শিরোনাম
◈ জনসভা ছাড়িয়ে নিউজফিড: কেন সামাজিক মাধ্যমই এবারের নির্বাচনের মূল ময়দান ◈ উত্তরবঙ্গকে কৃষিভিত্তিক শিল্পের রাজধানী বানাতে চাই, বেকারত্ব দূর করবো: ডা. শফিকুর রহমান ◈ বিএনপি চাইলে ঢাকা শহরে জামায়াতের কোনো প্রার্থীই রাস্তায় নামতে পারবে না: ইশরাক হোসেন ◈ সংসদ নির্বাচন এবং গণভোটের চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ ইসির ◈ এক সপ্তাহে যৌথ বাহিনীর অভিযানে গ্রেফতার ২৭৮, অস্ত্র-গোলাবারুদ উদ্ধার ◈ নতুন পে-স্কেল, রাজস্ব ঘাটতি ও উচ্চ মূল্যস্ফীতি: পরবর্তী সরকার আর্থিক চাপে পড়বে ◈ আগামী ১২ ফেব্রুয়ারির ভোট ভবিষ্যৎ নির্বাচনের মানদণ্ড স্থাপন করবে: মার্কিন রাষ্ট্রদূতকে প্রধান উপদেষ্টা ◈ আইসিসিকে ফের চিঠি বিসিবির, নিরপেক্ষ কমিটিতে দাবি পাঠানোর অনু‌রোধ ◈ বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থী নিয়ে দুশ্চিন্তায় জোট শরিকরা ◈ পিনাকী ভট্টাচার্যের বিরুদ্ধে আদালত অবমাননার অভিযোগ

প্রকাশিত : ২৬ মার্চ, ২০২৫, ১০:৫৩ রাত
আপডেট : ১৭ অক্টোবর, ২০২৫, ০৬:০০ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

টাঙ্গাইলে জাপা নেতার ভেকু পুড়িয়ে দিয়েছে বিক্ষুব্ধ জনতা

আরমান কবীরঃ টাঙ্গাইলে সোশ্যাল ডেভেলপমেন্ট সংসদের (এসডিএস) জমিতে অবৈধভাবে মাটি কাটার অভিযোগে জেলা জাতীয় পার্টির সাধারণ সম্পাদক মোজাম্মেল হকের ভেকু পুড়িয়ে দিয়েছে বিক্ষুব্ধ জনতা। অভিযোগ রয়েছে, জাপা নেতা মোজাম্মেল হক দীর্ঘদিন ধরে অবৈধভাবে মাটি কেটে বিক্রি করে আসছিলেন।

মঙ্গলবার (২৫ মার্চ) রাতে টাঙ্গাইল সদর উপজেলার দাইন্যা ইউনিয়নের চারাবাড়ি এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

স্থানীয়রা জানায়, এসডিএস থেকে প্রতিদিন সন্ধ্যা থেকে ভোররাত পর্যন্ত মাটি কেটে বিক্রি করা হয়। তবে দিনে মাটি কাটা হয় না। এখানে অনুমতি ছাড়া কাউকে প্রবেশ করতে দেওয়া হতো না। ২০১৫ সালে নুরুল ইসলাম ইসলামিক রিসার্স ইনস্টিটিউটের মহাপরিচালক দাবি করে মোজাম্মেল হকের কাছে জমি বিক্রি করেন। 

স্থানীয়রা আরও জানায়, মোজাম্মেল‌ হক সাইনবোর্ডে উল্লেখ করেছেন, তিনি ক্রয় সূত্রে ৮০০ শতাংশ জমির মালিক। তবে তিনি এই জমি ভূয়া দলিল তৈরি করে নিজের নামে করেন বলে অভিযোগ রয়েছে। এর আগে এসডিএস-এর জমিতে প্রশাসন একাধিকবার অভিযান চালায়।

এ নিয়ে ২০২৩ সালের ১২ মার্চ এসডিএস-এর চেয়ারম্যান ইসমাইল হোসেন সিরাজী বাদি হয়ে টাঙ্গাইলের যুগ্ম জেলা ও দায়রা জজ ১ম আদালতে মামলা দায়ের করেন। মামলায় মোজাম্মেল হক, সখীপুরের কচুয়া রোড আড়াইপাড়া গ্রামের আনছার আলীর ছেলে নুরুল ইসলাম, সদর উপজেলার ইসলামপুর গ্রামের ইমান আলীর ছেলে আকবর আলী, মাগুরাটা গ্রামের মৃত আইন উদ্দিনের ছেলে হাবিবুর রহমান, স্বদেশ রোড এলাকার সুরুজ্জামানের ছেলে জাকির হোসেনকে বিবাদি করা হয়।

একই দিন ইসমাইল হোসেন সিরাজী বাদি হয়ে আরো একটি মামলা দায়ের করেন। মামলায় মোজাম্মেল হক, সখীপুরের কচুয়া রোড আড়াইপাড়া গ্রামের আনছার আলীর ছেলে নুরুল ইসলাম, শহরের পাতুলীপাড়া এলাকার মৃত কলিল উদ্দিন আহম্মেদের ছেলে ওস্তাগীর হোসেন, একই এলাকার মৃত আফতাব উদ্দিনের ছেলে মোকছেদ আলী ও স্বদেশ রোড এলাকার সুরুজ্জামানের ছেলে জাকির হোসেনকে বিবাদি করা হয়।

এ ব্যাপারে জানতে জেলা জাতীয় পার্টির সাধারণ সম্পাদক মোজাম্মেল হকের সাথে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তা সম্ভব হয়নি।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়