শিরোনাম
◈ সচিবালয়ে প্রবেশে কড়াকড়ি, দুপুর ১২টার আগে ঢুকতে পারবেন না দর্শনার্থীরা ◈ ছয় ব্যাংকে চট্টগ্রাম বন্দরের ১২০০ কোটি টাকা আটকা, ফেরত পাওয়া নিয়ে শঙ্কা ◈ ঢাকা-রিয়াদ রুটে ১৭ অক্টোবর পর্যন্ত বিমানের সব ফ্লাইট স্থগিত ◈ সৌদি আরবে বাংলাদেশিদের জন্য দূতাবাসের জরুরি সতর্কতা, ছবি-ভিডিও প্রকাশে নিষেধাজ্ঞা ◈ পুরান ঢাকার চকবাজারে ৮ ঘণ্টা পরও নিয়ন্ত্রণে আসেনি আগুন, কাজ করছে ১০ ইউনিট ◈ মোংলা ইপিজেডে ২১০০০ কোটি টাকা বিনিয়োগ করবে চীনা প্রতিষ্ঠান ◈ ব্যাংককে চলছে বাংলাদেশের বড় পরীক্ষা, জ্বালানি ও বাড়তি ব্যয়ের বোঝা সামলাতে বিশ্বব্যাংকের সহায়তা চায় বাংলাদেশ ◈ সাবেক ২ সেনা কর্মকর্তার যে ৫ কারণে রিমান্ড চাওয়া হয় ◈ বিএনপি সরকার ক্ষমতায় আসার পর শান্তিতে আছি, প্রধানমন্ত্রীকে বললেন হিন্দু নেতারা ◈ ডি মারিয়ার জোড়া গোল, রোসারিওর সহজ জয়

প্রকাশিত : ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৫, ০৬:৫৯ বিকাল
আপডেট : ১৬ আগস্ট, ২০২৬, ০৭:০০ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

ঝুকিপূর্ণ অরক্ষিত অবৈধ রেল ক্রসিং 

শেখ মোঃ আবুল বাসার, অভয়নগর (যশোর): যশোরের অভয়নগর উপজেলার উপর দিয়ে গেছে বাংলাদেশের অন্যতম ব্যস্ততম রেলপথ।

রেলওয়ে কর্তৃপক্ষের দেওয়া তথ্যমতে এ রেলপথ দিয়ে মোংলা বন্দর থেকে সমগ্র উত্তরবঙ্গ, বেলাপোল, ঢাকায় যাতায়াত করে ১২ টি ট্রেন, এছাড়াও মালবাহী ট্রেনের যাতায়াত রয়েছে নিয়মিত। 

কিন্তু এ রেলপথের অধিকাংশ রেলক্রসিং গুলো রেলওয়ে কর্তৃপক্ষের অনুমোদন বিহীন। 

সরেজমিনে দেখা যায়, বেঙ্গল রেলগেট থেকে চেংগুটিয়া পর্যন্ত রয়েছে স্থানীয় ব্যাবসায়ীদের নিজেদের ব্যাবসায়ীক সার্থে গড়ে তোলা অনেক গুলো অবৈধ রেলক্রসিং। তাদের গড়ে তোলা এসব অবৈধ রেলক্রসিং এ রাখেনি নিজস্ব কোন প্রহরী। সম্পুর্ন উন্মুক্ত অবস্থার থাকা এ সব রেলক্রসিং গুলোতে পন্য পরিবহনের জন্য প্রতিদিন অসংখ্য ট্রাক যাতায়াত করতে দেখা যায়। 

Advertisement

এর মধ্যে নওয়াপাড়া প্রফেসর পাড়া, আকিজ জুট মিল, বালিয়াডাঙ্গা , ভাংগাগেট ট্রাক টার্মিনাল, আলিপুর, নওয়াপাড়া জুট মিল, ভৈরব সেতু সংযোগ সড়ক রেলক্রসিং গুলো বেশি ঝুঁকিপূর্ণ। 

এসব রেলগেটের ভিতর ভৈরব সেতু রেলক্রসিং, নওয়াপাড়া জুট মিল, ভাংগাগেট ট্রাক টার্মিনাল,  প্রফেসর পাড়া রেলক্রসিং এ রয়েছে ট্রেন আসার সময় বাশ বা দড়ি দিয়ে যানবাহন আটকানোর জন্য স্থানীয় ভাবে নিয়োজিত গেটম্যান।

এছাড়া অন্য কোন ক্রসিং এ কোন গেটম্যান বা অন্য কোন নিরাপত্তা ব্যবস্থা দেখা যায়নি। ফলে এসব উন্মুক্ত রেলক্রসিং দিয়ে যানবাহন এবং সাধারণ মানুষ চলাচল করতে গিয়ে প্রায়ই দুর্ঘটনার শিকার হচ্ছে। 

ব্যস্ততম এলাকা ভৈরব ব্রিজের রেলক্রসিং এলাকার ব্যাবসায়ী আমির হোসেন বলেন , এই গুরুত্বপূর্ণ গেটে কোনো গেটম্যান না থাকায় ঝুঁকি এড়াতে স্থানীয় ব্যাবসায়ীরা এই রেলগেটে অস্থায়ীভাবে লোক  নিয়োগ করেছে । ট্রেন আসার সময় গেটের এক প্রান্তে বাঁশ ধরে লোক ও যান চলাচল কোনো মতে বন্ধ করা হয়। কিন্তু অপর পাশ খালি থাকায় দুর্ঘটনার আশঙ্কা থেকে যায়। 

আকিজ জুট মিল গেট সংলগ্ন রেলক্রসিং টি সম্পুর্ন উন্মুক্ত। এই ক্রসিং আকিজ জুট মিল ও আকিজ আইডিয়াল স্কুলে যাতায়াত ছাড়া ও  এ পথে অনেক ভারী ও হালকা যানবাহন নিয়মিত চলাচল করে। কিন্তু এ গুরুত্বপূর্ণ রেলগেটে নেই সামান্য নিরাপত্তা ব্যাবস্থা। 

বাংলাদেশ রেলওয়ে যশোরের সহকারী নির্বাহী প্রকৌশলী মোঃ চাদ আহমেদ বলেন, রাজঘাট শেষ সীমানা থেকে বসুন্দিয়া পর্যন্ত ১৮ কিমি রেলপথে ১২ টি বৈধ রেলক্রসিং এর ভিতর ৮ টিতে গেটম্যান রয়েছে। আমরা অবৈধ ভাবে রেলক্রসিং বন্ধের জন্য নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করে আসছি, এবং আমাদের এমন অভিযান চলবে। এছাড়া বেশ কিছু অবৈধ গেটের বিরুদ্ধে মামলা চলমান রয়েছে। তারপর ও অবৈধ গেটে চলাচলকারীদের সচেতনার জন্য সতর্কতা মুলক সাইনবোর্ড দেওয়া হয়েছে। 

  • সর্বশেষ