতলা তৈরি হয়েছে, যা দিয়ে রেকর্ড ১৮১০০ হেক্টর জমিতে বোরো ধান উৎপাদিত হবে। শৈত প্রবাহে শীতের প্রকোপ থেকে বীজতলা রক্ষার্থে উপসহকারী কৃষি অফিসারদের পরামর্শে বোরো ধানের বীজতলায় কৃষক বিকেলে সেচ দিচ্ছে, সেই পানি সকালে বের করে দিয়ে আবার নতুন পানি দিচ্ছে প্রতিদিন সকালে চারার ওপর জমা হওয়া শিশির ঝরিয়ে নিতে কাজ করছে।

এই দিকে নবীনগর উপজেলায় ২৪৫ হেক্টর জমিতে আলু এবং ২১০ হেক্টর জমিতে শীতকালীন টমেটো আবাদ হচ্ছে। আবহাওয়ার বর্তমান পরিস্থিতিতে আলু এবং টমেটোর নাবী ধ্বসা রোগের আক্রমণ দেখা দিচ্ছে। উপজেলা কৃষি অফিস থেকে কৃষকদের নাবী ধ্বসা রোগের প্রতিরোধের জন্য অনুমোদিত মাত্রায় ম্যানকোজেব গোত্রের ছত্রাকনাশক ৫ থেকে ৭ দিন পর পর স্প্রে করতে পরামর্শ দিচ্ছে। নবীনগর উপজেলায় প্রায় ৪১০০ হেক্টর জমিতে সরিষা আবাদ হচ্ছে। তীব্র শীতে সরিষায় রোগ বালাই এবং পলিনেশনে সমস্যা হতে পারে এমনটা মনে করছে স্থানীয় কৃষকবৃন্দ।

শৈত্য প্রবাহের প্রভাবে কৃষকদের করনীয় নিয়ে সম্পর্কে উপজেলা কৃষি অফিসার মোঃ জাহাঙ্গীর আলম লিটন জানান, কৃষিতে আবহাওয়া এবং জলবায়ু পরিবর্তন চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করেই সবসময় কৃষকদের কাজ করতে হয়। শৈত্য প্রবাহে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয় রবি শস্য এবং বোরো বীজতলা। আমরা কৃষকদের শুরু থেকেই প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করতে পরামর্শ দিয়ে আসছি। আশাকরি দ্রুত আবহাওয়া অনূকুলে চলে আসবে।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়