শিরোনাম
◈ যে কারণে মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে যুক্তরাষ্ট্রের সতর্কতা জারি, নেপথ্যে যা জানা গেল ◈ জাতীয়কৃত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-কর্মচারীদের জরুরি নির্দেশনা ◈ ভারতবিরোধী কর্মকাণ্ডের অংশ হিসেবে দিল্লি থেকে টাকা আসছে কলকাতায়, উসকানি ছড়াচ্ছে বাংলাদেশ থেকে: দিলীপ ঘোষ ◈ ইশরাক হোসেনের পদত্যাগপত্র গ্রহণ, মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক প্রতিমন্ত্রীর পদত্যাগ কার্যকর ◈ নাটোরে বাস-ট্রাকের মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত ১৪, চালকসহ ৭ জনের পরিচয় শনাক্ত ◈ ভারতের আসামে দুই দিনে ১১০০ বাঙালি মুসলিম পরিবার উচ্ছেদ, ভাঙা হলো ১০টির বেশি মসজিদ ◈ ১৪৮ দিন পর জয়ের দেখা, স্বস্তিতে টটেনহ্যাম ◈ সব ধর্মের মানুষের ঐক্যে সুন্দর বাংলাদেশ গড়ার আহ্বান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ◈ অতিরিক্ত উৎপাদনে আলুর দরপতন, কেজিতে ১৪ টাকা পর্যন্ত লোকসানে কৃষক ◈ মব থামছে না, দিন‌কে দিন রাজ‌নৈ‌তিক চেহারা পা‌চ্ছে, নেপথ্যে কী?

প্রকাশিত : ০২ নভেম্বর, ২০২৫, ০৬:১২ বিকাল
আপডেট : ২২ আগস্ট, ২০২৬, ০৯:০০ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

উৎপাদন বন্ধ ঘোড়াশাল-পলাশ সার কারখানায়, গঠন তদন্ত কমিটি

মাহবুব সৈয়দ, পলাশ (নরসিংদী) প্রতিনিধি: দক্ষিণ এশিয়ার সর্ববৃহৎ ইউরিয়া সার উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান ঘোড়াশাল-পলাশ ইউরিয়া সার কারখানায় চার দিন ধরে সার উৎপাদন বন্ধ রয়েছে। যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে গত ৩০ অক্টোবর (বৃহস্পতিবার) রাত ২টার দিকে উৎপাদন বন্ধ হয়ে যায় বলে জানা গেছে।

কারখানার একটি সূত্র জানায়, উৎপাদন বন্ধ থাকায় প্রতিদিন প্রায় ২ হাজার ৮০০ মেট্রিক টন ইউরিয়া সার উৎপাদন ব্যাহত হচ্ছে। বর্তমানে ধান ও শাকসবজির ভরা মৌসুমে এই পরিস্থিতি সার সরবরাহে প্রভাব ফেলতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন সচেতন মহল।

প্রায় ১৫ হাজার কোটি টাকা ব্যয়ে প্রতিষ্ঠিত এই কারখানাটি দেশের বৃহত্তম ইউরিয়া সার উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান হিসেবে পরিচিত।

কারখানার জিএম (কারিগরি) সরফরাজ খান জানান, উৎপাদন বন্ধের কারণ অনুসন্ধানে তাকে প্রধান করে তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটিকে তিন দিনের মধ্যে উৎপাদন বন্ধের কারণ ও করণীয় বিষয়ে প্রতিবেদন দিতে বলা হয়েছে।

Advertisement

জিএম (বাণিজ্য) আতিকুর রহমান খান বলেন, “যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে উৎপাদন বন্ধ হয়েছে। তবে কারখানায় বর্তমানে বস্তা ও খোলা অবস্থায় প্রায় ২৪ হাজার মেট্রিক টন ইউরিয়া সার মজুদ রয়েছে। গত অর্থবছরে ৮ লাখ মেট্রিক টন লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হলেও উৎপাদন হয়েছে ৮ লাখ ১৬ হাজার মেট্রিক টন।”

কারখানার জিএম (প্রশাসন) মো. ফখরুল আলম বলেন, “উৎপাদন সাময়িকভাবে বন্ধ করা হলেও দ্রুতই পুনরায় চালু হবে বলে আশা করা হচ্ছে। গুদামে পর্যাপ্ত সার মজুদ থাকায় তাত্ক্ষণিক কোনো সার সংকট হবে না।”

প্রায় ১৫ হাজার কোটি টাকায় নির্মিত এই সার কারখানাটি ২০২৩ সালের ১২ নভেম্বর আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করা হয়। এর বার্ষিক উৎপাদন সক্ষমতা ১০ লাখ মেট্রিক টন ইউরিয়া সার। গত অর্থবছরে উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে গেছে এই কারখানাটি, যা দেশের সার উৎপাদনে একটি বড় মাইলফলক হিসেবে বিবেচিত।