শিরোনাম
◈ ডেঙ্গু প্রতিরোধে শিক্ষার্থী-তরুণদের এগিয়ে আসার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর, পরিচ্ছন্নতায় জোর দিতে নির্দেশনা ◈ বাংলাদেশে টমেটো ও আলুর সংগ্রহ-পরবর্তী বিভিন্ন পর্যায়ে নষ্ট এক-তৃতীয়াংশ ধানে ১০.২৪% ◈ ত্রিদেশীয় সিরিজে প্রথম ম‌্যাচ সন্ধ‌্যায়, মু‌খোমু‌খি বাংলা‌দেশ ও জিম্বাবু‌য়ে ◈ মেসি-পরবর্তী যুগে আর্জেন্টিনার প্রথম দুই প্রতিপক্ষ চূড়ান্ত ◈ আগামী ২৪ ঘণ্টায় যেসব বিভাগে বৃষ্টি হতে পারে ◈ উত্তরায় কিশোর গ্যাংয়ের দাপট, মাদক সিন্ডিকেট ও দখলদারি নিয়ন্ত্রণে ‘দে লাড়া’ গ্রুপ (পিচ্চি সানি) ◈ ইমরান খান, ক্যালিস, ও সোবার্সের তালিকায় সাকিব আল হাসান ◈ ভারত কোটি টাকা আয় করবে, আর বঞ্চিত হ‌বে ওয়েস্ট ইন্ডিজ? ◈ হুতির হামলা আম‌লে নি‌চ্ছে না  সৌ‌দি আরব, যথাসময়ে এশিয়ান কাপ ফুটবল আয়োজনের ঘোষণা ◈ উপসাগরীয় অবকাঠামোয় ইরানের নিখুঁত হামলা, চাপে যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধপরিকল্পনা

প্রকাশিত : ১২ মার্চ, ২০২৫, ০৮:১৩ রাত
আপডেট : ১০ মে, ২০২৫, ০৪:০০ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে মোয়াজ্জিনকে গুলির ঘটনায় ওসির বিরুদ্ধে মামলা

শাহাজাদা এমরান,কুমিল্লা অফিস : ২০১৫ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে বেলাল হোসেন নামে মসজিদের মোয়াজ্জিনকে বাড়ি থেকে তুলে এনে পায়ে গুলি করে পঙ্গু করে দেয়ার অভিযোগে নাঙ্গলকোট থানার তৎকালীন ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নজরুল ইসলামের নামে কুমিল্লা জেলা ও দায়রা জজ আদালতে মামলা করেছেন ভুক্তভোগী উপজেলার দৌলখাড় ইউনিয়নের বাম গ্রামের বেলাল হোসেন। মামলায় ৩১ জনের নাম উল্লেখ সহ অজ্ঞাত ১০/১৫ জনকে আসামি করা হয়েছে।

ভুক্তভোগী মোয়াজ্জিন বেলাল হোসেন নাঙ্গলকোট উপজেলার দোলখাড় ইউনিয়নের বাম পন্ডিতবাড়ির আলী হায়দারের ছেলে। তিনি স্থানীয় একটি মসজিদে মুয়াজ্জিনের দায়িত্ব পালন করতেন। এছাড়াও বেলাল হোসেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর রাজনীতির সাথে জড়িত। বেলাল হোসেনের বিরুদ্ধে বিস্ফোরক আইনে দুটি মামলা চলমান রয়েছে। বর্তমানে তিনি সকল মামলায় জামিনে রয়েছেন।

ভুক্তভোগী মুয়াজ্জিন বেলাল হোসেন বলেন, ২০১৫ সালের ৮ ফেব্রæয়ারি মধ্যরাতে বাড়ি থেকে পুলিশ আমাকে তুলে নিয়ে যায়। এ সময় বেলায়েত হোসেন নামে আরও একজনসহ নাঙ্গলকোটের লুধুয়া নামক স্থানে নিয়ে নাঙ্গলকোট থানার তৎকালীন ওসি নজরুল ইসলাম দুই পুলিশ সদস্যকে আমাদের পায়ে গুলি করতে বলেন। তারা গুলি করতে রাজি না হলে ওসি নজরুল ইসলাম নিজেই আমাদের দুজনেরই বাম পায়ের হাঁটু বরাবর আগ্নেয়াস্ত্র দিয়ে গুলি করেন। পরবর্তীতে আমাদের বিরুদ্ধে বিস্ফোরক আইনে একটি মামলা দায়ের করে গ্রেপ্তার দেখানো হয়। এ মামলায় এক বছর কারাভোগ করতে হয়েছে।

বেলাল হোসেন বলেন, গুরুতর আহত অবস্থায় কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে থাকাকালীন উন্নত চিকিৎসার জন্য আমাকে ঢাকায় রেফার করা হলেও ওসি নজরুল ইসলাম তা হতে দেননি। যে কারণে চিকিৎসার অভাবে আমার গুলিবিদ্ধ পা কেটে ফেলতে হয়েছে। আমার বিরুদ্ধে অন্যায় আচরণ ও মিথ্যা মামলা দায়ের করে যে নির্যাতন চালানো হয়েছে তার প্রেক্ষিতে আমি তৎকালীন ওসি নজরুল ইসলামসহ পুলিশের ৭ সদস্য, নাঙ্গলকোট উপজেলার তৎকালীন চেয়ারম্যান ও পৌর মেয়রসহ মোট ৩১জনের নাম উল্লেখ করে মামলা দায়ের করেছি। এছাড়াও অজ্ঞাত আরও ১০ / ১৫ জনকে আসামি করা হয়েছে। আমি আশা করছি ন্যায় বিচার পাব।

মামলার আইনজীবী এডভোকেট বদিউল আলম সুজন বলেন, নির্যাতন ও হেফাজতে মৃত্যু নিবারণ আইন ২০১৩ ধারায় মামলাটি দায়ের করা হয়েছে। আমরা আশা করছি বিজ্ঞ বিচারক মামলাটি আমলে নিয়ে নির্দেশনা দেবেন।