শিরোনাম
◈ প্রবাসীদের মামলা দ্রুত নিষ্পত্তিতে বিশেষ আদালত গঠনের পরিকল্পনা সরকারের: আইনমন্ত্রী ◈ রিয়াদ বিমানবন্দরে হামলার আগে 'ওয়ার্নিং সিস্টেম' বন্ধ রেখেছিল সৌদি আরব, নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন ◈ হাসপাতালে সাড়ে চারশ রোগী সামলানো একা ডিউটিরত নারী ডাক্তারকে স্থানীয় নেতার হ্যানস্তা অভিযোগ, ভিডিওতে যা বললেন ◈ খেলাপি ঋণ থাকা সত্ত্বেও বেক্সিমকোর দুই প্রতিষ্ঠানকে ঋণ সুবিধায় ছাড় দিল বাংলাদেশ ব্যাংক ◈ নিউইয়র্কে ড. ইউনূসের সঙ্গে যা করেছে, তাতে রিকনসিলিয়েশনের সুযোগ দেখি না: তথ্য উপদেষ্টা (ভিডিও) ◈ দুর্যোগ ব্যবস্থাপনার পরিকল্পনা কাগজে সীমাবদ্ধ না রাখার তাগিদ রাষ্ট্রপতির ◈ বিশ্বব্যাংকের কাছ থেকে অতিরিক্ত ১০ বিলিয়ন ডলার ঋণ পেতে আলোচনা চলছে: অর্থমন্ত্রী ◈ অন্ধকারেও সীমান্তে নজরদারি বাড়াচ্ছে বিজিবি, ব্যবহৃত হচ্ছে থার্মাল ও নাইট ভিশন প্রযুক্তি ◈ ভোলায় এক নারীর সঙ্গে ইসলামী আন্দোলনের নেতার আপত্তিকর ভিডিও ভাইরাল, দলীয় পদ থেকে অব্যাহতি ◈ ৬ লাখ কোটি টাকার খেলাপি ঋণ ও সংকটের অন্তরালে: যেভাবে ডুবল ব্যাংক খাত

প্রকাশিত : ০৬ অক্টোবর, ২০২৫, ০৭:০৯ বিকাল
আপডেট : ১৫ আগস্ট, ২০২৬, ১১:০০ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

চাঁদপুরে নদীতে মাছ ধরায় নিষেধাজ্ঞা : জাল মেরামতে ব্যস্ত জেলেরা

মিজান লিটনঃ দেশের জাতীয় সম্পদ ইলিশের প্রজনন রক্ষায় ২২ দিন জেলার পদ্মা-মেঘনা নদীর ৭০ কিলোমিটার  অভয়াশ্রম এলাকায় ইলিশসহ সব ধরণের মাছ ধরায় নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে সরকার। ৪ অক্টোবর থেকে ২৫ অক্টোবর থেকে মা ইলিশ রক্ষায় এই কর্মসূচি শুরু হয়েছে। অভিযান শুরুর তৃতীয় দিনে

উপকূলীয় জেলা সদরের আনন্দবাজার, লালপুর, কল্যাণপুর, যমুনা রোড, টিলাবাড়ি, পুরান বাজার রনাগোয়াল, দোকানঘর, রামদাসদী, বহরিয়া ও হরিণা ফেরিঘাট পর্যন্ত ঘুরে দেখা গেছে জেলে নৌকা শূন্য নদী। তবে যাত্রী ও মালবাহী অন্যান্য নৌযান চলাচল করছে।

সদরের হরিনা নৌ-ফারির সামনে গিয়ে দেখা যায়। বেশ কয়েকজন জেলে তাদের জাল মেরামতের কাজে ব্যস্ত সময় পার করছে। আনন্দ বাজার এলাকায় জেলেরা নৌকাগুলো ডাঙ্গায় উঠিয়ে রেখেছে।  এসময়  জেলেরা জানান,অভিযানের শুরুতেই আমরা নৌকা ও জাল ডাঙ্গায় উঠিয়ে রেখেছি।

এখন এই অবসর সময়টাতে আমাদের জাল ও নৌকা মেরামতে ব্যস্ত সময় পার করছি। কারণ অভিযান শেষ হলে আমরা তখন আর এই জাল ও নৌকাগুলো মেরামতের কাজে সময় দিতে পারি না। তখন মাছ ধরার কাজে ব্যস্ত হয়ে যাই। তাই এই সময়টা এ কাজে লাগাচ্ছি।

Advertisement

নদীতে ভরা মৌসুমে ইলিশ পাওয়া যায়নি। ইলিশ সঠিকভাবে ডিম ছাড়তে পারলে উৎপাদন বৃদ্ধি পাবে।

এসময় হরিনা এলাকার জেলেরা আরো জানান, যারা প্রকৃত জেলে তারা কখোনেই মা ইলিশ ধরে না। এ সময়ে কিছু মৌসুমী জেলে আছে তারা প্রশাসনের চোখ ফাঁকি দিয়ে মা ইলিশ ধরে। আমরা নিষেধাজ্ঞা মেনে চলি। সবাই এই আইন মেনে চলুক আমরাও এটা চাই।

তারা আরো বলেন, এই সময়টাতে আমাদের সংসার চালাতে ভীষণ কষ্ট পোহাতে হয়। সরকার যে চাল দেয় তা দিয়ে আমাদের চলে না। সরকারি সহায়তা বৃদ্ধি করার দরকার। সরকার আমাদের দিকে নজর দিয়ে পাশে থাকুক।

  • সর্বশেষ