শিরোনাম
◈ রাশিয়া, কানাডা ও সৌদি আরব থেকে ৯৬৯ কোটি টাকার সার কিনবে সরকার ◈ টঙ্গীতে ওষুধ কারখানায় ভয়াবহ আগুন, নিয়ন্ত্রণে ফায়ার সার্ভিসের ১৪ ইউনিট ◈ ওমান প্রবাসীদের জন্য জরুরি খবর! ◈ বাংলাদেশে ই-বর্জ্য থেকে বছরে ৫০ কোটি ডলারের সম্পদ উদ্ধারের সুযোগ, ঝুঁকিতে পরিবেশ ও জনস্বাস্থ্য ◈ চ‌্যা‌ম্পিয়ন্স লিগ, ম‌্যান‌চেস্টার ইউনাইটেড‌কে হারা‌লো অ‌্যাত‌লে‌তি‌কো মা‌দ্রিদ ◈ ময়মনসিংহে স্কুলে শিক্ষক–শিক্ষিকার মারামারির ভিডিও ভাইরাল, পরে যা জানা গেল ◈ ফরিদপুর মেডিকেলে প্রায় সাড়ে ২৩ কোটি টাকার সরকারি অর্থের অপচয়! ◈ ইয়ে‌মে‌নের নি‌র্দেশ, সৌদি আরবের আরামকো স্থাপনা খালি করো, রিয়াদে পাল্টা হামলা চালা‌নো হ‌বে ◈ বিশ্ববাজারে প্রতিযোগিতার চাপে দেশের পোশাকশিল্প: প্রবৃদ্ধির আড়ালে বাড়ছে ঝুঁকি ◈ ইমরান খানের শক্ত ঘাঁটি অবরুদ্ধ করেছে পাকিস্তান, এর ফল উল্টো হতে পারে

প্রকাশিত : ১৪ অক্টোবর, ২০২৬, ০১:২৮ দুপুর
আপডেট : ১৪ অক্টোবর, ২০২৬, ০১:৫৯ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

রাজধানীর তিন বারে ডিএনসির অভিযান, উদ্ধার ১৪ লিটার মদ

রাজধানীর পাঁচ তারকা মানের হোটেল আমারি, কিংফিশার ও ব্লিজ আর্ট বারে অভিযান চালিয়েছে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর (ডিএনসি)। অভিযানে পারমিট ছাড়া মদ্যপান এবং বৈধ কাগজপত্রবিহীন ১৪ লিটার বিলাতি মদ উদ্ধারসহ বিভিন্ন অনিয়ম পাওয়া গেছে।

বুধবার (১৪ অক্টোবর) মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের ঢাকা মেট্রো (উত্তর) কার্যালয়ের উপপরিচালক মো. রাজিউর রহমান এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

তিনি জানান, মঙ্গলবার রাতে গোপন তথ্যের ভিত্তিতে ঢাকা বিভাগের অতিরিক্ত পরিচালক ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের নেতৃত্বে হোটেল আমারি, কিংফিশার বার ও ব্লিজ আর্ট বারে অভিযান চালানো হয়। এ সময় প্রতিষ্ঠানগুলোর বার পরিচালনার ক্ষেত্রে লাইসেন্সের শর্ত পালন ও আইনগত বৈধতা যাচাই করা হয়।

অভিযানে হোটেল আমারিতে পারমিট ছাড়া মদ্যপানরত সাতজনকে পাওয়া যায়। তাদের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের মাধ্যমে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

Advertisement

এ ছাড়া, কিংফিশার বারে বৈধ কাগজপত্রবিহীন ১৪ লিটার কেরুর বিলাতি মদ পাওয়া যায়। এ ঘটনায় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের কার্যক্রম চলমান রয়েছে।

অন্যদিকে, অভিযান পরিচালনাকালে ব্লিজ আর্ট বারটি বন্ধ পাওয়া যায়। তবে প্রতিষ্ঠানটির কার্যক্রম ও সম্ভাব্য অনিয়ম অধিকতর যাচাইয়ের লক্ষ্যে সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহ করা হয়েছে।

এ ছাড়া, সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮ (সংশোধিত ২০২৬)-এর ১৫(১) ধারা অনুযায়ী প্রযোজ্য আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের কার্যক্রম চলমান রয়েছে।

মাদকদ্রব্যের অপব্যবহার রোধ, লাইসেন্সের শর্ত যথাযথভাবে প্রতিপালন নিশ্চিত করা এবং মাদকসংক্রান্ত অপরাধ দমনে এ ধরনের অভিযান ও তদারকি কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে বলে জানান উপপরিচালক রাজিউর রহমান।