শিরোনাম
◈ শোলাকিয়ায় ঈদ: ছয় লাখ মুসল্লির অংশগ্রহণে অনন্য মিলনমেলা ◈ এবারের ঈদে চাঁদাবাজি কমেছে, আইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণে রয়েছে: আইনমন্ত্রী ◈ জাতীয় ঈদগাহে একসঙ্গে ঈদের নামাজ আদায় করলেন রাষ্ট্রপতি-প্রধানমন্ত্রী ◈ ঈদের নামাজ শেষে দেশ ও জাতির কল্যাণ কামনায় দোয়া ◈ প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ঈদ শুভেচ্ছা বিনিময় করতে ‘যমুনায়’ জনস্রোত ◈ যেভাবে সঠিক নিয়মে পড়বেন ঈদের নামাজ ◈ যুক্তরাষ্ট্রে অস্ত্র রপ্তানি স্থগিত করল সুইজারল্যান্ড ◈ ইরানবিরোধী অভিযানে মার্কিন বাহিনীকে ব্রিটিশ ঘাঁটি ব্যবহারের অনুমতি দিল যুক্তরাজ্য ◈ তুরস্ক বা ওমানে কোনো হামলা চালায়নি ইরান, এগুলো শত্রুদের সাজানো ঘটনা: মোজতবা খামেনি ◈ পবিত্র আল-আকসায় ঈদের নামাজে আসা মুসল্লিদের ওপর ইসরাইলের হামলা

প্রকাশিত : ০২ আগস্ট, ২০২৪, ০৫:১১ বিকাল
আপডেট : ১৪ মে, ২০২৫, ০১:০০ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

ঢাকায় গুলিবিদ্ধ হওয়ার ১৫ দিন পর মারা গেল সেলিম

আমিন হোসেন, নলছিটি: [২] কোটা সংস্কার আন্দোলনের সময় অফিস যাওয়ার পথে ব্র‌্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের সামনে গুলিবিদ্ধ হওয়া ঝালকাঠির নলছিটি উপজেলার সেলিম তালুকদার বৃহস্পতিবার (১ আগস্ট) মারা গেছেন।

[৩] তিন বোন আর এক ভাইয়ের মধ্যে সেলিম ছিলেন মেজ। পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তি ছিলেন সেলিম। বছর খানেক আগে বিয়ে ও করেন তিনি, কিন্তু তার এই চলার পথ দীর্ঘায়িত হয়নি।

[৪] গত ১৮ জুলাই বেলা সাড়ে ১১টার দিকে ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের সামনে চলমান কোটা সংস্কার আন্দোলনকে ঘিরে সংঘর্ষে গুলিবিদ্ধ হন সেলিম তালুকদার রমজান। ১৫ দিন গুলির ক্ষত নিয়ে হাসপাতালের বিছানায় জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে ছিলেন তিনি।

[৫] নিহত সেলিম তালুকদার রমজান ঝালকাঠির নলছিটি উপজেলার পৌর শহরের  সুলতান তালুকদারের ছেলে। বিজিএমই ইউনিভার্সিটি অব ফ্যাশন অ্যান্ড টেকনোলজি থেকে দুই বছর আগে স্নাতক ডিগ্রি সম্পন্ন করে নারায়ণগঞ্জের মেট্রো নিটিং অ্যান্ড ডায়িং মিলস লিমিটেডের সহকারী মার্চেন্ডাইজার পদে চাকরি করতেন।

[৬] বৃহস্পতিবার (১ আগস্ট) সকাল ৮টায় চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যু হয়। বিকাল সাড়ে ৩টার দিকে সেলিমের মরদেহ বাড্ডা লিংক রোডের বাসায় নেয়া হয়। সেখানে প্রথম জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। পরে শুক্রবার সকাল ১০টায় গ্রামের বাড়ি নলছিটিতে দ্বিতীয় জানাজা শেষে পারিবারিক কবরস্থানে সেলিমের মরদেহ দাফন করা হয়েছে। এর আগে রাত আড়াইটার দিকে তার মরদেহ বাড়ি পৌঁছলে এলাকায় শোকাবহ পরিবেশ সৃষ্টি হয়। এ সময় তার আত্মীয়স্বজন ও সহপাঠীরা কান্নায় ভেঙে পড়েন।

[৭] নিহত সেলিমের পিতা সুলতান তালুকদার জানান, ঘটনার দিন সেলিম বাসা থেকে অফিসের উদ্দেশে রওনা দিয়ে ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের সামনে পৌঁছালে কোটা সংস্কার আন্দোলনকে ঘিরে সংঘর্ষের মধ্যে পড়েন। এ সময়  মাথায়, বুকে ও পিঠে গুলি লাগে। ফুসফুসেও লাগে গুলি, চার হাসপাতাল ঘুরে শেষে  ধানমণ্ডির পপুলারে ভর্তি করা হয় সেলিমকে। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যু হয়েছে। সম্পাদনা: এ আর শাকিল

প্রতিনিধি/এআরএস

 

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়