শিরোনাম
◈ দ্বিতীয় পদ্মা-যমুনা সেতুসহ পাঁচ বছরে ৫০০ কিলোমিটার এক্সপ্রেসওয়ে নির্মাণের পরিকল্পনা সরকারের ◈ তারেক রহমানের সফর অনিশ্চিত, কোন পথে বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক? ◈ বাংলা কিউআরে দৈনিক লেনদেনে বড় লাফ ◈ ৬০ লাখ বাংলাদেশির সিভি বিক্রির বিজ্ঞাপন হ্যাকারদের, ডলার দাবি ◈ হাদি হত্যাকাণ্ড: পরিকল্পনা থেকে দেশত্যাগ, তদন্তে উঠে এলো চাঞ্চল্যকর তথ্য ◈ অতিরিক্ত আইজিপি হলেন পাঁচ কর্মকর্তা ◈ জাতিসংঘ অধিবেশনে যোগ দিতে যুক্তরাষ্ট্র যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী ◈ চিনিতে লোকসান গুনেও অ্যালকোহলে ১৬৫ কোটি টাকা মুনাফা কেরুর ◈ গুম-খুন ও নির্যাতনের শিকারদের জন্য নতুন অধিদপ্তর গঠনের সিদ্ধান্ত ◈ দুই বছর পর খুলছে মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার, কম খরচে ২৫ এজেন্সির মাধ্যমে কর্মী পাঠানোর নতুন উদ্যোগ

প্রকাশিত : ১৫ জানুয়ারী, ২০২২, ০৪:২৮ দুপুর
আপডেট : ১৫ জানুয়ারী, ২০২২, ০৪:২৮ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

কামরুল হাসান মামুন: দেশটা সত্যিই একদম গোল্লায় গেল

কামরুল হাসান মামুন: এশিয়ার বিভিন্ন শহরে প্রথম মেট্রোরেলের কিলোমিটার প্রতি ব্যয়ের তুলনা করলে মনে হতেই পারে বাংলাদেশ ইউরোপের সবচেয়ে ব্যবহুল দেশ সুইজারল্যান্ড থেকেও বেশি ধনী। প্রায় একই বা কাছাকাছি সময়ে তৈরী হতে যাওয়া ইন্দোনেশিয়ার মেট্রোরেলও জাপানের সহযোগিতায় হচ্ছে। সেখানে কিলোমিটার প্রতি ব্যয় হলো ৭ কোটি ৫০ লক্ষ টাকা। আর আমাদের খরচ ২৩ কোটি ৪০ লক্ষ টাকা। পাকিস্তানের খরচ কত জানেন? মাত্র ৬ কোটি ৬১ লক্ষ টাকা। আর দিল্লিতে? মাত্র ৫ কোটি ৬ লক্ষ টাকা।

মানে পার্থক্যটা বুঝতে পারছেন? ঢাকার প্রথম মেট্রো নির্মাণে এখন পর্যন্ত যে পরিমাণ অর্থ ব্যয় হচ্ছে, তার তিন ভাগের এক ভাগ দিয়ে প্রথম মেট্রো তৈরি হয় ভারতের দিল্লিতে। ঢাকা এমআরটি-৬-এর অর্ধেকেরও কম খরচে লাহোরে প্রথম মেট্রো তৈরি করেছে পাকিস্তান। অন্যদিকে এশিয়া মহাদেশের মধ্যে সবচেয়ে কম খরচে প্রথম মেট্রো তৈরি করেছে চীন। দেশটির সাংহাই শহরের প্রথম মেট্রোটির নির্মাণ ব্যয় ঢাকার এমআরটি-৬-এর নির্মাণ ব্যয়ের পাঁচ ভাগের এক ভাগ।

শুধুই কি মেট্রোরেল? বাংলাদেশের রাস্তাঘাট, ব্রিজ কালভার্ট, ভবন ইত্যাদি নির্মাণেও একই মাত্রার খরচ। রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যৎ কেন্দ্র নির্মাণেও খরচের মাত্রা একই মাত্রার। এইবার বুঝতে পারছেনতো সরকার কেন এইসব বড় বড় মেগা প্রজেক্ট নেয়? প্রজেক্টের ব্যাপারে এত উৎসাহী? In fact কেন এত অতি উৎসাহী? কারণ মেগা প্রজেক্টে গিগা দুর্নীতি করে বিদেশে বেগমপাড়া, সন্তানপাড়া বানিয়ে দেশ থেকে সটকে পড়া যায়। এইজন্যই শিক্ষা ও স্বাস্থ্যে ব্যয় বরাদ্দ প্রায় নাই বললেই চলে। এবং এই সবকিছুই হচ্ছে উন্নয়নের লুলাবাই শুনিয়ে জনগণকে ঘুম পাড়িয়ে রেখে। এইজন্যই ক্ষমতা এত মধুর। এই জন্যই যে যখনই ক্ষমতায় যায় যেভাবেই হউক ক্ষমতা আজীবনের জন্য থাকতে চায় ।

দেশটা সত্যিই একদম গোল্লায় গেল। সততা, সংস্কৃতি, সভ্যতা সব দিনদিন হারিয়ে যাচ্ছে। চোরামীপনা, হারামীপনা, দুর্নীতি, লুচ্চামি এক্সপোনেনশিয়াললি বেড়েই চলছে। ধন্যবাদ বণিকবার্তা পত্রিকাকে। এইরকম সাহসী একটা রিপোর্ট করার জন্য। তা নাহলেতো জানতামই না। I mean জানতাম কিন্তু মাত্রাটা এত বড় জানতাম না। এত বড় মাত্রায় দুর্নীতি হচ্ছে অথচ জনগণ নাকে তেল দিয়ে ঘুমাচ্ছে। তবে দুঃখ কি জানেন? সব কিছুই হচ্ছে বঙ্গবন্ধুর নাম ভাঙ্গিয়ে।

  • সর্বশেষ