শিরোনাম
◈ নবম শ্রেণির রেজিস্ট্রেশন শুরু ২ আগস্ট, জরুরি নির্দেশনা ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের ◈ বাংলাদেশের বাজারে নজর দক্ষিণ কোরিয়ার, সিইপিএ নিয়ে শেষ ধাপের আলোচনা ◈ ‘বাংলার এপস্টেইন’ আসিয়ানের নজরুলের কাণ্ড: উপড়ে ফেলল মডেল কো-অর্ডিনেটরের পায়ের নখ, ভেঙ্গে দেওয়া হয়েছে পা ◈ শিল্পায়নের নতুন ইতিহাসের সূচনা হবে আনোয়ারায়: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ◈ এক দফা কমার পর আবার বাড়ল স্বর্ণের দাম ◈ ১৮ জেলার ১০৫ সীমান্ত পয়েন্ট দিয়ে দেশে ঢুকছে মাদক, প্রধান গন্তব্য ঢাকা ◈ বীর মুক্তিযোদ্ধা ও শহীদ পরিবারের সম্মানী ভাতা বাড়িয়ে প্রজ্ঞাপন ◈ সরকারি চাকরিজীবীদের নতুন পে স্কেল ঘোষণা পিছিয়ে যাচ্ছে ◈ যুক্তরাষ্ট্র-ইরান উত্তেজনা থামায় তেলের দামে বড় পতন ◈ একই পুরুষকে বিয়ে করলেন তিন বোন! বহুবিবাহ নিয়ে কী বলছে ভারতের আইন? (ভিডিও)

প্রকাশিত : ০৬ ডিসেম্বর, ২০২১, ০২:১৩ রাত
আপডেট : ০৬ ডিসেম্বর, ২০২১, ০২:১৩ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

ই-মেইল মেসেঞ্জারের সালামের জবাব দেওয়া কি জরুরি?

ধর্ম ডেস্ক: প্রযুক্তিনির্ভরতার এ যুগে জরুরি প্রায় অনেক কাজেই নিয়মিত ই-মেইল বা মেসেঞ্জার ব্যবহার করতে হয়। একই দিনে একজন ব্যক্তির সঙ্গে একাধিকবারও যোগাযোগ করতে হয়।

লিখিত আলাপচারিতায় সালাম দেওয়া ও সালামের জবাবের ক্ষেত্রে ইসলামের বিধান কী- অনেকেই প্রশ্নের সম্মুখীন হন।

ই-মেইল বা মেসেঞ্জারে যদি কেউ সালাম লিখে পাঠায় তা হলে আমি উত্তর মনে মনে দেব, নাকি আমাকে সালামের উত্তর লিখে পাঠাতে হবে? এক্ষেত্রে ফুকাহায়ে কেরামের বক্তব্য হচ্ছে, লিখিত সালামের জবাব লিখেও দেওয়া যায় আবার মুখে উচ্চারণ করেও দেওয়া যায়।

সুতরাং ই-মেইল বা মেসেঞ্জার যা-ই হোক বা অন্য কোনো মাধ্যম হোক, কেউ সালাম দিলে তার জবাব চাইলে লিখেও পাঠানো যাবে অথবা নিজে নিজে মুখে জবাব দিলেও হবে। এক্ষেত্রে মৌখিক জবাব তাকে শুনিয়ে দেওয়া জরুরি নয় এবং সালামের জবাবের জন্য তাকে পাল্টা উত্তর লেখা কিংবা ফোন করে জানানো কোনোটিই জরুরি নয়। বরং একাকী মুখে জবাব দিয়ে দিলেই হবে। (ফয়যুল কাদির :৪/৩১; রদ্দুল মুহতার : ৬/৪১৫)

সূত্র: ইসলামের আলো

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়