শিরোনাম
◈ প্রবাসীদের মামলা দ্রুত নিষ্পত্তিতে বিশেষ আদালত গঠনের পরিকল্পনা সরকারের: আইনমন্ত্রী ◈ রিয়াদ বিমানবন্দরে হামলার আগে 'ওয়ার্নিং সিস্টেম' বন্ধ রেখেছিল সৌদি আরব, নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন ◈ হাসপাতালে সাড়ে চারশ রোগী সামলানো একা ডিউটিরত নারী ডাক্তারকে স্থানীয় নেতার হ্যানস্তা অভিযোগ, ভিডিওতে যা বললেন ◈ খেলাপি ঋণ থাকা সত্ত্বেও বেক্সিমকোর দুই প্রতিষ্ঠানকে ঋণ সুবিধায় ছাড় দিল বাংলাদেশ ব্যাংক ◈ নিউইয়র্কে ড. ইউনূসের সঙ্গে যা করেছে, তাতে রিকনসিলিয়েশনের সুযোগ দেখি না: তথ্য উপদেষ্টা (ভিডিও) ◈ দুর্যোগ ব্যবস্থাপনার পরিকল্পনা কাগজে সীমাবদ্ধ না রাখার তাগিদ রাষ্ট্রপতির ◈ বিশ্বব্যাংকের কাছ থেকে অতিরিক্ত ১০ বিলিয়ন ডলার ঋণ পেতে আলোচনা চলছে: অর্থমন্ত্রী ◈ অন্ধকারেও সীমান্তে নজরদারি বাড়াচ্ছে বিজিবি, ব্যবহৃত হচ্ছে থার্মাল ও নাইট ভিশন প্রযুক্তি ◈ ভোলায় এক নারীর সঙ্গে ইসলামী আন্দোলনের নেতার আপত্তিকর ভিডিও ভাইরাল, দলীয় পদ থেকে অব্যাহতি ◈ ৬ লাখ কোটি টাকার খেলাপি ঋণ ও সংকটের অন্তরালে: যেভাবে ডুবল ব্যাংক খাত

প্রকাশিত : ০৬ অক্টোবর, ২০২৫, ০৭:১৫ বিকাল
আপডেট : ২২ জুলাই, ২০২৬, ০১:০০ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

লালমোহনে ব্রিজ নয় যেন মরণ ফাঁদ, ১০ হাজার মানুষের দুর্ভোগ

ফরহাদ হোসেন, ভোলা প্রতিনিধি : ভোলার লালমোহনে একটি ব্রিজের জন্য দুই ইউনিয়নের অন্তত ১০ হাজার মানুষ দুর্ভোগে পড়েছেন। দেড় বছর ধরে বিভিন্ন দপ্তরে ঘুরেও ব্রিজটি নির্মাণ না হওয়ায় ঝুঁকি নিয়ে চলতে হচ্ছে স্থানীয়রা। ৩০ বছর আগে উপজেলার কালমা ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের তরুল্লা সেন্টার ও বিশ্বাসের পাড় এলাকার মধ্যবর্তী নাজিরপুর খালের ওপর প্রায় ৩০ মিটার লম্বা আয়রণ ব্রিজটি নির্মাণ করা হয়। প্রায় দেড় বছর আগে ব্রিজটির সামনের অংশ ভেঙে গেছে। আর এতে করে চরমভাবে দুর্ভোগ পোহাচ্ছেন ওই ইউনিয়নের চর ছকিনা, তরুল্লা সেন্টার, বিশ্বাসের পাড় ও বদরপুর ইউনিয়নের চর টিটিয়া গ্রামের প্রায় ১০ হাজার মানুষ।

স্থানীয় বাসিন্দা লোকমান জানান, এ ব্রিজ দিয়ে অনেক ছোট বড় যানবাহন চলাচল করতে। বিশেষ করে অটোরিকশা, মোটরসাইকেল বোরাক, টেম্পু ও নসিমন। কয়েক বছর আগে ব্রিজটির মধ্যবর্তী দুটি অংশ ভেঙে বড় গর্তে পরিণত হয়। পরে স্থানীয়রা কাট দিয়ে গর্ত আটকে দেয়। ব্রিজের রেলিং ভেঙে গেছে। প্রায় দেড় বছর আগে ব্রিজটির সামনের অংশ ভেঙে গেছে। এখন ব্রিজ দিয়ে সব ধরনের যানবাহন চলাচল বন্ধ হয়ে গেছে। ব্রিজটি ভেঙে যাওয়ার এখন মানুষ পায়ে হেঁটে পারাপারও ঝুঁকি হয়ে পরেছেন। অনেকে ব্রিজ দিয়ে পারাপার হতে গিয়ে পরে গিয়ে আহত হয়েছেন।

সাগর জানান, লালমোহন থেকে তাদের এলাকায় যাতায়াতের একমাত্র পথ এটি। ব্রিজ পার হয়ে আমাদের যাতায়াত করতে যেতে হয়। কিন্তু ব্রিজটি ভেঙে যাওয়ার তারা এখন ব্রিজের কাছে এসে পায়ে হেঁটে বাড়িতে যেতে হয়। বাড়ির জন্য বাজার ও চাউলের বস্তা নিয়ে যেতে তাদের অনেক কষ্ট হয়।

একই এলাকার বাসিন্দা রহিম মিয়া জানান, ব্রিজটি ভেঙে যাওয়ার তাদের গ্রামের রোগীদের হাসপাতালে নিয়ে যেতে অনেক কষ্ট হয়। কোনো যানবাহন ও অ্যাম্বুলেন্স চলাচল করতে না পারায় ভোগান্তিতে পরতে হয়। অনেক সময় রোগীদের বাড়িতে থেকে প্রায় এক কিলোমিটার পথ পায়ে হেঁটে ভাঙা ব্রিজ পার হয়ে হাসপাতালে যেতে হয়।

Advertisement

স্কুলছাত্রী নাজমা জানান, প্রতিদিন ভাঙা ব্রিজ পার হয় স্কুলে যেতে হয়। ভয় নিয়েও ঝুঁকি নিয়ে পারাপার হতে হয় আমাদের। দীর্ঘদিন ধরে ব্রিজটি ভাঙা অবস্থায় মরণফাঁদে পরিণত হলেও সংস্কার কিংবা নতুন করে ব্রিজ নির্মাণের উদ্যোগ না নেওয়ায় ক্ষোভ স্থানীয় বাসিন্দাদের। দ্রুত ভাঙা ব্রিজটি অপসরণ করে নতুন করে ব্রিজ নির্মাণের দাবি জানিয়েছেন তারা।

উপজেলার এলজিইডির প্রকৌশলী রাজীব সাহা বলেন, ওই আয়রণ ব্রিজসহ লালমোহন উপজেলার আরও কয়েকটি ব্রিজ নতুন করে নির্মাণের জন্য তারা প্রস্তাবনা পাঠানো হয়েছে। বরাদ্দ আসলে নতুন করে ব্রিজ নির্মাণ করে জনগণের ভোগান্তি দূর করা হবে।

 

  • সর্বশেষ