শিরোনাম
◈ আওয়ামী লীগের রাজনীতিতে ফেরার পথ কতটা খোলা? ◈ প্রিজন ভ্যান থেকে পিচ্চি রাজার পালানোর সিসিটিভি ফুটেজে যা দেখা গেলো ◈ সৌদি-হুতি সংঘাতে পাকিস্তান-তুরস্কের সেনা, কতটা জড়াবে ইয়েমেন যুদ্ধে আর কতদিন থাকতে পারবে পাকিস্তান? ◈ বিশ্বজুড়ে কোথায় কোথায় মার্কিন বোমারু বিমান মোতায়েন থাকে? যা জানাগেল ◈ তিন বছর পর ফের বৈঠকে বাংলাদেশ-ভারত, দিল্লি যাচ্ছেন ১০ কর্মকর্তা: বাণিজ্য সম্পর্ক জোরদারে নতুন উদ্যোগ ◈ বাংলাদেশে গাড়ি কারখানা করবে টয়োটা, ২০২৭ সালে শুরু হবে নির্মাণকাজ ◈ কিউ-ক্যাশে সেবা ব্যাহত: ৩০ ব্যাংকের কার্ড ও ডিজিটাল সেবা দ্রুত চালুর নির্দেশ দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক ◈ ৫০ বছরের কম বয়সীদের মধ্যে ৭ ধরনের ক্যানসার বাড়ছে, গবেষণায় উদ্বেগজনক তথ্য ◈ মেসির বিদায়ী ম্যাচেও কেলেঙ্কারি, এএফএর বিরুদ্ধে ‘অর্থলোভী’ কর্মকাণ্ডের অভিযোগ! ◈ বাজারে সিন্ডিকেটের প্রভাব বিস্তার করতে দেওয়া হবে নাঃখাদ্যমন্ত্রী

প্রকাশিত : ১৯ আগস্ট, ২০২২, ০২:০০ দুপুর
আপডেট : ১৯ আগস্ট, ২০২২, ০২:৩৯ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

সিসি ক্যামেরায় হত্যাকারীরা স্পষ্ট, তবুও আটক হয়নি কোন আসামি

সিসি ক্যামেরা

এম এম লিংকন: ঢাকার কড়াইল বস্তিতে ক্ষমতাসীন দল আওয়ামী লীগের দুপক্ষের সংঘর্ষ ও যুবককে কুপিয়ে হত্যা করা হয়। একদিন পরও উদ্ঘাটন হয়নি এই হত্যাকাণ্ডের রহস্য। এই ঘটনায় নিহতের বড়ভাই ২২ জনের বিরুদ্ধে মামলা করলেও এখনো আটক হয়নি কোনো আসামি।

সিসি ক্যামেরার ফুটেজে দেখা যায়, বুধবার রাত ৮টা ১৯ মিনিটে একদল যুবক দেশিয় অস্ত্র হাতে কড়াইল বস্তির এক গলিতে প্রবেশ করছে। ৫-৭ মিনিটের মধ্যে তারা আবার হন্তদন্ত হয়ে ফিরে আসছে। এর কিছুক্ষণ পর আশপাশের লোকজন উপস্থিত হলে উত্তেজনা দেখা দেয় ঘটনাস্থলে।

স্থানীয়রা বলছেন, বেশ কিছু বাড়িতে দেশিয় অস্ত্রের আঘাত ও দোকান ভাঙচুর করে একদল যুবক। পরে রাত প্রায় সাড়ে ৮টার দিকে নূরানী মসজিদে ঢুকে আল আমিন ও তার বড় ভাইকে কুপিয়ে পালিয়ে যায় তারা। প্রায় ৩০ জন এ হত্যাকাণ্ডে অংশ নেয় বলে প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন। 

এ ঘটনায় জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি ছেলের শোকে কাতর আল আমিনের বাবার। নিহত আল আমিনের পরিবার জানান, মসজিদের ভেতরে ঢুকে কুপিয়ে পালিয়ে যায় সন্ত্রাসীরা। ঘটনার সময় পুলিশ আশপাশে থাকলেও কাউকে গ্রেপ্তার করেনি।

এদিকে এঘটনায় নূরুসহ ২২ জনের বিরুদ্ধে বনানী থানায় মামলা দায়ের করেন নিহতের বড় ভাই রিয়াজ। পুলিশ বলছে বিষয়টি তদন্ত করে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

দ্রুতই তদন্ত করে আল আমিনকে যারা হত্যা করেছে আমরা তাদের গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হবো বলে জানিয়েছেন, গুলশান বিভাগের উপ- কমিশনার মো. আসাদুজ্জামান।

স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা এ বিষয়ে জানান, দীর্ঘদিন ধরেই কড়াইল বস্তিতে চাঁদার টাকা ও আধিপত্য নিয়ে জুয়েল এবং নূরের গ্রুপের মধ্যে বিরোধ চলছিল। তার জের ধরেই বুধবার এ হত্যাকাণ্ড। 

  • সর্বশেষ