শিরোনাম
◈ ঢাবির জগন্নাথ হলের পাশে পরপর দুই ককটেল বিস্ফোরণ ◈ গুজব ছড়ানো পেজ ও অনিবন্ধিত নিউজ পোর্টাল বন্ধের নির্দেশ ◈ অর্থনীতির ঘুরে দাঁড়ানোর ইঙ্গিত, বাংলাদেশের ঋণমান নিয়ে মুডিসের সুখবর ◈ আমরা সঠিক সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম: ভারতে বিশ্বকাপ খেলতে না যাওয়া প্রসঙ্গে আসিফ নজরুল ◈ ঠাকুরগাঁও-১ উপনির্বাচন: বিএনপির মনোনয়ন ফরম নিলেন ৩ জন ◈ দুই দিনে জাতীয় গ্রিডে গ্যাস সরবরাহ বেড়েছে ২৭ কোটি ঘনফুট ◈ ইউএইতে ৪ হাজার ৮০০ বাংলাদেশির ভিসা বাতিল, ২২ সেপ্টেম্বরের মধ্যে সমাধান চান প্রবাসীরা ◈ মক্কায় হামলার সতর্কতা জারি করে প্রত্যাহার করল সৌদি আরব ◈ ইউরোপের পথে প্রতারণা, দালালের ফাঁদে স্বপ্ন এখন বন্দিশালা! ◈ শিক্ষার্থীর ফোন হাতুড়ি দিয়ে ভেঙে শিক্ষক বললেন, ‘নেক্সটে ফোন আনতে চিন্তা কইরো’

প্রকাশিত : ০৫ মার্চ, ২০২৪, ০৪:০৭ দুপুর
আপডেট : ০৫ মার্চ, ২০২৪, ০৮:১৯ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

বিআরটি প্রকল্পের ঢাকা-ময়মনসিংহ উড়াল সড়কের এক লেন চালু 

এ এইচ সবুজ, গাজীপুর: [২] বাস র‌্যাপিড ট্রানজিট (বিআরটি) প্রকল্পের গাজীপুর চান্দনা চৌরাস্তা এলাকার উড়াল সড়কের একটি লেন খুলে দেওয়া হয়েছে।

[৩] মঙ্গলবার (৫ মার্চ) ভোর ৫টায় এই লেন খুলে দেওয়ার পর থেকে যানবাহন চলাচল শুরু হয়েছে। এতে অনেকটা স্বস্তি ফিরেছে ওই পথে চলাচলকারীদের।

[৪] বিআরটি প্রকল্প কর্তৃপক্ষ জানায়, যানজট কমাতে কাজ শেষ হওয়ার আগেই একটি লেন খুলে দেওয়া হয়েছে। এখন থেকে ঢাকা থেকে ছেড়ে আসা ময়মনসিংহগামী ও গাজীপুরের জয়দেবপুরগামী পরিবহন চন্দনা চৌরাস্তা এলাকার উড়াল সড়ক ব্যবহার করে চলতে পারবে। তবে ঢাকাগামী পরিবহনগুলো উড়াল সড়কের নিচ দিয়ে চলাচল করতে হবে।

[৫] বিআরটি প্রকল্পের সবচেয়ে বড় কর্মযজ্ঞ গাজীপুরের প্রাণকেন্দ্রে অবস্থিত চান্দনা চৌরাস্তা। ময়মনসিংহগামী, টাঙ্গাইল- উত্তরবঙ্গগামী এবং গাজীপুর শহরে প্রবেশ করতে হয় এই পথ ধরেই। প্রকল্প কাজ চলমান থাকায় দীর্ঘদিন ধরে ঢাকা থেকে ছেড়ে আসা পরিবহনগুলো ভোগরা বাইপাস হয়ে নাওজোর দিয়ে প্রবেশ করতো। ফলে দীর্ঘ যানজট এবং চমর ভোগান্তি ছিল যাত্রীদের। এই ফ্লাইওভারের লেন খুলে দেওয়ায় ভোগান্তি অনেকাংশেই লাঘব হবে।

[৬] গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের ডিসি (ট্রাফিক) আলমগীর হোসেন জানান, মঙ্গলবার সকালে ময়মনসিংহগামী ও জয়দেবপুর শহরগামী লেন খুলে দেওয়া হয়েছে। আশা করছি পরিবহন চলাচলের যে সমস্যাটি সাময়িক তৈরি হয়েছিল, তা এখন আর থাকবে না। জয়দেবপুর থেকে অন্য লেনটির কাজও শেষ। এটিও ছেড়ে দেওয়া হবে।

[৭] উল্লেখ্য, ২০১২ সালের ডিসেম্বর থেকে ২০১৬ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত চার বছর মেয়াদ ছিল প্রকল্পটির। এই সময়ে প্রকল্পের কাজ শুরুই করতে পারেনি বিআরটি। তিন দফা প্রকল্প সংশোধন করে চলতি বছরের ডিসেম্বর মাস পর্যন্ত মেয়াদকাল নির্ধারণ করা হয়েছে। শুরুতে বিআরটি প্রকল্পের ব্যয় ধরা হয় ২ হাজার ৩৯৮ কোটি ৪ লাখ টাকা। প্রকল্পের তিন দফা সংশোধনের পর ব্যয় বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৪ হাজার ২৬৮ কোটি ৩২ লাখ টাকা।

প্রতিনিধি/একে

  • সর্বশেষ