শিরোনাম
◈ মোংলা বন্দরে রাজস্ব আয়ে নতুন রেকর্ড, এক বছরে আয় ৩,৮৭৯ কোটি টাকা ◈ রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে আন্তর্জাতিক সহযোগিতা চাইলেন প্রধানমন্ত্রী ◈ গাজী নজরুলের এমপি পদ থাকবে কি না, পুলিশি ব্যবস্থা দেখে সিদ্ধান্ত: স্পিকার ◈ জাতিসংঘে উচ্চপর্যায়ের বিতর্কে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ◈ এশিয়ান গেমসে বাংলাদেশ ব্রোঞ্জ পদক নি‌শ্চিত কর‌লো ◈ বাংলাদেশের উন্নয়নে বিশ্বব্যাংকের সহযোগিতা জোরদারে তাগিদ তারেক রহমানের ◈ জাতিসংঘের কার্যকারিতা ফেরানো ও নিরাপত্তা পরিষদ সংস্কারে জোর খলিলুর রহমানের ◈ ঢাকার সঙ্গে সব দ্বিপক্ষীয় বিষয়ে আলোচনায় প্রস্তুত নয়াদিল্লি ◈ জাতিসংঘ অধিবেশনের ফাঁকে ভুটান-মালদ্বীপের নেতাদের সঙ্গে তারেক রহমানের বৈঠক ◈ ইরানকে ‘নরকে ঠেলে’ দেওয়ার হুমকি, কিউবার শাসনব্যবস্থার পতনের ঘোষণা ট্রাম্পের

প্রকাশিত : ০৫ মার্চ, ২০২৪, ০৪:০৭ দুপুর
আপডেট : ০৫ মার্চ, ২০২৪, ০৮:১৯ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

বিআরটি প্রকল্পের ঢাকা-ময়মনসিংহ উড়াল সড়কের এক লেন চালু 

এ এইচ সবুজ, গাজীপুর: [২] বাস র‌্যাপিড ট্রানজিট (বিআরটি) প্রকল্পের গাজীপুর চান্দনা চৌরাস্তা এলাকার উড়াল সড়কের একটি লেন খুলে দেওয়া হয়েছে।

[৩] মঙ্গলবার (৫ মার্চ) ভোর ৫টায় এই লেন খুলে দেওয়ার পর থেকে যানবাহন চলাচল শুরু হয়েছে। এতে অনেকটা স্বস্তি ফিরেছে ওই পথে চলাচলকারীদের।

[৪] বিআরটি প্রকল্প কর্তৃপক্ষ জানায়, যানজট কমাতে কাজ শেষ হওয়ার আগেই একটি লেন খুলে দেওয়া হয়েছে। এখন থেকে ঢাকা থেকে ছেড়ে আসা ময়মনসিংহগামী ও গাজীপুরের জয়দেবপুরগামী পরিবহন চন্দনা চৌরাস্তা এলাকার উড়াল সড়ক ব্যবহার করে চলতে পারবে। তবে ঢাকাগামী পরিবহনগুলো উড়াল সড়কের নিচ দিয়ে চলাচল করতে হবে।

[৫] বিআরটি প্রকল্পের সবচেয়ে বড় কর্মযজ্ঞ গাজীপুরের প্রাণকেন্দ্রে অবস্থিত চান্দনা চৌরাস্তা। ময়মনসিংহগামী, টাঙ্গাইল- উত্তরবঙ্গগামী এবং গাজীপুর শহরে প্রবেশ করতে হয় এই পথ ধরেই। প্রকল্প কাজ চলমান থাকায় দীর্ঘদিন ধরে ঢাকা থেকে ছেড়ে আসা পরিবহনগুলো ভোগরা বাইপাস হয়ে নাওজোর দিয়ে প্রবেশ করতো। ফলে দীর্ঘ যানজট এবং চমর ভোগান্তি ছিল যাত্রীদের। এই ফ্লাইওভারের লেন খুলে দেওয়ায় ভোগান্তি অনেকাংশেই লাঘব হবে।

[৬] গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের ডিসি (ট্রাফিক) আলমগীর হোসেন জানান, মঙ্গলবার সকালে ময়মনসিংহগামী ও জয়দেবপুর শহরগামী লেন খুলে দেওয়া হয়েছে। আশা করছি পরিবহন চলাচলের যে সমস্যাটি সাময়িক তৈরি হয়েছিল, তা এখন আর থাকবে না। জয়দেবপুর থেকে অন্য লেনটির কাজও শেষ। এটিও ছেড়ে দেওয়া হবে।

[৭] উল্লেখ্য, ২০১২ সালের ডিসেম্বর থেকে ২০১৬ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত চার বছর মেয়াদ ছিল প্রকল্পটির। এই সময়ে প্রকল্পের কাজ শুরুই করতে পারেনি বিআরটি। তিন দফা প্রকল্প সংশোধন করে চলতি বছরের ডিসেম্বর মাস পর্যন্ত মেয়াদকাল নির্ধারণ করা হয়েছে। শুরুতে বিআরটি প্রকল্পের ব্যয় ধরা হয় ২ হাজার ৩৯৮ কোটি ৪ লাখ টাকা। প্রকল্পের তিন দফা সংশোধনের পর ব্যয় বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৪ হাজার ২৬৮ কোটি ৩২ লাখ টাকা।

প্রতিনিধি/একে

  • সর্বশেষ