শিরোনাম
◈ সুখবর পেলেন ঋতুপর্ণারা, ফিফা নারী র‍্যাংকিংয়ে এক ধাপ এগিয়ে ১০৬ নম্বরে বাংলাদেশ ◈ রাজশাহীতে ৩৮ হাজার ৯৭০ আখচাষিকে ১২ কোটি টাকার প্রণোদনা দিলেন তারেক রহমান ◈ শাহজালাল বিমানবন্দরে স্টোর ভবনে আগুন ◈ প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের জাপান সফর ২৬ অক্টোবর, সই হবে অন্তত ৪ সমঝোতা স্মারক ◈ যে কারণে মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে যুক্তরাষ্ট্রের সতর্কতা জারি, নেপথ্যে যা জানা গেল ◈ জাতীয়কৃত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-কর্মচারীদের জরুরি নির্দেশনা ◈ ভারতবিরোধী কর্মকাণ্ডের অংশ হিসেবে দিল্লি থেকে টাকা আসছে কলকাতায়, উসকানি ছড়াচ্ছে বাংলাদেশ থেকে: দিলীপ ঘোষ ◈ ইশরাক হোসেনের পদত্যাগপত্র গ্রহণ, মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক প্রতিমন্ত্রীর পদত্যাগ কার্যকর ◈ নাটোরে বাস-ট্রাকের মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত ১৪, চালকসহ ৭ জনের পরিচয় শনাক্ত ◈ ভারতের আসামে দুই দিনে ১১০০ বাঙালি মুসলিম পরিবার উচ্ছেদ, ভাঙা হলো ১০টির বেশি মসজিদ

প্রকাশিত : ২৮ অক্টোবর, ২০২৫, ০৯:২০ রাত
আপডেট : ২৯ জুলাই, ২০২৬, ১১:০০ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

লাল চাদরে ঢাকা যেন গোমতী নদীর চর

ফারুক আহাম্মদ, ব্রাহ্মণপাড়া (কুমিল্লা) প্রতিনিধিঃ দূর থেকে দেখলে মনে হবে যেন কুমিল্লার ব্রাহ্মণপাড়ার গোমতী নদীর চর লাল চাদরে ঢাকা রয়েছে। এই লাল চাদর আসলে চরের জমিতে চাষ করা লালশাক। শীতকালীন শাকসবজি হিসেবে এই লালশাক চাষ করেছেন চরাঞ্চলের কৃষকরা। আগাম লালশাকে তারা লাভবান হওয়ার স্বপ্ন দেখছেন।

সরেজমিনে গোমতীর চরাঞ্চলে দেখা গেছে, কৃষকরা ফসলের পরিচর্যা করছেন। কেউ জমি থেকে আগাছা পরিষ্কার করছেন। কেউ কেউ জমিতে সেচ দিচ্ছেন। কেউ জমিতে ছিটাচ্ছেন বালাইনাশক। বৃষ্টিপাত না থাকার কারণে জমিতে কেউ কেউ সেচ দিচ্ছেন। এ ছাড়াও গোমতী চরে আবাদ করা হয়েছে ধনেপাতা, পুঁইশাক, লাউ, মুলা, খিরা, ফুলকপি, বাঁধাকপি, শিম, টমেটো, পালংশাক, ডাটাসহ নানা জাতের আগাম শীতকালীন সবজি। কৃষকদের পদচারণায় মুখরিত গোমতী চর। চরাঞ্চলের কৃষকরা জানান, প্রতিবছর গোমতী নদীর চরে আগাম শাকসবজির আবাদ করা হয়। মৌসুম শুরুর আগেই এসব শাকসবজি বিক্রি করে লাভবান হওয়ার জন্যই চরে আগাম শাকসবজির আবাদ করা হয়। প্রতি বারের মতো এবারও গোমতী চরে নানা জাতের শাকসবজি আবাদ করা হয়েছে।

গোমতী চরের কৃষক সফিকুল ইসলাম বলেন, গোমতী চরে আমার ২৬ শতক জমি রয়েছে। এই জমিতে লালশাক, মুলা, ধনেপাতা, টমেটো ও ফুলকপি চাষ করেছি। মুলা ও ফুলকপি সংগ্রহ করে বিক্রি করছি। লালশাক জমিতে বড় হয়ে উঠছে আশা করছি আগামী সপ্তাহ খানেকের মধ্যে লালশাক বিক্রি উপযোগী হবে। আশা করছি মুলা ও ফুলকপির মতো লালশাকেও এবার লাভবান হবো।

মনু মিয়া নামে এক কৃষক বলেন, এবার লালশাক চাষ করেছি ১২ শতক জমিতে। লালশাক বড় হয়ে উঠছে। কিছুদিন গেলেই বিক্রয় উপযোগী হবে। লালশাক ছাড়াও চরে অন্যান্য সবজি আবাদ করা হয়েছে। কিছু কিছু সবজি বাজারজাত করা হচ্ছে। আশা করছি প্রাকৃতিক কোন দুর্যোগ না হলে এবার আগাম সবজিতে লাভবান হবো।

ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ মো. মাসুদ রানা বলেন, গোমতীর চরে প্রতিবছরই কৃষকরা আগাম শাক সবজির আবাদ করে আসছে। এবারও তার ব্যতিক্রম নয়। কৃষকরা ইতোমধ্যে কিছু কিছু শাক সবজি বাজারজাত করছেন। লাল শাক এখনো বিক্রয় উপযোগী না হলেও আশা করছি ফলন ভালো হবে। তিনি বলেন, কৃষকদের কৃষি কাজে আগ্রহী করতে ও কৃষি পণ্য উৎপাদন বৃদ্ধির লক্ষ্যে সব ধরনের পরামর্শ ও সহযোগিতা করে যাচ্ছে উপজেলা কৃষি অফিস।