শিরোনাম
◈ সাজেকে ১৪ দিনের অবরোধে চরম খাদ্যসংকট, পর্যটন ও পরিবহন খাতে শতকোটি টাকার ক্ষতির শঙ্কা: সমাধান করবে কে? ◈ শ্রমিক আন্দোলন নিয়ন্ত্রণে অতিরিক্ত বল প্রয়োগ নয়, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর নির্দেশ ◈ জিগাতলায় ২০০ কোটি টাকা ব্যয়ে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য ১৮৪ ফ্ল্যাট নির্মাণের উদ্যোগ ◈ গাছতলায় ফেলে যাওয়ার ঘটনায় প্রশাসনের হস্তক্ষেপ, ৯৫ বছরের বাবাকে বাড়িতে নিলেন বড় ছেলে ◈ কিশোরগঞ্জে জামায়াত নেতা আখতারুজ্জামানের ছেলেকে ছুরিকাঘাত ◈ ১২ দেশে কর্মী পাঠাতে মন্ত্রণালয়ের পূর্বানুমোদন বাধ্যতামূলক, ছাড়পত্রে সরকারের কঠোর নির্দেশনা ◈ ৭ নভেম্বরের শোভাযাত্রায় নেতৃত্ব দেবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, পায়ে হেঁটে মানিকমিয়া এভিনিউ পর্যন্ত যাবেন ◈ জানুয়া‌রি‌তে বাংলাদেশ-ভারত সিরিজ? ◈ সংবাদ প্রকাশের কারণে সাংবাদিক ও সংবাদমাধ্যমের মালিক গ্রেপ্তারে লাগবে আদালতের অনুমতি ◈ ভারত থেকে সার্ভারে প্রবেশের অভিযোগ, ডিজিপের বিরুদ্ধে বাংলাদেশ ব্যাংকের ব্যবস্থা

প্রকাশিত : ০২ আগস্ট, ২০২৪, ০৫:১১ বিকাল
আপডেট : ১৪ মে, ২০২৫, ০১:০০ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

ঢাকায় গুলিবিদ্ধ হওয়ার ১৫ দিন পর মারা গেল সেলিম

আমিন হোসেন, নলছিটি: [২] কোটা সংস্কার আন্দোলনের সময় অফিস যাওয়ার পথে ব্র‌্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের সামনে গুলিবিদ্ধ হওয়া ঝালকাঠির নলছিটি উপজেলার সেলিম তালুকদার বৃহস্পতিবার (১ আগস্ট) মারা গেছেন।

[৩] তিন বোন আর এক ভাইয়ের মধ্যে সেলিম ছিলেন মেজ। পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তি ছিলেন সেলিম। বছর খানেক আগে বিয়ে ও করেন তিনি, কিন্তু তার এই চলার পথ দীর্ঘায়িত হয়নি।

[৪] গত ১৮ জুলাই বেলা সাড়ে ১১টার দিকে ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের সামনে চলমান কোটা সংস্কার আন্দোলনকে ঘিরে সংঘর্ষে গুলিবিদ্ধ হন সেলিম তালুকদার রমজান। ১৫ দিন গুলির ক্ষত নিয়ে হাসপাতালের বিছানায় জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে ছিলেন তিনি।

[৫] নিহত সেলিম তালুকদার রমজান ঝালকাঠির নলছিটি উপজেলার পৌর শহরের  সুলতান তালুকদারের ছেলে। বিজিএমই ইউনিভার্সিটি অব ফ্যাশন অ্যান্ড টেকনোলজি থেকে দুই বছর আগে স্নাতক ডিগ্রি সম্পন্ন করে নারায়ণগঞ্জের মেট্রো নিটিং অ্যান্ড ডায়িং মিলস লিমিটেডের সহকারী মার্চেন্ডাইজার পদে চাকরি করতেন।

[৬] বৃহস্পতিবার (১ আগস্ট) সকাল ৮টায় চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যু হয়। বিকাল সাড়ে ৩টার দিকে সেলিমের মরদেহ বাড্ডা লিংক রোডের বাসায় নেয়া হয়। সেখানে প্রথম জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। পরে শুক্রবার সকাল ১০টায় গ্রামের বাড়ি নলছিটিতে দ্বিতীয় জানাজা শেষে পারিবারিক কবরস্থানে সেলিমের মরদেহ দাফন করা হয়েছে। এর আগে রাত আড়াইটার দিকে তার মরদেহ বাড়ি পৌঁছলে এলাকায় শোকাবহ পরিবেশ সৃষ্টি হয়। এ সময় তার আত্মীয়স্বজন ও সহপাঠীরা কান্নায় ভেঙে পড়েন।

[৭] নিহত সেলিমের পিতা সুলতান তালুকদার জানান, ঘটনার দিন সেলিম বাসা থেকে অফিসের উদ্দেশে রওনা দিয়ে ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের সামনে পৌঁছালে কোটা সংস্কার আন্দোলনকে ঘিরে সংঘর্ষের মধ্যে পড়েন। এ সময়  মাথায়, বুকে ও পিঠে গুলি লাগে। ফুসফুসেও লাগে গুলি, চার হাসপাতাল ঘুরে শেষে  ধানমণ্ডির পপুলারে ভর্তি করা হয় সেলিমকে। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যু হয়েছে। সম্পাদনা: এ আর শাকিল

প্রতিনিধি/এআরএস

 

  • সর্বশেষ