শিরোনাম
◈ নবনিযুক্ত সেনা প্রধানের কাছে দায়িত্ব হস্তান্তর ◈ বেগম খালেদা জিয়ার হৃদযন্ত্রে পেসমেকার বসানো হয়েছে  ◈ রাষ্ট্রপতির সঙ্গে নবনিযুক্ত সেনাবাহিনী প্রধানের সৌজন্য সাক্ষাৎ ◈ গ্যাসের উৎপাদন বৃদ্ধির পরিকল্পনা ও বাজেটে বরাদ্দ কমানো স্ববিরোধী: সিপিডি ◈ সিলেটে বন্যা পরিস্থিতির উন্নতি, খুলছে পর্যটন কেন্দ্র ◈ পুলিশ সার্ভিস অ্যাসোসিয়েশনের চিঠি স্বাধীন সাংবাদিকতার প্রতি হুমকি: বিজেসি  ◈ দেশের প্রতিটি অর্জনে নেতৃত্ব দিয়েছে আওয়ামী লীগ: প্রধানমন্ত্রী ◈ এনবিআর সদস্য মতিউরের বিরুদ্ধে তদন্তে দুদক ◈ সেনাপ্রধান হিসেবে দায়িত্ব নিলেন জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান ◈ বেগম খালেদা জিয়ার স্বাস্থ্যের খোঁজ নিলেন রিজভী 

প্রকাশিত : ১৫ এপ্রিল, ২০২৪, ০৯:৩৬ রাত
আপডেট : ১৫ এপ্রিল, ২০২৪, ০৯:৩৬ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

বঙ্গবাজারের অবৈধ দোকান গুড়িয়ে দিয়েছে ডিএসসিসি

সুজন কৈরী: [২] বঙ্গবাজারে গড়ে ওঠা অবৈধ অস্থায়ী দোকানগুলো ভেঙে দিয়েছে ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের ভ্রাম্যমাণ আদালত। 

[৩] সোমবার দিনব্যাপী এসব অবৈধ অস্থায়ী দোকানগুলো উচ্ছেদ করা হয়। ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের সম্পত্তি বিভাগ কার্যক্রম পরিচালনা করেছে। 

[৪] ডিএসসিসি’র মুখপাত্র আবু নাছের বলেন, নতুন করে মার্কেট করার লক্ষ্যে এসব অবৈধ দোকানগুলো উচ্ছেদ করা হয়েছে।

[৪] গত বছরের ৪ এপ্রিল ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ভস্মীভূত হয় জনপ্রিয় পাইকারি কাপড়ের মার্কেট বঙ্গবাজার। পুড়ে যাওয়া বঙ্গবাজারকে আধুনিক রূপদান এবং সেখানে ব্যবসায়িক পরিবেশ সৃষ্টির উদ্যোগ নিয়েছে ডিএসসিসি। বঙ্গবাজারের নাম পরিবর্তন করে রাখা হচ্ছে বঙ্গবাজার পাইকারি নগর বিপণিবিতান। ১০ তলা বিশিষ্ট ভবনের গ্রাউন্ড ফ্লোর ও বেজমেন্ট ছাড়াও থাকবে মোট আটটি ফ্লোর। 

[৫] ১.৭৯ একর জায়গার ওপর নির্মিত হতে যাওয়া বহুতল ভবনে থাকবে তিন হাজার ৪২টি দোকান। প্রতিটি দোকানের আয়তন হবে ৮০-১০০ স্কয়ার ফুট। ভবনটিতে থাকবে আটটি লিফট, এর মধ্যে চারটি থাকবে ক্রেতা-বিক্রেতাদের জন্য। আর বাকি চারটি কার্গো লিফট থাকবে মালামাল ওঠা-নামানোর জন্য। এ ছাড়া থাকছে গাড়ি পার্কিং, খাবারের দোকান, সমিতির অফিস, নিরাপত্তাকর্মী এবং সেখানকার কর্মীদের আবাসন ব্যবস্থা। ভবনটি নির্মাণে সম্ভাব্য ব্যয় ধরা হয়েছে ৩৩৮ কোটি টাকা।

[৬] বঙ্গবাজার মার্কেটটি মূলত বঙ্গবাজার কমপ্লেক্স, আদর্শ ইউনিট, মহানগর ইউনিট ও গুলিস্তান ইউনিট নিয়ে গঠিত ছিল। গত ৪ এপ্রিল ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে মার্কেটগুলো পুরোপুরি ভস্মীভূত হয়। এ ছাড়া, মহানগর শপিং কমপ্লেক্স, এনেক্সকো টাওয়ার, বঙ্গ হোমিও মার্কেট এবং বঙ্গ ইসলামিয়া মার্কেটের কিছু অংশেও আগুন ছড়িয়ে পড়ে। ভয়াবহ এ অগ্নিকাণ্ডে তিন হাজার ৮৪৫ ব্যবসায়ী ক্ষতিগ্রস্ত হন বলে তদন্ত প্রতিবেদনে উঠে আসে।

[৭] প্রতিবেদনে অগ্নিকাণ্ডে প্রায় ৩০৩ কোটি টাকার আর্থিক ক্ষতি হয় বলেও উল্লেখ করা হয়। পরে পুড়ে যাওয়া মার্কেটের ফাঁকা স্থানে শামিয়ানা ও ছোট ছোট চৌকি বসিয়ে কোনোমতে ব্যবসা পরিচালনা করছিলেন ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীরা। সম্পাদনা: কামরুজ্জামান

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়